বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মহসীন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে হৃদ্‌রোগের ভয়াবহতা বেড়েই চলেছে। গত বছর ১৮ মিলিয়ন মানুষ হৃদ্‌রোগ ও রক্তনালিজনিত রোগে মারা গেছেন, এসব মৃত্যুর ৩৭ শতাংশ হলো হৃদ্‌রোগজনিত জটিলতা। এর প্রধান কারণ হার্ট অ্যাটাক। আমরা জানি, হার্টের রক্তনালি বন্ধ হয়ে হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে।

এনজিওগ্রামের মাধ্যমে হার্টের ব্লক ধরা পড়ে। সে ক্ষেত্রে হার্টে স্ট্যান্টিং অথবা বাইপাস করে চিকিৎসা করা হয়ে থাকে। কিন্তু হার্ট অ্যাটাকের ৩ মাস পর যদি ১০০ শতাংশ ব্লক পাওয়া যায়, সেটাকে ক্রনিক টোটাল অক্লুশান বলা হয়। এর চিকিৎসা অনেক জটিল ও ব্যয়বহুল।’

মহসীন আহমদ আরও বলেন, ‘অত্যন্ত আশার কথা, বাংলাদেশে হৃদ্‌রোগের চিকিৎসা বিশ্বমানের। কিন্তু ১০০ ভাগ জটিল ব্লকের চিকিৎসায় বাংলাদেশ কিছুটা পিছিয়ে ছিল। এই পাঁচ দিনের ওয়ার্কশপ এ ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, খুলনা, যশোর, সিলেট ও দিনাজপুরের ২৭ জন হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞ অংশ নিয়েছেন। বিদেশি ও দেশি হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞরা হাতে–কলমে ট্রেনিং দিয়েছেন। এতে বাংলাদেশের মানুষ অনেক উপকৃত হবেন।’
কর্মশালায় ভারতের চেন্নাই থেকে আসা হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞ অরুণ কল্যাণ সুন্দরম, কলকাতার হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞ আফতাব খান এবং দেশের ফ্যাকাল্টি হিসেবে ছিলেন জাতীয় হৃদ্‌রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক মীর জামাল উদ্দিন, অমল কুমার চৌধুরী, মামুনুর রশীদ, সাবিনা হাশেম।

পরে গত বুধবার এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহাদত হোসাইন। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক এ কে এম আমিরুল মোর্শেদ, অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আবু ইউসুফ ফকির, লাইন ডিরেক্টর মো. আল আমিন মৃধা এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. নাসির উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় হৃদ্‌রোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক মীর জামাল উদ্দিন।

সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন