দ্য বিউটি বার

সন্ধ্যায় দরজা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করতেই হালকা আলোয় বড়সড় একটা ঘর। ঝাড়বাতি জ্বলছে; জ্বলছে বিভিন্ন স্পটলাইট। নানা রঙের পর্দাগুলো অন্দরসজ্জায় মাধুরী যোগ করেছে। বামেই ছোট্ট একটা দুজনের বসার গোলাপি রঙের সোফা। সামনের টি-টেবিলে রাখা বিভিন্ন ম্যাগাজিন। বড় ঘরটার একাংশ সাজানো হয়েছে বিভিন্ন ডিজাইনের চশমায়। এরপরই চোখ চলে যায় গোলাপি দেয়ালে। যেখানে ইংরেজিতে লেখা ‘দ্য বিউটি বার’। চোখ একটু নিচে নামালেই বাহারি জুতা দৃষ্টি কাড়ে। ঘরটির কোনায় রয়েছে থ্রি-পিস, সালোয়ারসহ মেয়েদের পোশাক।

বিজ্ঞাপন

গোলাপি পর্দার ওপাশে নারীদের রূপচর্চার ঘর। এখানেই সেবা দেওয়া হচ্ছে। করা হচ্ছে পরিচর্যা। এ জন্য রয়েছেন দক্ষ সেবা প্রদায়করা।

default-image

দ্য বিউটি বারের মালিক ফারিয়া মেহজাবিন মানসম্মত সেবার পাশাপাশি নজর দিয়েছেন বিউটি পারলারের পরিবেশের ওপর। সব কিছু টিপটপ হওয়া চাই তাঁর। ফারিয়া বিউটি পারলারের পাশাপাশি রেস্তোরাঁর ব্যবসাও করছেন। ঢাকার ধানমন্ডিতে তাঁর একটি রেস্তোরাঁ রয়েছে। সেখানেও তিনি ইন্টেরিয়রের দিকে খেয়াল রেখেছেন। তার আগে ফারিয়ার নবাব নামের একটি রেস্তোরাঁ ছিল খুলনায়। সেটি অবশ্য পরে বিক্রি করে দেন। খুলনা নিজের শহর বলে আলাদা পরিবেশের বিউটি পারলার করার ভাবনা থেকে দ্য বিউটি বার করা। এখানে রূপসচেতন নারীদের জন্য যত্নের পাশাপাশি ফ্যাশন উপকরণও রেখেছেন তিনি।

খুলনার কেডিএ অ্যাপ্রোচ সড়কে ফারিয়া মেহজাবিনের দ্য বিউটি বার। কম্পিউটার প্রকৌশলী ফারিয়ার পছন্দ ব্যবসা। খুলনায় নতুন কিছু করার ভাবনা থেকেই এই রূপসদনের উদ্যোগ। ফারিয়া বললেন, ‘খুলনায় আইল্যাশ লিফ্টিং, আইল্যাশ এক্সটেনশন, নেল এক্সটেনশন, আইব্রো টেন্টিং আমরাই প্রথম করছি। আমি এগুলো থাইল্যান্ড থেকে শিখে এসে আমার বিউটিশিয়ানদের শিখিয়েছি।’

default-image

পোশাকের সম্ভারেও রয়েছে তাঁর পছন্দের ছোঁয়া।

খুলনায় যেসব নারী নিজেদের পরিপাটি রাখতে চান, পরিচর্যার জন্য মানসম্মত সেবা নিয়ে ভাবেন, তাঁরা ঘুরে আসতে পারেন দ্য বিউটি বারে। পরিবেশ, সেবা আর ফ্যাশনসামগ্রী ভালো লাগবে বলে মনে করেন ফারিয়া মেহজাবিন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0