বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যদিও সমাবর্তনের ফ্যাশন নিয়ে অন্য পরিকল্পনা করেছিলেন ভাবনা। কিন্তু তাড়াহুড়োয় সেসব ভেস্তে গেছে। বললেন, ‘হঠাৎ করে দেখি আমার পাসপোর্টের মেয়াদ ফুরিয়ে গেছে। শুরু হলো পাসপোর্ট নবায়নের কাজ। তারপর ভিসার জন্য আবেদন করতে করতেই দেরি হয়ে গেল। এখানে যে আসব, সেটা অনেকটাই অনিশ্চিত ছিল। তাই পোশাক নিয়ে আলাদা করে ভাবার সুযোগ ছিল না। যখন ভিসা পেলাম, তখন ওয়ার্ডরোব খুলে আমার জামদানির কালেকশনগুলো একে একে বের করলাম। এই শাড়িটা আমার খুবই পছন্দের। পরার জন্য উপলক্ষ খুঁজছিলাম। ব্যস, মিলে গেল।’

default-image

এমনিতেই ফ্যাশনেবল আর স্টাইলিশ হিসেবে নামডাক আছে ভাবনার। আর কোনো উপলক্ষ পেলে একচুলও ছাড় দেন না ভাবনা। নিজেকে যথাসম্ভব ফ্যাশনিস্তা করে তুলে ধরেন। এই যেমন ধরুন, লন্ডনে গিয়েই ভাবনা যে বডি হাগিং ক্রিমরঙা গাউনটি পরেছেন, সেটিও তাঁকে দিব্যি মানিয়ে গেছে। যদিও পোশাকটি ভাবনার নয়। এবার ভাবনার সফরসঙ্গী হয়েছে তাঁর ছোট বোন অনন্যা। এই দুই বোন উঠেছেন ছোট বোন অনন্যার বান্ধবী সারার বাসায়। প্রথম দিন ভাবনা যে পোশাকটি পরেছেন, সেটি সারার।

default-image

সারার বাসায় ঢোকামাত্রই সে বলে উঠেছে, ‘আপু, এই ড্রেসটা তুমি পরো। তোমাকে খুব ভালো লাগবে।’ ভাবনার সঙ্গে যখন কথা বলছি, তখন পাশ থেকে সারা বলল, ‘ড্রেসটা আমি এখানকার স্থানীয় ব্র্যান্ড মিন থেকে মাত্র ১০ ডলার দিয়ে কিনেছিলাম।’ ভাবনা যোগ করলেন, ‘প্যাকেট খুলে ড্রেসটি বের করে তো আমি খুশি হয়ে গেলাম। যেন একদম আমার জন্যই। খুব মানিয়েছে।’  

default-image

হোটেলে উঠতে চেয়েছিলেন ভাবনা। কিন্তু সারা রাজি নয়। দুজনকেই তার বাসায় থেকে যেতে রাজি করিয়েছে। দেশের বাইরে গেলেই স্পা আর নেইল আর্ট করান ভাবনা। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। ভাবনা, অনন্যা, সারা—তিনজনে মিলে ঘোরাঘুরি, বিউটি কেয়ার, নতুন নতুন খাবার চেখে দেখার সঙ্গে সমানতালে চলবে শপিং। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২৬ মে ঢাকায় ফিরবেন ভাবনা ও তাঁর বোন অনন্যা।

ফ্যাশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন