বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিন নিজের দেশ ভারত থেকে সুদূরে জীবনসঙ্গী নিক জোনাসকে সঙ্গী করে পূজার সব রীতিনীতি পালন করতে ভোলেননি প্রিয়াঙ্কা। তাঁর পরনে ছিল ঐতিহ্যবাহী ঢাকাই জামদানি। হলুদরঙা এই শাড়ি ইতিমধ্যে ভক্তদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। গৌরবময় ঐতিহ্যবাহী নিখুঁত বুননে হয়েছে শাড়িটি। জামদানির আভিজাত্য নকশায়। জিটল আর সূক্ষ্ম কারুকাজে সমৃদ্ধ এ নকশা। নানা পদের জামদানির কদরে স্পষ্টতই এগিয়ে কারুকাজ আর নকশায় চটকদার প্রিয়াঙ্কার পরনের জামদানি।

default-image

জামদানি বাংলার সংস্কৃতিকেই বহন করে। আরও স্পষ্ট করে বললে ঢাকার জামদানি তো বিশ্ববিখ্যাত। ঢাকার অদূরে শীতলক্ষ্যার পূর্ব তীরের নোয়াপাড়া, রূপসী, মৈকুলী, খাদুন, পবনকুল, মুরগাকুল, বরাব—এসব গ্রামের তাঁতিদের হাতে তৈরি হয় জামদানি। বিজ্ঞজনেরা যাকে মসলিনের উত্তরসূরি বলে থাকেন।

default-image

প্রিয়াঙ্কার জামদানির নকশায় রয়েছে প্রকৃতি আর মোগল স্থাপত্যের অপূর্ব মিশেল। এর সঙ্গে রয়েছে তাঁতীয় একান্ত সৃজনশীলতার প্রকাশ। জামদানির নকশায় ইরান, ইরাক ও তুর্কি কার্পেট ও লৌকিক নকশার প্রভাব রয়েছে। মোগল সম্রাটেরা ফারসি সংস্কৃতির অনুরাগী ছিলেন। বিভিন্ন সময় অনেক ইরানি চারু ও কারুশিল্পীকে তাঁরা ভারতে এনেছিলেন। সেই প্রভাব রয়ে গেছে বাংলার জামদানিতে। যুগের পর যুগ ধরে তার চর্চা চলে আসছে। প্রিয়াঙ্কার শাড়িতেও ছিল তার ছোঁয়া।

এদিকে নিক জোনাসের পরনেও ছিল ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী পোশাক। তাঁর পরনে শোভা পেয়েছে সাদা পাঞ্জাবি ও সাদা চুড়িদার। পাঞ্জাবির গলার কাছ দিয়ে ছিল নিখুঁত ফুলেল এমব্রয়ডারির নকশা।

লাইফস্টাইল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন