বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

বাংলাদেশের নকশাবিদদের নকশা করা পোশাকের ফ্যাশন অডিও ভিজ্যুয়াল তৈরি করে পাঠানো হয়। যা প্রদর্শিত হয় আন্তর্জাতিক ওই ফ্যাশন মঞ্চে। টেকসই ফ্যাশন বলতে মূলত বোঝানো হয় পোশাক উৎপাদন, নকশা, সরবরাহ এবং ব্যবহারে পরিবেশবান্ধব বিষয়। যা পরিবেশকে দূষণ না করে করা হয়। এ ছাড়া এথনিক্যাল এই ফ্যাশনে পোশাক এমন পদ্ধতিতে উৎপাদিত হয়, যেখানে সামাজিক কল্যাণ ও শ্রমিকের অধিকার দুটিই বজায় রাখা হয়।

default-image

আমাদের দেশের ফ্যাশনের সঙ্গে টেকসই উন্নয়নের গাঢ় যোগসূত্র রয়েছে। কাপড় থেকে শুরু করে পোশাক তৈরি করা পর্যন্ত রয়েছে পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের একটি চক্রাকার ক্রমধারা, বলছিলেন ডিজাইনার ও আসপারা ফ্যাশন উইকের বাংলাদেশের সমন্বয়ক শৈবাল সাহা। তিনি জানান, এই আয়োজনে পোশাকের নকশায় ছিল না কোনো নির্দিষ্ট বিষয়। তবে কাপড়ের কাট ও রং নির্বাচনে আমাদের অসমসাময়িক লুকে আধুনিকতার ছোঁয়া রাখার চেষ্টা ছিল। অর্থাৎ দেশি কাপড় ও নকশায় বৈশ্বিক লুক। যা ব্যবহারে আরামদায়ক, সহজ ও পরিবেশবান্ধব।

default-image

এ বছর অংশগ্রহণের মাধ্যমে আসপারা ফ্যাশন উইকের সঙ্গে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছে। মালয়েশিয়ান ডিজাইনার এডরিক অং এবং তাঁর প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড ইকো ফাইবার অ্যান্ড টেক্সটাইল ফোরাম দীর্ঘদিন ধরে টেকসই উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছেন। তাঁর আমন্ত্রণেই বাংলাদেশ এই ফ্যাশন উইকে অংশ নেয়। বাংলাদেশ ছাড়াও এশিয়ার আরও বেশ কয়েকটি দেশ অংশ নিয়েছিল এই আয়োজনে। যার মধ্যে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি দেশ। এশিয়া থেকে মোট ৪০ জন নকশাবিদ এতে অংশ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ছিলেন এফডিসিবির ১১ জন নকশাবিদ। এ ছাড়া নেদারল্যান্ডস, স্পেন, ইতালি, ইংল্যান্ড ও আমেরিকার নকশাবিদেরাও ভার্চ্যুয়ালি অংশ নেন এই ফ্যাশন উইকে, জানালেন এফডিসিবির সভাপতি ও ডিজাইনার মাহিন খান।

বাংলাদেশ থেকে অংশ নেওয়া নকশাবিদদের মধ্যে ছিলেন মাহিন খান, চন্দনা দেওয়ান, কুহু প্লামন্দন, ফারাহ আনজুম বারী, এমদাদ হক, শৈবাল সাহা, লিপি খন্দকার, শাহরুখ আমিন, তেনজিং চাকমা, আফসানা ফেরদৌসি ও ফাইজা হক।

ফ্যাশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন