ঠান্ডা-গরমের তেঁতুল শরবত

default-image

ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পাওয়া যাবে ‘ঠান্ডা-গরম’-এর দোকান। এখানে প্রায় ৫০ পদের শরবত পাওয়া যায়। প্রতিটি শরবতই ছোট, মাঝারি, বড়—এই তিন আকৃতির গ্লাসে পাওয়া যায়। তবে এর ভেতর আলাদা করে আপনার মনে ঠাঁই করে নেবে তেঁতুলের শরবত। রেসিপি জানতে চাইলে ঠান্ডা–গরমের খিলগাঁও শাখার এক কর্মকর্তা বললেন, ‘আমরা কি জানি? জানলে তো নিজেরাই দোকান খুলে দেওয়া যাইত! এইগুলা এইভাবেই আসে। সব ফ্যাক্টরি থেকে তৈরি হয়।’ ঠান্ডা-গরমের কাঁচা আম, জলপাই আর আমড়ার জুসও বিক্রি হয় দেদার।

পলাশীর জামের জুস

default-image

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র ও অন্যরা বাজারসহ নানা কারণে নির্ভর করেন পলাশীবাজারের ওপর। সেখানেই এক পাশে দ্য টেস্টি জোন। এই দোকানে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভিড় লেগেই থাকে। রাস্তার ওপারে আরও একটি জুসঘর আছে। দুই দোকানের জামের জুসের স্বাদ একই। তবে রেসিপি জানতে চাইলে বললেন, বিচি ছাড়ানো জাম, চিনি, পানি—এ–ই তো। এর বেশি কিছুই বললেন না।

টেস্টি জোনে জামের জুস ছাড়াও কাজুবাদামের জুস আর লেমন মিন্টের জুস বিক্রি বেশি। ছাত্ররা এই দোকানের মিল্কশেকেরও কদর করেন। আমরা যখন গেছি, একজনকে পাশে বলতে শুনলাম, ‘আরে দোস্ত, এই জুসই তো বাঁচায়ে রাখছে।’

রসনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন