বিজ্ঞাপন

লালগালিচায় লাল গাউনের বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে বাঁধন লিখেছেন, ‘সতেরো শতকে একবার এক চীনা পরিব্রাজক এসেছিলেন বাংলাদেশে। তিনি এখানকার মসলিন কাপড়ের রূপে মুগ্ধ হয়ে বলেছিলেন, ‘এই কাপড় যেন ভোরের হালকা রোদের বাষ্প দিয়ে তৈরি।’ তাই আমি আজকের এই বিশেষ দিনে মসলিন ছাড়া অন্য কোনোকিছুর কথা ভাবিনি। আঁ সার্তে রিগার সমাপনী দিনে আমি সুলতানা নাসরিন সুমির ‘আযারাজ বাই সুমি’র দলের বানানো এই মসলিন ফ্লোয়ি গাউনটি পরেছি। সুমি আপা লাল মসলিনে জাদু করে ফেলেছে। আমার মনে হচ্ছে, আমি বিশ্বজয়ের জন্য তৈরি।’

default-image

এদিকে ডিজাইনার সুমি লিখেছেন, ‘বাঁধন সমস্ত বাঁধাধরা নিয়মের বেড়া পেরিয়ে আমাদের শিখিয়েছেন, কীভাবে নিজের স্বপ্নকে ছুঁয়ে ফেলতে হয়। আর তাঁকে উদ্‌যাপনের জন্য আজকের চেয়ে ভালো দিন আর হয় না। বাঁধন যে আমাদের দেশকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরেছে, সেটা তো বলার অপেক্ষাই রাখে না। আত্মোৎসর্গ আর কঠোর পরিশ্রমই এই সফলতার মূলকথা। তাই সমস্ত গ্লাস সিলিং ভেঙে এগিয়ে যাওয়া বাঁধন আজ কানের রেড কার্পেটে। তাঁকে তাকিয়ে দেখছে সমগ্র জাতি।’

default-image

লাল মসলিন ফ্লাওয়ি গাউনের কথা জানতে ফোন করলাম এই ডিজাইনারকে। বললেন, ‘আমি শুরুতেই বাঁধনের কাছে জানতে চাইলাম ওর প্রিয় রং। বলল, লাল। আমি লালের বিভিন্ন শেডের ভেতর স্কারলেট রেড বেছে নিলাম। বিশেষ এই মুহূর্তের জন্য নিলাম মসলিন। আর ভেতরটা করেছি পিওর সিল্ক দিয়ে। জামাটা আমরা তিন দিন তিন রাত ধরে বানিয়েছি। আসলে ছয় দিনের কাজ। তাই আমরা রাতেও কাজ করেছি। বেল্টে হাতের কাজ করা। বাঁধনের এই পোশাকটি খুবই পছন্দ হয়েছিল। পোশাকটি একইসঙ্গে গর্জিয়াস আর আরামদায়ক। স্বচ্ছন্দে পরা যায়।’

বি.দ্র.: বাংলাদেশে মসলিন নামে যে কাপড় প্রচলিত, সেটা আসলে র সিল্ক।

default-image
ফ্যাশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন