বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সব মিলিয়েই এই সময়টাতে দেশের পর্যটন এলাকাগুলো চলে আসে নিজের আসল সৌন্দর্যে। তাই অনেকেই সারা বছরের ছুটিটুকু এই সময় ঘোরাঘুরির জন্য জমিয়ে রাখেন। তবে ছুটি থাকুক আর না–ই থাকুক, ভ্রমণের জন্য এই সুবর্ণ মৌসুমেও ঘুরে আসাটা সবার পক্ষে সম্ভব হয় না। এর অন্যতম বড় কারণ, হোটেলের রুম খালি না পাওয়া। দেশের ভ্রমণপিপাসুরা এ সময়ে দেশের মধ্যে ঘোরাঘুরির জন্য মুখিয়ে থাকেন বলে জনপ্রিয় পর্যটন এলাকাগুলোর হোটেলগুলোতে বেশ চাপে থাকেন। সাপ্তাহিক ছুটি তো দূরের কথা, এই সময়টাতে সপ্তাহের অন্যান্য দিনও হোটেলের রুম খালি পাওয়াটা দুষ্কর। তাই এ সময়ে ভ্রমণের কমপক্ষে দুই থেকে তিন সপ্তাহ আগে হোটেলের রুম বুকিং না দিতে হয়। নতুবা হোটেলে রুম খালি না পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

যেকোনো ভ্রমণের অভিজ্ঞতা ভালো বা খারাপ হওয়াটা অনেকাংশেই নির্ভর করে সেখানকার থাকার ব্যবস্থাটা কেমন, তার ওপর। তাই সবারই প্রত্যাশা থাকে, যেন থাকার ব্যবস্থাটা আরামদায়ক হয়। এ জন্য শুধু হোটেল বুকিং করলেই হবে না, হোটেল বুকিং দেওয়ার আগেই সেই সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা থাকাটা জরুরি। পর্যটকেরা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে দেশের ভেতরে ঘুরতে পারেন, সে জন্য দেশের আনাচকানাচে আছে প্রচুর হোটেল ও রিসোর্ট। এত হোটেলের মধ্যে যেকোনো একটি বাছাই করার ক্ষেত্রে শুধু হোটেলের রুমের ভাড়া ছাড়াও আরও অনেক কিছু বিবেচনা করতে হয়। হোটেলের রুম কেমন হবে, সেখানে কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা আছে, হোটেলটি কোন এলাকায় অবস্থিত—এসব কিছু সম্পর্কে জেনে তারপরই হোটেল বাছাই করে বুকিং দেওয়া উচিত। এ জন্য গো যায়ানে এক জায়গাতেই পাওয়া যাবে দেশের প্রায় সব উন্নত মানের হোটেল। যেখান থেকে খুবই স্বাচ্ছন্দ্যে যে কেউ তার গন্তব্যের জনপ্রিয় হোটেলগুলোর রুমের ভাড়া ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা জেনে রুমের বুকিং দিতে পারবেন।

default-image

এ তো গেল হোটেলের কথা। দেশের ভেতরে ভ্রমণের ক্ষেত্রে যাওয়া–আসার জন্য সাধারণত সবাই ট্রেন, বাস বা প্লেন ব্যবহার করে থাকেন। এ ছাড়া নিজস্ব বা ভাড়া করা ব্যক্তিগত গাড়িতেও অনেকে যাতায়াত করে থাকেন। শীতকালে রাস্তাঘাটের অবস্থা তুলনামূলক ভালো থাকায় বাসে বা প্রাইভেট কারে যাওয়া–আসা করাটা খুব একটা ঝামেলার হয় না। তবে অনেক সময় ধরে যাত্রা করায় শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এই ক্লান্তি নিয়ে পরে গন্তব্যে পৌঁছে ঘোরাঘুরি করাটা অনেক সময় বেশ কষ্টকর হয়ে ওঠে। তা ছাড়া অনেকেই অসুস্থ হয়ে যান। অনেকেরই ভ্রমণ শেষ করেই অফিসে যেতে হয়। সে ক্ষেত্রে দীর্ঘ যাত্রার পর ক্লান্ত হয়ে অফিস করাটাও হয়ে ওঠে বেশ কঠিন।

এ জন্য আজকাল দেশের ভেতরে ভ্রমণের জন্যও বেড়ে গেছে ফ্লাইটে যাতায়াত করার প্রবণতা। পরিবারের সবার সঙ্গে ভ্রমণের জন্য ফ্লাইটে যাতায়াত করা একদিক থেকে যেমন নিরাপদ, তেমনি প্রয়োজন হয় একদমই অল্প সময়ের। এ জন্য শিশু ও বয়স্ক যাঁরা আছেন, তাঁদের জন্য ফ্লাইটে যাতায়াত করাটাই বেশ আরামদায়ক। এ ছাড়া এই মাধ্যমে যাতায়াত করায় ক্লান্তি কম হয় বলে ট্যুরটাকে উপভোগ করা যায়। আর যাঁদের ভ্রমণ শেষেই অফিস ধরতে হয়, তাঁদের জন্য ফ্লাইটে যাত্রা করাটাই ভালো। এতে কর্মস্থলে ফিরে শরীরের ওপর দিয়ে ভ্রমণের ধকলটা খুব একটা যায় না। অনেকেই মনে করেন যে ফ্লাইটে যাতায়াত করাটা বেশ ব্যয়বহুল, যা সম্পূর্ণ সঠিক নয়। এসি বাসের চেয়ে অল্প কিছু বেশি খরচ করলেই ফ্লাইটে যাতায়াত করা সম্ভব। এ ছাড়া গো যায়ানে বিভিন্ন এয়ারলাইনস ও অন্যান্য পার্টনারের বিভিন্ন অফার প্রায়ই চলতে থাকে বলে কিছুটা কম খরচেই ফ্লাইট বুকিং দেওয়া যায়।

default-image

শীতের এই মৌসুমে ঘুরতে চায় সবাই। কিন্তু কর্মব্যস্ততায় ভ্রমণে যাওয়ার ব্যবস্থা করা, থাকার ব্যবস্থা কোথায় হবে, সেটা ঠিক করা, বুকিং করা—এসব হয়ে ওঠে জটিল। খুব সহজেই এ সমস্যার সমাধান করা যাবে গো যায়ানে। যেখানে এক জায়গা থেকেই ফ্লাইট, বাস এবং হোটেলের সব ধরনের বৃত্তান্ত জেনে, যাচাই–বাছাই করে তারপর বুকিং দেওয়া যায়। তাই ব্যস্ততা যতই থাকুক, গো যায়ানে খুবই স্বাচ্ছন্দ্যেই  ভ্রমণের জন্য বাস, হোটেল, ফ্লাইট বুকিং দেওয়া যাবে। নিশ্চিন্তে প্রস্তুত হওয়া যাবে ভ্রমণের জন্য।

বিজ্ঞাপন বার্তা

ভ্রমণ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন