বিজ্ঞাপন

জেরেমি ব্রুয়ার

বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার

default-image

অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশিদের সঙ্গে একসঙ্গে মাস্টারশেফ প্রতিযোগিতা উপভোগ করা কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুয়ার। দুই দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক বাড়াতে কিশোয়ার অবদান রাখছেন বলেও অভিমত তাঁর। তিনি বলেন, ‘তাঁর অসাধারণ সৃজনশীল রেসিপিগুলো বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে গভীর সংযোগকে প্রতিফলিত করে। তিনি এ সাফল্যের যোগ্য। কিশোয়ারের প্রতিটি রান্না বাংলাদেশের সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রাণিত। তবে তিনি এর মধ্যে নতুন এবং সৃজনশীল উপাদান যোগ করেছেন। তিনি বাংলাদেশের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ খাবারকে অস্ট্রেলিয়ার বসার ঘরে নিয়ে এসেছেন। পাশাপাশি তিনি আমাদের বহু সংস্কৃতি এবং বৈচিত্র্যময় কমিউনিটিতে নতুন এবং রোমাঞ্চকর উপাদান যোগ করে বিশেষ অবদান রাখছেন। গত কয়েক মাসে কিশোয়ারের সাফল্যে আমরা শিহরিত এবং অনুপ্রাণিত।

মোহাম্মদ সুফিউর রহমান

অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার

default-image

বিশেষ ভঙ্গিতে বাংলার গ্রামীণ চিরায়ত রান্না এবং খাবারের প্রচার করছেন কিশোয়ার। এর মধ্য দিয়ে বাংলার কৃষ্টির-সংস্কৃতির একজন সফল এম্বাসেডর হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করেছেন। তাঁর প্রতিটি পরিবেশনার গল্পে বার বার বাংলাদেশে ফিরে গেছেন। বাংলাদেশি খাবার রান্নায় ব্যবহারও করেছেন বাঙালি উপকরণ। এর মাধ্যমে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের প্রচারেও অবদান রেখেছেন। আর তাঁর এ অবদান আমাদের কাছে দুই দেশের সম্পর্কের ভিত্তির হিসেবে কাজ করবে। তাঁর সাফল্যে বাংলাদেশি হিসেবে আমরা সবাই গর্বিত এবং তাঁর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।’

এদিকে মাস্টারশেফের চূড়ান্ত ফলাফলে কিশোয়ারের অবস্থানে আনন্দিত অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিশোয়ারের অবস্থানের সংবাদে উত্তাল হয়ে আছে অস্ট্রেলিয়া। কেউ কিশোয়ারকে শুভেচ্ছা বার্তা জানিয়ে পোস্ট দিচ্ছেন, তো কেউ পোস্টে মন্তব্য করেও অভিনন্দন জানাচ্ছেন তাঁকে। সিডনির বাসিন্দা ফাহিম ফয়সাল লিখেছেন, ‘কিশোয়ার আমাদের বাংলাদেশিদের গর্ব। তিনি বাংলাদেশিদের মনে রাখার মতো একটা কাজ করেছেন।’ কিশোয়ারের ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক পোস্টে বহু ভক্ত অভিনন্দন জানিয়েছেন। কিশোয়ারের লেখা বইয়ের অপেক্ষায় থাকার কথাও জানাচ্ছেন বেশির ভাগ মন্তব্যকারী।

লাইফস্টাইল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন