এলা প্যাড দেশের সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করছে।
এই ১২ নারীর একজন লাইজু বেগম। তিনি বলেন, ‘আমি তো কখনো ভাবিইনি যে যা কিছু আমরা ফেলনা হিসেবে ফেলে দিই, সেগুলোকে আবার অন্য কিছু বানিয়ে এভাবে ব্যবহার করা যায়।’ রুবিনা আখতার জানিয়েছেন, পৃথিবীতে ফেলনা বলে কিছুই নেই। ইউরোপীয় ইউনিয়ন পরিচালিত ‘সঙ্গ’ নামের এই প্রজেক্টের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন আরা জানিয়েছেন, এলার বানানো প্যাড নরম, স্বস্তিদায়ক আর সহজেই শুকিয়ে যায়। এ প্রজেক্টে বানানো প্যাডগুলো স্থানীয় স্কুলগুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে।

সেখানে ছাত্রীরা কেউ বিনা মূল্যে, কেউ এক টাকা বা দুই টাকা দিয়ে আবার কেউবা যথাযথ মূল্য পরিশোধ করে ব্যবহার করছে এই প্যাড। স্থানীয় এলাকায় নারীদের উঠোন বৈঠকেও সরবরাহ করা হচ্ছে এই প্যাড। বাজারে যেকোনো স্যানিটারি ন্যাপকিন কিনতে যে অর্থ খরচ হয়, এলা প্যাড কিনতে তার মাত্র ২০ ভাগ খরচ হবে।
মহামারিকালে এলা প্যাডের উদ্যোগের মাধ্যমে নিম্নবিত্তদের মধ্যে গেঞ্জি কাপড় দিয়ে তৈরি প্রায় ২০ লাখ মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। কক্সবাজারের উখিয়ায়ও চলছে এলা প্যাডের কার্যক্রম। সেখানে ৬০ ‘প্রতিবন্ধী’ রোহিঙ্গাকে বিশেষ প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বানাচ্ছেন এলা প্যাড। তাঁদের উপযোগী যন্ত্র পাঠানো হয়েছে। এ উদ্যোগের সঙ্গী হয়েছে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম ও আইসিসিও। এ প্রজেক্টের নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্কিলস ডেভেলপমেন্ট ফর পারসনস উইথ ডিজঅ্যাবিলিটিস’।