বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রিয়তির ছেলেবেলার একটা বড় অংশ কেটেছে বাংলাদেশে। কৈশরে পা রাখার সময় তিনি উড়ে যান আয়ারল্যান্ড। সেখানেই মডেল হিসেবে গড়েন সফল ক্যারিয়ার। তিনি মিস অয়ারল্যান্ড ও মিস আর্থ ইন্টারন্যাশনাল টাইটেল জিতেছেন।

default-image

এ ছাড়া তিনি পেশাদার পাইলট, দুই সন্তানের মা ও বাংলাদেশ সেক্যুলার ফাউন্ডেশনের এম্বাসেডর। অভিনয়ও বাদ নেই। ‘কণ্টকশয্যা’ নামে একটি বইও প্রকাশিত হয়েছে তাঁর।
ক্যারিয়ার নিয়ে আকাশে উড়লেও নিজের দেশ আর শিকড়কে কখনো ভোলেননি প্রিয়তি।

২০১৬ সালে চট্টগ্রামে আয়োজিত ‘আই হ্যাভ আ ড্রিম’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, ‘আমি পেশায় পাইলট। বিমান নিয়ে অসীম আকাশে উড়তে উড়তে মনে হলো, আকাশ তো দেখা হলো। এবার তার ওপরে যাই না কেন? সে জন্য মিস আর্থের মতো হাইপ্রোফাইল প্রতিযোগিতায় অংশ নিই এবং আপনাদের মেয়ে আমি প্রথম রানারআপ হই। এখন মিস আর্থ ইন্টারন্যাশনাল-২০১৬ হয়েছি। এগুলো সব হয়েছে আমার জেদের কারণে। আমার জেদ এত দূর নিয়ে এসেছে।’

default-image

ওই অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেছিলেন যে তিনি যখন প্রথম মিস আয়ারল্যান্ড প্রতিযোগিতায় যান, তখন তাঁর স্পনসর ছিল না। নিজের টাকা নিজেকে জোগাড় করতে হয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে গিয়েছিলেন, সাহায্য পাননি। তবু তিনি হতাশ হননি। আশা ছাড়েননি। মিস আয়ারল্যান্ডের মুকুট শোভা পেয়েছে তাঁর মাথায়। তিনি সব সময় স্বপ্ন দেখেছিলেন জেগে জেগে। তার সঙ্গে ছিল চেষ্টা, শ্রম ও লেগে থাকা। এভাবেই একের পর এক সফলতা উঁকি দিয়ছে প্রিয়ন্তির জানলায়। তারই সর্বশেষ সংস্করণ কানের এই টপ মডেল অ্যাওয়ার্ড।

ফ্যাশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন