পড়ছি ইস্তাম্বুলে

মিনহাজুল আবেদীন

আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করে তুরস্কে পড়তে আসি। প্রথমে মারমারা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর করতে ভর্তি হয়েছিলাম। এখন ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করছি। আমি স্নাতকোত্তর শেষ করে পিএইচডি পর্যায়ে পড়ছি সরকারি বৃত্তি নিয়ে।

তুরস্কের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণাভিত্তিক পড়াশোনার ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়। বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য পড়াশোনার পাশাপাশি এখানে তুরস্কের ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার দারুণ সব সুযোগ আছে। শিক্ষার্থীরা নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন।

ইউরোপীয় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এশিয়ার নানা দেশের ছাত্রছাত্রীরা এখানে পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের পছন্দমতো কোর্স বাছাই করার সুযোগ থাকে। এখানে পড়াশোনায় সৃজনশীলতাকে সব সময় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

একটা মজার বিষয় হচ্ছে, আপনি যেকোনো পর্যায়ে পেনসিল দিয়ে লিখতে পারবেন। তুরস্কে ব্যাচেলর পাস করলেই শিক্ষার্থীরা মাস্টার্স পর্যায়ে ভর্তির সুযোগ পান না। মাস্টার্সে নতুন করে পরীক্ষা দিয়ে ভর্তি হতে হয়। কুইজ, প্রেজেন্টেশন থাকে। তুরস্কের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক নানা সেমিনার ও কর্মশালায় অংশগ্রহণের সুযোগ হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে শিক্ষার্থীরা মেধার পরিধি বিস্তারের সুযোগ পান।