default-image

শাড়ি কবরীর প্রিয় পোশাক। বিশেষ করে সোনালি, চাপা সাদা (অফহোয়াইট) রঙের সিল্ক শাড়ি। একটা সময় কালো রং তিনি একেবারেই সহ্য করতে পারতেন না। ইদানীং কালো তাঁর ভালো লাগছে। কেনাকাটা করার সময় মাথায় রাখেন কোন জিনিসটি তাঁকে মানাবে। কবরী বলেন, ‘আমি যা কিনি, সবই বিখ্যাত ব্র্যান্ডের। ব্র্যান্ড ছাড়া তো ভালো জিনিস পাওয়া যায় না। তবে একেক সময় একেক ব্র্যান্ডের প্রতি দুর্বলতা থাকে। এখন যেমন ব্যাগ, জুতা, সুগন্ধি, মেকআপ—সবই ডিওর ব্র্যান্ডের।’

default-image

যেকোনো অনুষ্ঠান বা দাওয়াতে শাড়িই পরেন। তবে বাজার-সদাই করতে বা বন্ধুদের আড্ডায় সালোয়ার-কামিজ পরেন। দেশের বাইরে ভ্রমণের সময় বা কোনো উৎসবে যোগ দিতে বেছে নেন স্যুট-প্যান্ট। কবরী এই পোশাকের ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘আমার সাজ-পোশাকে সব সময় বাঙালিয়ানা থাকে। কিন্তু দূরে কোথাও
যাওয়ার সময় স্যুট-প্যান্টে আরামবোধ করি বলে পরি।’

default-image

হালকা গয়না পছন্দ করেন কবরী। কখনো কখনো পার্টি থাকলে ভারী গয়না পরতে হয় তাঁকে। নিজেকে ফিট রাখতে নিয়মিত হাঁটেন, ব্যায়াম করেন। সুষম ডায়েট করেন। চেষ্টা করেন ভাত কম খেতে।
সাজের ক্ষেত্রে গ্ল্যামারকে গুরুত্ব দেন তিনি। বাইরে বের হলে হালকা হলেও মেকআপ করেন। কবরী বলেন, আমার মাথায় সব সময় থাকে আমি চলচ্চিত্রের অভিনয়শিল্পী। যেমন-তেমনভাবে বের হলে চলবে না। তাই পরিপাটি হয়ে বের হই।’
বেড়াতে পছন্দ করলেও সময়-সুযোগ হয়ে ওঠে না আজকাল। তবে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে ভালোবাসেন। সময় পেলে বই পড়েন, সিনেমা দেখেন। আর কোনো দেশে গেলে সেখান থেকে সংগ্রহ করেন ঐতিহ্যবাহী জিনিস। সেকেলে জিনিসের প্রতি আছে তাঁর দুর্বলতা।

ফ্যাশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন