বিজ্ঞাপন

* মানুষমাত্রই স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্বের অধিকারী। সবাই বেড়ে ওঠে নিজস্ব চিন্তাভাবনা ও মতামত নিয়ে। এই ব্যক্তিত্বই আকর্ষণ করে একে অপরকে। ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের জন্যেই ভালোবাসার সর্ম্পক তৈরি হয়। আর এই নিজস্বতা বাদ দিলে মানুষের অস্তিত্বই থাকে না। যার যার স্বাতন্ত্র্যকে যতটা সম্ভব মেনে নেওয়া উচিত।

default-image

* মনে রাখতে হবে, একজন মানুষের সবকিছুই ভালো লাগবে না। ভালোমন্দ মিলিয়েই তো মানুষ। তার মানে কিন্তু এই নয় যে নিজের পছন্দ-অপছন্দ বিসর্জন দিতে হবে। নতুন সর্ম্পক তৈরির প্রধান শর্তই হলো পছন্দের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং একজনের পছন্দ অন্যজনের ওপর চাপিয়ে না দেওয়া। একজন যদি সেটা না বোঝেন, তা হলে অপরজনকে একটু কৌশলী হতে হবে। যেকোনো একজনকে এমন দায়িত্ব নিতেই হবে। তাহলেই সর্ম্পক পূর্ণতা পাবে। সবচেয়ে বেশি সর্তক থাকতে হবে এই বিষয়ে যে মানুষটিকে বদলে ফেলার চেষ্টা করা যাবে না। এটি মস্ত বড় ভুল হতে পারে।

* একে অপরের মতামতের গুরুত্ব দিন। ভুল মতামত দিলেও সরাসরি বলা উচিত নয়। অন্তুত শুরুর দিকে। যুক্তি দিয়ে ভালোভাবে বোঝানো উচিত আপনার কাছে কোনটা ভুল বা ঠিক। পক্ষান্তরে তাঁর যুক্তিও জানতে হবে। বিশেষ করে কোনো পারিবারিক বা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সঙ্গীর মতামত নিন। এভাবে যদি একজন আরেকজনের পছন্দ-অপছন্দ মেনে চলা যায়, মতামতের গুরুত্ব দেওয়া যায়, তাহলে সর্ম্পক আরও সহজ ও সুন্দর হবে।

* একান্তই কোনো বিষয়ে একমত হতে না পারলে যেকোনো একজন ছাড় দিন। বড় কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছাড়া ছোট ছোট কাজ বা শখ পূরণে একে অপরকে ছাড় দেওয়া উচিত। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো একসঙ্গে নিতে হবে।

* নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় পছন্দ-অপছন্দগুলো জোর করে সঙ্গীর ওপর চাপাবেন না। এমনকি খাওয়াদাওয়া, জামাকাপড়, বেড়াতে যাওয়া, এসব সিদ্ধান্ত সব সময় দুজন আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিন। তাহলে দুজনের মতামতই গুরুত্ব পাবে। একজন হুকুম করছেন, অন্যজন সেই হুকুম মেনে চলছেন, এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে না।

* সঙ্গী যদি প্রাধান্য তৈরির চেষ্টা করেন, তাহলে তাঁর সঙ্গে বির্তকে না গিয়ে আলোচনা করুন। প্রয়োজনে শর্ত সাপেক্ষে, ব্যক্তিগত চুক্তিও করে নিতে পারেন। যার মাধ্যমে একে অপরের কথা মেনে চলার এবং নিজের স্বাধীন মতামত প্রকাশের সুযোগ তৈরি হবে।

সম্পর্ক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন