বিশ্বের ৯০ শতাংশ মূল ফসলের পরাগায়ন হয় মৌমাছির মাধ্যমে। মৌমাছি যদি পরাগায়নে সহায়তা না করে, তাহলে বাঁচবে না ফসল। বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, মানুষের প্রতি তিন লোকমা খাবারের মধ্যে এক লোকমাই আসে মৌমাছির কারণে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, মৌমাছি মারাত্মক হারে কমে যাচ্ছে। গত এক দশকে মোট মৌমাছির এক-তৃতীয়াংশ বিলুপ্ত হয়েছে। আর বিলুপ্তির পথে রয়েছে ইউরোপের ২৪ শতাংশ মৌমাছি।

default-image

তবে এদের বাঁচানো কঠিন কিছুই না। বাড়ির আশপাশে সবুজ ঘাসের পরিবর্তে ফুল ও ফল হয়, এমন লতাগুল্ম লাগাতে হবে। বাগানে ব্যবহার করা যাবে না কোনো কীটনাশক কিংবা আগাছানাশক। কারণ তাহলে বাগানের গাছ বিষাক্ত হয়ে মৌমাছিদের মেরে ফেলতে পারে। খেয়াল রাখতে হবে, যে বীজ আমরা কিনি, সেগুলো যাতে আগে থেকে নিওনিক্স দিয়ে প্রক্রিয়াজাত করা না হয়। মধু কিনতে হবে স্থানীয় মধুচাষির কাছ থেকে।
সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে। মৌমাছি ছাড়া আমরা বাস করব এমন এক পৃথিবীতে, যা অর্থনৈতিকভাবে একেবারেই ভিত্তিহীন। মৌমাছির গুঞ্জন ছাড়া পৃথিবী যেন মৌমাছির হুলের যন্ত্রণায় কাতর। তাই পৃথিবীর এমন যন্ত্রণা কাটবে কি না, তা অনেকাংশেই নির্ভর করে আমরা মৌমাছিদের ওপর কতটা সহায় হতে পারি তার ওপর।
সবাইকে বিশ্ব মৌমাছি দিবসের শুভেচ্ছা।

যাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন