জিজি জানিয়েছেন, তাঁর বাড়ির চারপাশে কয়েক মাইলজুড়ে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা কড়া পাহারায় থাকে পাপারাজ্জি। ১০ মাস হয়ে গেল এখনো খাইয়ের কোনো ছবি আসেনি গণমাধ্যমে। তাই পাগল হয়ে উঠেছে বিশ্ব মিডিয়া। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চেয়ে ইনস্টাগ্রামে খোলা চিঠি লিখেছেন জিজি। লিখেছেন, ‘পাপারাজ্জিরা ছবির জন্য পাগল হয়ে উঠেছে। আমি আমাদের সন্তানের জন্য একটা স্বাভাবিক জীবন চাই। ও কেন আমাদের জন্য আর দশজনের মতো করে বেড়ে উঠবে না?’

জিজি লেখেন, ‘আমাদের বাচ্চা যতই বড় হয়ে উঠছে, ওকে নিয়ে আমরা ততটাই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়ছি। ও ঘরে থাকতে চায় না। ও এই বিশ্ব দেখতে চায়। ও ঘুরে বেড়াতে চায়। আমি ওকে বিশ্বের প্রতিটি কোনা চেনাতে চাই। নিউইয়র্ক সিটির রাস্তার কতশত মানুষের সঙ্গে পরিচিত করাতে চাই। অথচ আমরা ওকে আমাদের বাড়ির ফার্মেও হাঁটাতে নিয়ে যেতে পারি না।’

পাপারাজ্জি, আলোকচিত্রী, মিডিয়াকর্মীদের উদ্দেশ করে জিজি লেখেন, ‘আমরা জানি, একেক দেশের একেক আইন। এখন ১৮ বছরের নিচের বাচ্চারা যদি না চায় বা তাদের অভিভাবক না চান, তাহলে তাদের ছবি ঝাপসা করে মিডিয়ায় ছাপা হয়। আপনারাও সেটি মানবেন, প্লিজ। আমরা আপনাদের বাস্তবতা বুঝি। আমরা চাই আপনারাও অভিভাবক হিসেবে প্লিজ আমাদের চাওয়াটা বোঝেন। ১০ মাস পেরেছি। কিন্তু এখন ও বড় হয়ে উঠছে। এখন ওকে ঘরে রাখা ক্রমেই মুশকিল হয়ে পড়ছে। ওর একটা স্বাভাবিক শৈশবের জন্য আমরা আপনাদের একান্ত সাহায্য চাই।’

জায়ান যেভাবে বাবার দায়িত্ব পালন করছেন, তাতে বেজায় খুশি জিজি। বাবা দিবসে জায়ানকে উদ্দেশ করে জিজি লিখেছেন, ‘বেস্ট বেবি ড্যাড’।

২০১৫ সাল থেকে প্রেম করছেন জিজি আর জায়ান। ২০১৮ সালে ঘোষণা দিয়ে তাঁরা আলাদা হয়ে গিয়েছিলেন। তারপর থেকে সম্পর্ক ভাঙা আর জোড়া লাগার নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়। তবে লকডাউনের আগ দিয়ে ইনস্টাগ্রাম পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছিলেন, সব মিটমাট করে ভাঙা হৃদয় ভালোমতো জোড়া লাগিয়েছেন তাঁরা। থাকবেন এক ছাদের নিচে। আর এখন তাঁদের ছাদের নিচে যোগ হয়েছে আরও একজন। হয়তো মহামারিকাল গেলে মেয়ে কোলে নিয়ে বিয়েটাও সেরে ফেলবেন এই জুটি।