হেল্মহোল্টজ সেন্টার থেকে বাড়ি ফেরার পথে বাস থেকে দেখা দৃশ্য
হেল্মহোল্টজ সেন্টার থেকে বাড়ি ফেরার পথে বাস থেকে দেখা দৃশ্যছবি: লেখক

শ্যান জোর মতো চায়নিজবৃত্তির আশীর্বাদ না থাকলেও ঘোর বাঙালির ছিনেজোঁক স্বভাবটা তো আছে। সুতরাং লেকচার হলের মেঝে খামচে পড়ে থাকলাম। ওদিকে দু-একজন কে কোন দিকে গড়িয়ে চলে গেল। তাদের নাকি ক্লাস-পরীক্ষার চাপ আর সইছে না। সপ্তাহখানেকের নোটিশে কেউ রিসার্চ সেন্টার ছেড়ে দিল, কেউবা শহরও পাল্টে ফেলল।

default-image

গ্র্যাড স্কুলটাও যেন হঠাৎ আজব স্কুলে পাল্টে গেল। এখন থেকে নাকি আমরাই ছাত্র, আমরাই শিক্ষক। ছাগল পিটিয়ে মানুষ করার জন্য পণ্ডিতমশাই বলে আর কেউ থাকবে না। অদল-বদলটা ধরতে পারার আগেই হাতে আগামী ছয় মাসের রুটিন ধরিয়ে দেওয়া হলো। ক্লাসে চোখ মেলে ঘুমিয়ে কাটানোর আনন্দময় দিনগুলো ফুরিয়ে গেল বুঝি।

বিজ্ঞাপন

শুধু তা-ই নয়, কাগজে-কলমে পড়াশোনার পাশে হাতেকলমে শিখতে এদিক-সেদিক পাঠানো হবে আমাদের। আমচু মুখে রুটিনের হিজবিজ কাগজটা ঝাড়া দিয়ে ভালো করে পড়তেই দেখি সামনের সপ্তাহে ক্লাস মনিটর সাবিনার সঙ্গে আমাকে যেতে হবে দূরে শহরতলির এক হাসপাতালে। উদ্দেশ্য, ফুসফুসের অসুখে ভুগছে, এমন সব রোগীকে সরেজমিনে দেখে আসা। ক্লাসরুমের বেঞ্চে বসে ঝিমালে শেখাটা নাকি সম্পূর্ণ হয়ে ওঠে না। তাই বেঞ্চ থেকে উঠিয়ে রোগীর বেডসাইডে নেওয়া হবে আমাদের।

default-image

সোমবার। নিয়ম করে ইঁদুরকে সিগারেট টানিয়ে ব্যাগ গুছিয়ে তৈরি। গোসহাডের্ন যাব। আরেক ল্যাবের ছাত্রী সাবিনা অপেক্ষা করবে সেখানে। সুপারভাইজার আলী ইলদ্রিমের অফিসের সামনে দিয়ে পা টিপে টিপে পার হচ্ছি। ফেল মারার পর থেকে সে আমাকে চিহ্নিত শত্রু ঘোষণা দিয়েছে। তেলাপোকা মারতে লোকে যে রকম তেড়ে আসে, ঠিক তেমনি করে শাসাতে আসে।

‘অ্যাও!’
ভাউ শুনে জমে দাঁড়িয়ে গেলাম। চেয়ার ছেড়ে আলী ইলদ্রিম উঠে দাঁড়িয়েছে। প্রমাদ গুনব কি না ভাবছি, আর তখনি সে ট্রিক কোয়েশ্চেন ছুড়ে দিল, ‘রিসার্চ গ্রুপ লিডার হিসেবে এ পর্যন্ত কটা তুর্কিকে দেখেছ, বলো তো?’ জবাবে আমতা-আমতা করছি। ওপাশ থেকে বজ্রনাদ স্বরে উত্তর এল, ‘একজনও নেই। সবাই রাস্তায় পাইপ বসাচ্ছে দেখো গিয়ে।’ চোখ চলে গেল জানালা গলে। ক্যাম্পাসের এদিকটায় রাস্তা খোঁড়া হচ্ছে। বড় বড় পাইপ বসানোর তোড়জোড় চলছে। মিস্ত্রিদের প্রায় সবাই তুর্কি। কাজের ফাঁকে তারা ফুল ভলিউমে দেশি গান শুনছে, ‘ওইনামা শিকিদিম শিকিদিম…’।

default-image

‘আজকে আমিও ওদের দলে থাকতে পারতাম। পড়াশোনা আর ডিগ্রি করার চেয়ে রাস্তা খোঁড়াই কিন্তু সহজ। যাহোক, যে চুলায় যাচ্ছিলে, যাও।’ বুঝলাম, তার এই সিম্বলিক কথাবার্তা বাংলাদেশি মায়েদের ‘লেখাপড়া না করলে পরের বাড়িতে বুয়া সেজে বাসন মাজতে হবে’—এই চিরকালীন হুমকিরই তুর্কি ভার্সন। মাথা নামিয়ে কেটে পড়লাম সে বেলার মতো।

বিজ্ঞাপন


লাল রঙের ভক্সওয়াগনটা নিয়ে সাবিনা দাঁড়িয়ে ছিল স্টেশনের কাছে। আমাকে দেখতেই হাত নাড়ল মিষ্টি হেসে। ‘সিটবেল্ট কিন্তু লগবগ করে, ভালো করে বেঁধে নাও। মা-বাবার সেকেন্ডহ্যান্ড গাড়ি থার্ডহ্যান্ড আমার হাতে এসে পড়েছে কি না।’ বেশ কসরত করে সিটবেল্ট বাঁধলাম। বার দুই স্টার্ট দেওয়ার পর তিনবারের বার ইঞ্জিনে গুড়ুম গুড়ুম শব্দ তুলে গাড়ি ছুটল গাউটিং হাসপাতাল বরাবর।

default-image

ল্যাবের ইঁদুর আর গ্র্যাড স্কুল—জীবন এর ভেতরেই ঘুরপাক খায়। আজকে তাই ওসব থেকে ছুটি পেয়ে হালকা লাগছে মনটা। সাবিনা আঙুল তুলে দেখাল, ‘ওই দেখো ঘোড়ার পাল।’ শহর যে কখন পিছে ফেলে এসেছি, খেয়ালই করিনি। শহরতলির খামারবাড়ি, আস্তাবলে ঘোড়া আর মাঠে ভেড়ার দল দেখে ক্যালেন্ডারের পাতা ভেবে ভুল হতে চায়।
সাবধানে সাবিনার থার্ডহ্যান্ড গাড়ির জানালা নামিয়ে উঁকি দিলাম। ভীষণ তাজা বাতাসের একটা ঘূর্ণি এসে ঝাপটা মেরে গেল চোখেমুখে। রোদেলা আকাশে মেঘগুলো গা ভাসিয়ে চলছে গন্তব্যহীন। মেঘ-রৌদ্রের লুকোচুরিটা মাঠের পর মাঠ সবুজ ঘাসে জমে উঠেছে বেশ। শহুরে দাঁড়কাকের কা কা হটিয়ে নাম না জানা পাখির কিচিরমিচিরে চারপাশজুড়ে অদ্ভুত এক স্নিগ্ধতা। পরীক্ষায় পাস-ফেলের মামুলি সমীকরণটা ভুলে হেসে উঠলাম আপনমনেই। আহ, এই তো জীবন!
ঘ্যাঁচ! ব্রেকের হালকা ঝাঁকুনিতেই সিটবেল্ট আপনা থেকেই খুলে গেল পটাং করে। সাবিনার মুড়ির টিন ভক্সওয়াগন থেকে হামাগুড়ি দিয়ে বেরিয়ে এলাম দুজন।


জার্মানটা যে ভালো করে জানা নেই, এ কথার তোয়াক্কা না করেই ডাক্তার ভদ্রলোক আমাদের ওয়ার্ডগুলো একে একে ঘুরিয়ে দেখাচ্ছেন। জার্মান মেয়ে সাবিনাও বেমালুম ভুলে গেছে যে তার পাশে দাঁড়ানো বাংলাদেশির দৌড় ‘গুটেন মর্গেন’ পর্যন্ত। জার্মানি এসেছি মাস ছয় হলো। এর ভেতরে আর কতটাই-বা মুজতবা আলী হয়ে ওঠা যায়? কী আর করা, বডি লাঙ্গুয়েজ আর এক-আধটা কথা ভাঙা ভাঙা বুঝে সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে।
খানিক বাদে করিডরের শেষ মাথার কেবিনটা দেখিয়ে ডক্টর রালফ বলল, ‘লাংস ট্রান্সপ্ল্যান্টের এক রোগী আছে কেবিনে। দেখা করবে নাকি?’ আমরা দুজন সোৎসাহে ওপর-নিচ মাথা নাড়লাম।

default-image

গোটা ফুসফুস সরিয়ে আরেকজনের অঙ্গ বসিয়ে দেওয়া হয়েছে, এমন কাউকে কাছ থেকে দেখার রোমাঞ্চটা যেনতেন নয়। রালফ ডাক্তার বিদায় নিয়ে ডিউটিতে ফিরে গেল; আর যেতে যেতে বলে গেল, ‘দেখো, আবার বেশি সময় নিয়ো না। আমার এক কলিগ এসে তোমাদের বাকি ওয়ার্ডগুলো ঘুরিয়ে দেখাবে।’
দরজায় সামান্য টোকা দিয়ে উঁকি দিলাম, ‘আসতে পারি?’ জাপানি চেহারার মাঝবয়সী লোকটা বালিশে হেলানে থেকে অস্ফুট হ্যাঁ, হুঁ সায় দিল। তারপর পরিষ্কার ইংরেজিতে বলে উঠল, ‘হ্যালো, আমি লিউ। তোমাদের কথা বলে রেখেছে ডক্টর রালফ। তা কী জানতে চাও, বলো তো?’ কী আবার বলব, ইতস্তত করছি দুজন। এবার লিউ নিজের থেকেই কথা পাড়ল।

লিউ আসলে থাইল্যান্ডের লোক। এ দেশে আছে প্রায় বছর বিশেক। নিজের ব্যবসা আছে। আর আছে সিগারেটের মুদ্রাদোষ। সে তো অনেকেরই থাকে। কিন্তু বছর দুই আগে তার হাতে মেডিকেল রিপোর্ট ধরিয়ে ডাক্তার জানিয়ে দিল, ‘ব্যাড নিউজ, মিস্টার লিউ। তোমার ফুসফুস ফোঁপরা হয়ে গেছে। ও দিয়ে বেশি দিন চলবে না। চাও তো তোমার নাম লিস্টে তুলে দিতে পারি। ডোনার পেলে একটা চান্স নিয়ে দেখা যেতে পারে। তবে সময় বড্ড কম।’

default-image

হতভম্ব লিউর মুখ থেকে কথা সরছিল না। তার বেঁচে থাকা হঠাৎ ফুরিয়ে এসেছে। বাঁচা-মরা নির্ভর করছে সদ্য মৃত কারও শরীর থেকে খুলে আনা এক জোড়া সুস্থ ফুসফুসের ওপর। সিগারেট নামের কয়েক ইঞ্চির ছোট্ট শলাকা কখন যে যমদূত হয়ে নীরবে ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছিল, বুঝতেও পারেনি লিউ।

‘কপালটা ভালো, জানো। এক বছরের মাথায় ডোনার জুটে গেল। এর ভেতর মরেও যেতে পারতাম, কী বলো? তোমাদের বিজ্ঞানের বদৌলতে আরেকটা জীবন পেলাম যেন।’ জানালার বাইরে ভয়ংকর সুন্দর পৃথিবীটার দিকে তাকিয়ে অস্ফুটস্বরে আরও কী যেন বলে চলল লিউ।

কেবিনের বাইরে এসে বিচিত্র অনুভূতিতে মন ছেয়ে গেল। আজ মানুষ রোগীর দেখা পেয়ে বড্ড বাস্তব ঠেকছে সবকিছু। লিউয়ের নতুন জীবন ফিরে পাওয়ার পেছনে কতশত ছোট-বড় বিজ্ঞান লুকিয়ে আছে, আবছা হলে তার কিছুটা দেখতে পেলাম যেন। পাতার পর পাতা খটোমটো রিসার্চ পেপার পড়া আর শয়ে শয়ে ইঁদুর নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার এই প্রথম একটা লক্ষ্য খুঁজে পেলাম। লক্ষ্যটা পাস করে কাগুজে ডিগ্রি বাগানো থেকে সরে এসে সত্যিকারের শেখার ইচ্ছা বদলে গেল আচমকাই। কাউকে নতুন জীবন উপহার দেওয়ার চেয়ে চমৎকার আর কী হতে পারে?

বিজ্ঞাপন


সাবিনা সুবিধামতো একটা স্টেশনে নামিয়ে দিয়ে গেছে সন্ধ্যায়। বাসে উঠতেই সোমালিয়ান ড্রাইভার হেঁকে উঠল, ‘সাবরিনা, কী খবর?’ তিরিশ-পঁয়ত্রিশের লম্বা-চওড়া জোসেফের মুখে হাসি লেগেই থাকে। এই পথে নিত্যদিনের আসা-যাওয়া। তাই আলাপ জমে গেছে। জোসেফের হাতে মিনিট পাঁচেক আছে। বাস-ট্রেন এ দেশে ঘড়ি ধরে চলে। এই ফাঁকে সে এক কাপ গরম কফি নিয়ে বসেছে আয়েশ করে। কী মনে হলো, প্রশ্ন ছুড়ে দিলাম, ‘আচ্ছা জোসেফ, এ দেশে এসে খাপ খাওয়াতে কেমন সময় লেগেছে তোমার?’ কফিতে লম্বা চুমুকের পর জবাব এল, ‘তা অনেক দিন। রিফিউজি হয়ে এ দেশে আসা। তারপর শ খানেকের সঙ্গে গাদাগাদি করে ক্যাম্পে থাকা প্রায় দেড় বছর। জার্মান ভাষা শিখে নিতে আরও এক বছর। দাঁত খুলে গিয়েছিল, জানো? হাহাহা...।’ আগ্রহ নিয়ে জোসেফের গল্প শুনছি।

default-image

‘ভাষা জানলেই কি আর হয়। করে খাওয়ার মতো কাজ তো জানতে হবে। তখন এই বাস চালানো শেখা। জীবনে সাইকেলও চালাইনি। সেই আমি এক ধাক্কায় বাসের স্টিয়ারিংয়ে বসে গেলাম। কী আজব ব্যাপার, তাই না।’

জোসেফ তো দেখা যাচ্ছে বেশ কাঠখড় পুড়িয়ে এ অবধি এসেছে। সে তুলনায় আমি তো ফায়ারপ্লেসের উষ্ণ আরামে আছি। রিফিউজি ক্যাম্পের তুলনায় বিশ স্কয়ার মিটারের এক কামরায় রাজার হালে থাকি। নতুন কিছু শিখতে বিশাল মার্সিডিজ বেঞ্জ বাস ঘোরাতে হচ্ছে না। পায়ের ওপর পা তুলে সামান্য বইপত্র ঘাঁটলেই চলছে।
কফি শেষ জোসেফের। তবু সে বলেই চলেছে, ‘কিন্তু কেঁচে গেল সব একদিন। লালবাতিতে গাড়ি টেনে ফেল করে বসলাম ড্রাইভিং পরীক্ষায়।’ ফেলের কথা শুনে নড়েচড়ে বসলাম। ‘ইনস্ট্রাক্টরের কাছ থেকে দুটো বিশ্রী গালিও খেলাম সেদিন। কিন্তু রিফিউজি হয়ে এ দেশে এসেছি। উপায় বেশি নেই। মন শক্ত করে আবার ট্রেনিং শুরু করলাম। আর এখন তো তোমাকে বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছি। পকেটে ঝকঝকে লাইসেন্স। বুঝলে সাবরিনা, ছিনেজোঁকের মতো কামড়ে পড়ে থাকতে হয়।’ গমগমে হাসিতে বাস কাঁপিয়ে গল্পের ইতি টানল জোসেফ দ্য সোমালি ম্যান।


দিনগুলো দ্রুত কাটতে লাগল। সবখানে ‘ছিনেজোঁক’ থিওরি ফলাতে লাগলাম। গ্র্যাড স্কুলে নিজেই শিক্ষক সেজে লাংস ফিজিওলজির ওপর ক্লাস নিয়েছি। চার-পাঁচটা রিসার্চ পেপার প্রেজেন্ট করে সামান্য জাতে ওঠারও চেষ্টা করেছি। সমান্তরালে ইঁদুরকে বিড়ি ফোঁকানো আর ল্যাবের এক্সপেরিমেন্টও চলতে থাকল জোরেশোরে। ওদিকে আরেকটা পরীক্ষার দিনও ঘনিয়ে এল ক্রমশ। এবার ফেল মারলে আর ডিগ্রি করে বেরোতে হবে না।

default-image

সেই আবার ওপেন বুক এক্সাম। সেই আবার গোসহাডের্ন হাসপাতালের লেকচার হল। ফারাক একটাই, কলমের ডগায় এবার তুফান মেল চলছে। প্রশ্ন সব জলবৎ তরলং ঠেকছে। আর উত্তরগুলোও যেন বড় বড় হরফে জ্বলজ্বল করছে কাগজের জমিনে। সময়ের আগেই পরীক্ষা পর্ব চুকিয়ে বেরিয়ে এলাম।

ঘড়ির কাঁটা ঘূর্ণির বেগে ঘুরে আরও এক মাস উড়িয়ে দিল খুব সহজেই।
তারপর এল সেই দিন। পরীক্ষার ফল টাঙানো হয়েছে নাকি আজকে। শুনে চিন্তিত মুখে সেমিনার রুম বরাবর এগোচ্ছি। নাম খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খেলাম। নাহ, ভুল হয়েছে কোথাও। নিশ্চয়ই উল্টো করে সাঁটানো হয়েছে তালিকাটা। নইলে ওপর থেকে তিন নম্বরে এল কী করে নিজের নাম!

নিঃশব্দে চায়নিজ ছেলে শ্যান জো এসে পাশে দাঁড়িয়েছে কখন যেন। তার নামটা আমার নামের প্রতিবেশী হয়ে চার নম্বরে ঝুলছে। ‘কি, এই খুশিতে এক দফা চা হয়ে যাবে নাকি?’ বুকপকেট থেকে আপেলের খোসার ফসিলগুলো বের করতে করতে বলল শ্যান জো। অতি আনন্দে ভুল করে সায় দিয়ে দিলাম।

ইলেকট্রিক কেটলিতে ধোঁয়া তুলে গরম পানি ফুটছে। মহা খুশি সুপারভাইজার আলী ইলদ্রিম কাঁধ ধরে জোরসে ঝাঁকিয়ে গেছে এক প্রস্থ। তার অফিস থেকে ফুল ভলিউমে তুর্কি গান ভেসে আসছে, ‘ওইনামা শিকিদিম শিকিদিম..’।

লেখক: পোস্ট-ডক্টরাল গবেষক, ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজি, স্কুল অব মেডিসিন, টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি মিউনিখ, জার্মানি

ভ্রমণ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন