বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১. ফ্রিজ ছোট হোক কিংবা বড়, ফ্রিজের প্রতিটা অংশ প্রতি সপ্তাহে ভেজা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করে মুছে রাখতে হবে। তারপর শুকনা টিস্যু দিয়ে মুছে নিলে বেশ পরিষ্কার হয়ে যাবে। ফলে ফ্রিজের ভেতরটা সহজে নোংরা হবে না।

২. প্রতিটা খাবার ফ্রিজে আলাদা বাক্সে ভরে রাখুন। তাহলে এক খাবারের গন্ধ আরেক খাবারে যাবে না। যদি বাক্স না থাকে, তাহলে প্রয়োজনে খাবারের পাত্রটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখুন। ঢেকে না রাখলে দেখা যায়, এক খাবারের গন্ধ আরেক খাবারে যাচ্ছে। কখনো কখনো পুরো ফ্রিজের ভেতরেই গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।

৩. চেষ্টা করবেন ফ্রিজের প্রতিটি তাকে যেন একজাতীয় খাবার একসঙ্গে রাখা যায়; অর্থাৎ যেখানে দুগ্ধজাতীয় খাবার সংরক্ষণ করছেন, সেখানে শুধু এ ধরনের খাবারই রাখুন। যেমন দুধ, পনির, মাখন, ক্রিম ইত্যাদি। এমনিভাবে ঝোলজাতীয় খাবারগুলো আলাদা তাকে রাখুন। তবে মাছ আর মাংসের তরকারি আলাদা করে রাখা ভালো। একসঙ্গে রাখলে, বিশেষ করে ঢেকে না রাখলে গন্ধ ছড়িয়ে যেতে পারে।

default-image

৪. ফ্রিজের নিচ দিকে থাকে স্বচ্ছ গ্লাস কিংবা প্লাস্টিকের কিছু বক্স চেম্বার। সেখানে আপনি সবজি বা ফল গুছিয়ে রাখতে পারেন। তবে মাথায় রাখবেন, ফল যে অংশে রাখা হবে, সেখানে সবজি রাখা যাবে না। কারণ, অনেক ফল আছে, যা দ্রুত সময়ের মধ্যে সবজিগুলো নষ্ট করে দিতে পারে। যদি দুই ধরনের জিনিস রাখার আলাদা জায়গা না থাকে, তাহলে ফল আর সবজি আলাদা প্যাকেটে সংরক্ষণ করতে হবে।

৫. ফলজাতীয় খাবার, বিশেষ করে কলা, আম, লিচু লম্বা সময় ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে চাইলে পত্রিকা দিয়ে মুড়িয়ে রাখুন। অনেক দিন ভালো থাকবে।

৬. ফ্রিজে দরজার সঙ্গে যে তাক থাকে, সেখানে বেশির ভাগ সময় আমরা পানির বোতল রাখি। ভারী ভারী বোতল রাখলে অনেক সময় কিন্তু দরজা নাজুক হয়ে পড়ে। ভালো ব্র্যান্ডের ফ্রিজ না হলে অনেক সময় দরজা খুলেও পড়তে পারে। তাই ভারী বোতলগুলো ফ্রিজের সবচেয়ে নিচের তাকে, পেছনে হেলান দিয়ে রাখতে পারলে ভালো।

৭. ফ্রিজের যে অংশে আমরা কাঁচা মাছ-মাংস সংরক্ষণ করি, সেই অংশটি পরিষ্কার রাখতে হবে। মাছ আর মাংস আলাদা আলাদা বাক্সে ভরে রাখুন। চৌকো বাক্সে রাখতে পারলে ভালো, তাহলে সাজিয়ে রাখতে সুবিধা হবে। গোল বাক্স অনেক সময় বেশি জায়গা নিয়ে ফেলে।

৮. প্রতি মাসে একবার ফ্রিজের বাইরের অংশ পরিষ্কার করুন। এ ক্ষেত্রে তরল সাবানজাতীয় কিছু ব্যবহার করতে পারলে ভালো। আর প্রতিদিন ফ্রিজের বাইরের অংশ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে একবার হলেও মুছে নিন। ধুলাবালু জমে ফ্রিজের গায়ে একবার ময়লা বসে গেলে পরিষ্কার করা কিন্তু বেশ কঠিন।

৯. ফ্রিজের দরজার সঙ্গে যেসব চেম্বার থাকে, সেখানে চাইলে বিভিন্ন ধরনের সস, সালাদের ড্রেসিং কিংবা আচার রাখতে পারেন।

১০. ফ্রিজের প্রতিটা তাকে চাইলে বাটার পেপার বা সুন্দর প্লাস্টিকের ম্যাট বিছিয়ে রাখতে পারেন। কাগজ বা ম্যাটের ওপর খাবারের বাক্সগুলো রাখলে বাড়তি দাগ পড়বে না। আর কাগজ বদলে ফেললে কিংবা প্লাস্টিকের ম্যাট ধুয়ে নিলে সহজেই ফ্রিজ পরিষ্কার রাখা যাবে।

লেখক: রন্ধনশিল্পী

গৃহসজ্জা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন