ছবি: খালেদ সরকার
ছবি: খালেদ সরকার

বেশ কয়েক বছর ধরেই পাশ্চাত্যের অন্দরসাজে জায়গা করে নিয়েছে নানা নকশার ঝুড়ি। বেত, পাট, ঝুট কিংবা হোগলাপাতার ঝুড়ি। আমাদের দেশে পাওয়া যায় সবখানেই। এসব ঝুড়ির আভিজাতিক একটা সৌন্দর্য আছে। ঠিকঠাক ব্যবহার করতে পারলে ঘরের চেহারাই বদলে যাবে।

default-image

বাঁশ, পাট, জুট কিংবা হোগলাপাতার ঝুড়িগুলোর নকশা আর রঙে থাকে পার্থক্য। চাইলে আসল রঙের ওপর বসিয়ে দেওয়া যাবে অন্য যেকোনো রং। পাশাপাশি যেকোনো ঘরের চেহারা বদলে দেয় গাছের ব্যবহার। সজীব ভাব নিয়ে আসে। এই দুই উপকরণ যখন এক জায়গায় চলে আসবে, জাদুর মতোই কিছু হয়ে যায়। অন্দরে চলে আসে সজীব অভিজাত ভাব। ঘরের যেকোনো কোনাতেই মানিয়ে যায় এই সাজ।
যাঁরা ঝুড়ি কিনতে ভালোবাসেন, সংগ্রহে রাখেন বিভিন্ন আকার ও নকশার ঝুড়ি।

বিজ্ঞাপন

শুধু গাছ রাখার জন্য নয়, ঝুড়ি ব্যবহার করা যায় যেকোনো কিছু রাখতেই। পাশ্চাত্যে এই ধারা জনপ্রিয় হওয়ার আরেকটি কারণ, সেখানে ধুলা কম। এ ধরনের ঝুড়িগুলোর ফাঁকে ফাঁকে ধুলা আটকে যাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। আমাদের এখানে এটি অন্দরসাজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে চাইলে নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। ঝুড়ির ভেতরে টবের প্লেট রাখাটা আবশ্যক। পানি কম লাগবে, এমন গাছই রাখুন। নাহলে প্রতিবার ঝুড়ি থেকে বের করে পানি দিতে হবে। বাইরের দেশে ঝুড়ির সুরক্ষা দেবে এমন স্প্রে ব্যবহার করে নেওয়া হয়। চাইলে ঝুড়ির ভেতরে ময়লা ফেলার প্লাস্টিকের প্যাকেটও ব্যবহার করতে পারেন লাইনার হিসেবে।

একই ঝুড়ির ভেতর বদলে বদলে রাখা যায় বিভিন্ন ধরনের গাছ। কখনো লম্বাটে রাবারগাছ, কখনো নিচু ঝোপওয়ালা গাছ রাখতে পারেন। ফুলের গাছও ভালো রাখবে। বড় বড় ফাঁকওয়ালা ঝুড়ির ভেতর সুন্দর রং করা বা টেরাকোটার নকশাওয়ালা টবও রাখতে পারেন। দুটোর সৌন্দর্য প্রকাশ পাবে। এক জায়গায় ছোট-বড় অনেকগুলো ঝুড়ি দিয়ে গাছ রাখা যেতে পারে। আবার একটি বড় ঝুড়িতে লম্বাটে কোনো গাছ রেখেও তৈরি করা যেতে পারে ভিন্নতা। কোন জায়গাটি বেছে নিচ্ছেন, তার ওপর নির্ভর করবে অনেক কিছু।

default-image

ঝুড়ির প্রাকৃতিক গঠনবিন্যাস বোহিমিয়ান ধাঁচ নিয়ে আসে অন্দরসাজে। প্রাকৃতিক রং না রাখতে চাইলে এর ওপর দিতে পারেন অন্য কোনো রঙের ছোঁয়া। তবে শক্ত উপকরণ দিয়ে বানানো ঝুড়িকেই সে ক্ষেত্রে বেছে নিন। দোকানেও বিভিন্ন রঙের ঝুড়ি পাওয়া যায়। চাইলে সেগুলোকেও ব্যবহার করতে পারেন। ওজনে হালকা, এ কারণে বহন করতেও সুবিধা।

কৃতজ্ঞতা: শৈবাল সাহা

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0