বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

কবে থেকে শুরু


ইতিহাসের দিকে চোখ রাখলে এমন অনেক প্রমাণ মেলে, যেখানে বলা হচ্ছে প্রাচীন মিসরীয়রাই প্রথম চুলে রং করার প্রথা চালু করেন। ধূসর রঙের চুল ঢেকে দেওয়ার জন্য মেহেদি বা হেনার ব্যবহারকে প্রাচীনতম পদ্ধতি বলে মনে করা হয়। মিসর ছাড়াও প্রাচীন গ্রিস ও রোমেও চুলে রং করা ছিল ফ্যাশনের অংশ। যদিও তাদের ধরনে ছিল কিছুটা পরিবর্তন। প্রাকৃতিক উপাদান থেকে রং তৈরি করে তারা চুলে ব্যবহার করতেন। এসব প্রাকৃতিক উপাদান ছিল বিভিন্ন গাছের নির্যাস।

default-image

প্রথম স্থায়ী চুলের রংও তৈরি হয় রোমে। এই রঙের নাম জেট ব্ল্যাক। কিন্তু রোমান ও গ্রিকদের কালো রঙের পাশাপাশি অন্য সব রং তৈরিতে সময় লেগে গিয়েছিল আরও কয়েক শ বছর। প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের সময় নারী যৌনকর্মীদের চুলে ব্লন্ড (স্বর্ণকেশী) করতে হতো। এতে তাদের অন্য নারীদের থেকে সহজে আলাদা করা যেত। পরবর্তী সময়ে অন্য নারীরাও চুল ব্লন্ড করতে শুরু করে। একসময় এটা বিশ্বব্যাপী ট্রেন্ডে পরিণত হয়। এ ছাড়া নিজের স্বাভাবিক রঙের চেয়ে কয়েক ধাপ হালকা বা কয়েক ধাপ গাঢ় রংও করত অনেকে। এদের বাইরে অন্য নাগরিকেরা যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের পদবির কারণে ও শত্রুদের ভয় প্রদর্শনের জন্য চুলে রং করত।

default-image

এই সময়ের চুলের রং


প্রাকৃতিক ও সফট রং ছাড়াও ভাইব্রেন্ট রংগুলো চুলের সৌন্দর্য বিশ্বে খুব পরিচিত। ক্লিওপেট্রা যুগ থেকে এখন চুলের রঙে থাকে রাসায়নিক উপাদানও। চুলের রং ব্যবসায়িকভাবে উৎপাদন ও ব্যবহার শুরু হয় ১৯০৭ সালে। আর সেই থেকেই চুলে রঙের দীর্ঘস্থায়িত্বের জন্য রাসায়নিক উপাদানের ব্যবহার শুরু হয়। ১৯৮০ থেকে ১৯৯০ সালে চুলে গাঢ় ও হাইলাইট রঙের ধারণাটি ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্যতা পায়। ১৯৯০–এর দশক আসতে আসতে তা সাধারণ মানুষও গণহারে চুলে রং করা শুরু করে। আর বর্তমানে আমরা চুলে যেসব রং ব্যবহার করি, তা সেই সময় থেকেই চলে আসছে।


সূত্র: ম্যাডিসন রিড

লাইফস্টাইল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন