বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

রঙের মধ্যে আছে গাঢ় মেরুন, ম্যাজেন্টা, চাপা সাদা, সাদা, সবুজ, হলুদ, কমলা, ফিরোজা, বেগুনি, চেরি রেড, ল্যাভেন্ডার, সোনালিসহ নীলের নানা শেড। সব রঙেই পরিমিতিবোধ রয়েছে। দিনের বেলায় পরার জন্য হালকা রং আর রাতে অনুষ্ঠানের জন্য একটু জমকালো গাঢ় রং—এভাবেই তৈরি করা হয়েছে শাড়িগুলোর নকশা।

default-image

সারা দিনের গরমে আরাম পেতে ক্রেতারা সুতিকে প্রাধান্য দিলেও সন্ধ্যারাতের পার্টির জন্য কিনছেন একটু ভারী কাজের শাড়ি। টাঙ্গাইল শাড়ি কুটিরের প্রতিষ্ঠাতা ও ডিজাইনার মুনিরা এমদাদ বলেন, ‘এবার সুতি ও ভেজিটেবল ডাই শাড়িগুলো বেশি চলবে। সিল্কের ওপর শিবরি, টাই–ডাই, এমব্রয়ডারি, ব্লক ইত্যাদি রয়েছে।’

default-image

তাঁতের শাড়িতে থাকছে জ্যামিতিক মোটিফের ব্যবহার। দেশালের শাড়িতে এবার জমিনে বুটিদার বিপণিবিতানগুলো ঘুরে দেখা যায়, এবারের শাড়ির প্রধান বৈশিষ্ট্য হ্যান্ড ফিল। শাড়িতে প্রিন্ট মাধ্যমটি এমনভাবে ব্যবহৃত হয়েছে যেন কাপড়ের সঙ্গে মিশে যায়। এসব শাড়ি খুবই আরামদায়ক ও সহজে পরা যায়। এ ছাড়া এবারের ঈদ সংগ্রহে নতুন মাত্রায় সংযুক্ত হয়েছে রেডি টু ওয়্যার শাড়ি। নিয়মিত শাড়ি পরে অভ্যস্ত নন, এমন কর্মজীবী ও শিক্ষার্থীরাও এ ধরনের শাড়ি সহজেই সামলে নিতে পারবেন। এই শাড়ির সঙ্গে পেটিকোট ও ব্লাউজ যুক্ত করা থাকে।

ফ্যাশন হাউস দেশালের ডিজাইনার ইশরাত জাহান বলেন, ‘ঈদে এবার কাজ হয়েছে ট্রায়াঙ্গল ফর্ম মোটিফের ব্যবহার থাকছে সবচেয়ে বেশি। সব হাউসেই শাড়ির চওড়া পাড়ের ব্যবহার কমেছে। ট্রেন্ডে থাকবে মাঝারি চওড়া ও চিকন পাড়ের শাড়ি।’

default-image

ঈদে দেশি তাঁতের শাড়িকে পছন্দের তালিকার শুরুতে রাখা দরকার বলে মনে করেন দেশি ফ্যাশন হাউস কে ক্র্যাফ্‌টের স্বত্বাধিকারী খালিদ মাহমুদ খান। এতে কোভিডের সময় যেসব তাঁত বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, সেগুলো আবার সচল হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে মনে করেন এই উদ্যোক্তা।

জীবনযাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন