বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

এই শুটের জন্য গুচির আংটি আর হাজুরিলালের কানের দুল ও ব্লুমিংডিলের পোশাক ব্যবহার করা হয়েছে। চুল ছিল ঢেউখেলানো। হেয়ারস্টাইলিস্ট ছিলেন ভেরোনিকা আলেকজান্ডার। ফটোগ্রাফারের যেমন নিজস্ব একটা ভাবনা ছিল, তেমনি এই শুটের স্টাইলিস্ট বুশরা করিম ভেবেছিলেন সম্পূর্ণ লুক নিয়ে। আসলে স্টাইলিস্টের ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে পাঁচটা আলাদা আলাদা দল কাজ করেছে।
ফারনাজ বললেন, ‘মডেলকে আমার দারুণ লেগেছে। তাঁর ত্বক বলতে হবে অসাধারণ। এই মডেলের সঙ্গে ভবিষ্যতে আরও কাজ করতে চাই। এসব শুটে একটু টেনশন থাকে। তবে কাজ করতে করতে মনেই হয়নি যে তিনি প্রথম এই ধরনের কোনো কাজ করছেন।’

default-image

এই শুট দারুণ এক অভিজ্ঞতা জানালেন ফারনাজ আলম। বললেন, এখানে সবকিছুই আগে থেকেই পরিকল্পনা করা থাকে। একটা শৃঙ্খলা থাকে। সবাই যাঁর যাঁর কাজ করে দেন। এই কাজ করার আগে কয়েকটা ফ্যাশন শোতে কাজ করেছেন ফারনাজ। সেই সূত্র ধরেই একটি এজেন্সি থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

default-image

এই শুট নিয়ে ফারনাজ বলেছেন, ‘প্রথমত আমি বাংলাদেশি। আমরা বিভিন্ন সময়ে দেখেছি অন্যরা কাজ করে। সেখানে আমি কাজ করেছি। আমি আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছি। দ্বিতীয়ত, আমি আমার নিজের ‘কণা’ ব্র্যান্ডের প্রসাধনী পণ্য দিয়ে কাজ করেছি। আমি বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশে ব্র্যান্ডকে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছি। এই পণ্য দিয়ে আমি দেশের তারকাদেরও সাজিয়েছি। কিন্তু এবার আন্তর্জাতিক একটি ম্যাগাজিনের জন্য কাজ করলাম।

ফ্যাশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন