তুমি রোজ আমাকে সাহস দিয়েছ, অনুপ্রেরণা দিয়েছ, বিশ্বাস রেখেছ যে ‘আমিই পারব’। তাই এই ব্যস্ত দুনিয়ার কোনো হতাশা আমাকে গ্রাস করতে পারেনি। তোমার জন্যই ভর্তি হতে পেরেছি স্বপ্নের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

সেই ছোট্টবেলা থেকে তোমার মুখে মিষ্টি গান শুনতে শুনতেই গানের ভুবনটাকে ভালোবেসে ফেলি। তোমার কাছেই শিখি শুদ্ধ বাংলায় আবৃত্তি। শত ব্যস্ততা সত্ত্বেও রোজ আমাকে নিয়ে যেতে নাচের ক্লাসে, গানের ক্লাসে। তোমার হাত ধরেই সংস্কৃতির রুচিশীল দুনিয়াকে চিনতে শুরু করেছি। তোমার জন্যই এই আমি ‘আজকের আমি’।

আব্বুর না থাকার কষ্ট তোমাকে ভেতরে ভেতরে গ্রাস করলেও কখনো আমাদের তা বুঝতে দাও না। একাই তুমি সবটা দিয়ে আগলে রাখো। জানো মা, তোমার মনের শিশুসুলভ সারল্য, স্নেহ আর উচ্ছলতায় ঘরে-বাইরে আশপাশের সব মানুষের মন রাঙিয়ে রাখো তুমি। সারা দিন অপেক্ষার পর রাতে তুমি যখন বাড়ি ফেরো, আমাদের অন্ধকার ঘর যেন আলোকিত হয়ে যায়।

লক্ষ্মী আম্মু, আমাদের জন্য হলেও নিজের খেয়াল রেখো প্লিজ। অনেক কষ্ট দিই তোমাকে। পারলে ক্ষমা কোরো। আর দোয়া করো, তোমার এই দুষ্টু মেয়ে যেন আপন আলোয় বিকশিত হতে পারে। যেন তোমার মতো শক্তিশালী হতে পারে। তোমাকে ভালোবাসি মা।

জীবনযাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন