default-image

আমাদের শরীরের ভেতরে থাকা যত সব দূষিত উপাদান বের করে দেওয়ার জন্যই ডিটক্স পানির ব্যবহার। চাইলে বাড়িতেই নানা রকম ডিটক্স পানি বানিয়ে নেওয়া যায়। হারমনি স্পার আয়ুর্বেদিক রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা বললেন, এক জগ পানিতে আদা, লেবু, পুদিনাপাতা ও শসা রেখে দিতে পারেন। সেখান থেকে ছেঁকে পানি খেতে পারেন। জিরাপানি ভালো ডিটক্স হিসেবে কাজ করে। কুসুম গরম পানিতে লেবু ও মধু মিশিয়ে খেলে শরীর ডিটক্স হয়। শুধু পানিতেও ডিটক্সের কাজ হয়। সে জন্য সকালে ঘুম থেকে উঠেই দুই গ্লাস উষ্ণ গরম পানি পান করতে পারেন। উষ্ণ পানি পানের কোনো অসুবিধা নেই।

default-image

বারডেম জেনারেল হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ এবং খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগের প্রধান শামসুন্নাহার নাহিদ বলেন, গবেষণায় দেখা গেছে, আধা লিটার ডিটক্স ওয়াটার খুব অল্প সময়ের জন্য শরীরের বিপাক ক্রিয়ার হার ৩০ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়। অর্থাৎ ডিটক্স ওয়াটার পরোক্ষভাবে ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করে। শরীরে পানি, লবণ ও পিএইচের মাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখে। কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে, হজমক্ষমতা বাড়ায়। অল্পতেই ক্লান্তি আসে না, মনও ভালো থাকে। তবে এটি সরাসরি কোনো কাজ করে না, বরং নানাভাবে সাহায্য করে।

default-image

সুষম খাদ্যাভ্যাসে পর্যাপ্ত পানিও একটি উপাদান। কেউ কেউ শুধু পানি খুব একটা পান করতে পারেন না। এর পরিবর্তে হয়তো কার্বোনেটেড ড্রিংকস কিংবা ফলের রস পান করেন। এভাবে পানি তো শরীরে ঢুকছে, কিন্তু পানির সঙ্গে ঢুকছে প্রচুর ক্যালরি। প্রতিনিয়ত এভাবে এতটা শর্করা গ্রহণ করা কারও জন্যই স্বাস্থ্যকর নয়। এর চেয়ে ডিটক্স ওয়াটার ভালো। অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণের ভয় থাকে না। পর্যাপ্ত পানি পান করার ফলে শরীরের পানির চাহিদা পূরণ হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্মরোগ বিভাগের অধ্যাপক হরষিত কুমার পাল জানালেন, ভাত বা ভারী যে কোনো খাবার খাওয়ার আধা ঘণ্টা আগে আধা গ্লাস বা এক গ্লাস পানি পান করলে খাবারের পরিমাণ আপনা-আপনিই কমে আসে। এ অভ্যাস তৈরি করলে তা একসময় ওজন নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে।

জীবনযাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন