বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
হৃদ্‌স্বাস্থ্যর জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় অলিভ অয়েল বা জলপাইয়ের তেল। এটি ভিটামিন ই এবং ভিটামিন কে–এর উৎস।

অলিভ অয়েল বা জলপাইয়ের তেল: হৃদ্‌স্বাস্থ্যর জন্য এটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত তেল। এটি ভিটামিন ই এবং ভিটামিন কে–এর উৎস। এতে ওলিওকাহাল এবং ওলিওরোপিনের মতো অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট রয়েছে। এসব অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ধমনির কার্যকারিতা ও শরীরের প্রদাহজনিত প্রতিক্রিয়া উন্নত করতে সহায়তা করে। তবে অলিভ অয়েলের স্মোকিং পয়েন্ট কম হওয়ায় এটি উচ্চতাপে রান্না করা উচিত নয়।

তিলের তেল: তিলের তেল ভিটামিন ই–এর একটি ভালো উৎস। এতে ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন কে রয়েছে।

রাইসব্রান তেল: হৃদ্‌যন্ত্র ভালো রাখতে এ তেলের জুড়ি নেই। এই তেলে অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ওরাইজ্যানল ও ভিটামিন ই টকোট্রিনয়েল পাওয়া যায়, যা রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে।

সরিষার তেল: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, সরিষার তেল ওমেগা–৩ এবং ওমেগা–৬ ফ্যাটি অ্যাসিড–সমৃদ্ধ, যা হৃদ্‌যন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়ায়।

সানফ্লাওয়ার তেল: প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও পুষ্টিতে ভরা সানফ্লাওয়ার তেলে পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে, যা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে।

মাছের তেল: মাছের তেলে রয়েছে ওমেগা–৩ ও ওমেগা–৬ ফ্যাটি অ্যাসিড। ওমেগা–৩ রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় চর্বিযুক্ত মাছ রাখা জরুরি। মাছের তেলে প্রোস্টাগ্ল্যানডিন নামক রাসায়নিক উপাদান রয়েছে, যা হৃদ্‌রোগ ও ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

এ ছাড়া চীনা বাদামের, নারিকেলের, ফ্লাক্সসিড ও আখরোটের তেল হৃদ্‌বান্ধব। পুষ্টিবিদদের মতে, হৃদ্‌স্বাস্থ্য ভালো রাখতে একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক খাদ্য তালিকায় ২০ গ্রাম তেল থাকা উচিত। মাসে তেলের এই পরিমাণ অবশ্যই ৬০০ গ্রাম বা ১ লিটারের কম হতে হবে। অর্থাৎ হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমাতে রান্নায় যেমন স্বাস্থ্যকর তেল ব্যবহার করতে হবে, একইভাবে তেলের পরিমাণও হতে হবে সীমিত।

অনেকে আবার মাংসের চবি৴ খাবারে যোগ করেন। গরু বা খাসির চবি৴ হলো ট্রান্সফ্যাট, যা হৃদ্‌রোগ, কোলেস্টেরল, স্ট্রোক ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ায়। চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে পেতে হলে শাকসবজি অল্প তেলে রান্না করতে হবে।

স্বাস্থ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন