১. দুই আঁটি পালং শাক ধুয়ে একটা পাত্রে রেখে দাও, যেন পানি ঝরে যায়। শাক চাইলে কাটতে পারো, না চাইলে আস্তও রাখতে পারো। ননস্টিক কড়াইয়ে সামান্য অলিভ অয়েল বা যে তেল তোমার কাছে আছে, তা দাও।

২. তেল গরম হতে হতে ১০–১২টি খোসা ছাড়ানো (চাইলে খোসা সহও রাখতে পারেন) মাঝারি আকৃতির চিংড়ি মাছের সঙ্গে কারি পাউডার, ধনে, জিরা, হলুদ ও সামান্য মরিচের গুঁড়া মেশাও। তেল গরম হয়ে গেলে তাতে সামান্য লবণ, পাঁচফোড়ন ও কালিজিরা দাও। এগুলো ফোটা শুরু হলে মসলা মেশানো চিংড়ি ঢেলে দাও।

৩. এপিঠ-ওপিঠ উল্টিয়ে এক থেকে দেড় মিনিটের মধ্যে চিংড়ি নামিয়ে ফেলো। এর চেয়ে বেশি সময় চিংড়ি রান্না করলে তার স্বাদ থাকে না।

default-image

৪. যে তেল বাকি আছে, তাতে মোটা করে কাটা পেঁয়াজ ও রসুন কেটে দাও। পেঁয়াজের সমান করে কাটা গ্রিন-রেড পেপার দিতে পারো। কম তেলের কারণে কড়াইয়ে সামান্য লেগে যেতে পারে, তাতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

৫. পেঁয়াজ বাদামি রং ধারণ করা শুরু করলে অল্প অল্প করে পালং দাও এবং নাড়ো। সব শাক একসঙ্গে দেওয়ার দরকার নেই। পালং থেকে জল বের হয় কড়াইয়ে লেগে থাকা পেঁয়াজকে এমনিতেই আলগা করে আনবে। এ সময় যুক্ত করো লবণ ও কাঁচা মরিচ। যেকোনো শাক রান্নায় লবণ দেওয়ার সময় সতর্ক থাকবে। শাক দ্রুত মজে যাওয়ায় আন্দাজ করা যায় না। তাই লবণ বেশি–কম হয়ে যায়। সামান্য লবণ দিয়ে চেখে দেখা ভালো। লাগলে আবার দেওয়া যায়।

৬. তিন মিনিট ঢেকে রেখে চুলা বন্ধ করে দাও। পরিবেশনের জন্য চিংড়ি ও পালং আলাদা বাটিতে রাখো। ভাত-রুটির সঙ্গে অথবা শুধু পালং ও চিংড়িও খেতে পারো।

default-image

এত অল্প সময়ে রান্না করে আমি নিজেই অবাক। স্বাস্থ্যকর এই খাবার আমরা গরম ভাত দিয়ে খেয়েছিলাম। অসাধারণ! ঈদের মৌসুমে মাছ মাংসের ভিড়ে এমন একটি ভিন্ন স্বাদের রেসিপি আপনার ডাইনিং টেবিলে আর স্বাদকোরকে আনবে বৈচিত্র্য।

রসনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন