বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মানবদেহের সুস্থতা নিশ্চিতে মধু সব ঋতুতেই সমান কার্যকর। তবে বিশেষ করে শীতের সময় সর্দি–কাশি, গলা খুসখুস, গলাব্যথা, ঠান্ডা, ইত্যাদি নানা অসুখবিসুখ লেগেই থাকে। এসব রোগের প্রাকৃতিক সমাধান হতে পারে মধু। মানবসভ্যতা শত বছর আগেই মধুর ঔষধি গুণাগুণের প্রমাণ পেয়েছে। প্রাচীন গ্রিক ও মিসরীয়রা ওষুধ হিসেবে মধু খেত। ভারতের আয়ুর্বেদ ও চীনের প্রাচীন চিকিত্সাশাস্ত্রেও মধু ব্যবহারের বিষয়ে জানা যায়। মধু ঘন হওয়ায় গলা ফোলা ও ব্যথায় আরামদায়ক একটি প্রলেপের মতো কাজ করে। ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসে, পেটের আলসার ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণেও মধু সহায়তা করে।

শীতকালে ঠোঁট ফাটা নতুন কিছু নয়। এমনও অনেক মানুষ আছে, যাদের ঠোঁট ফেটে রক্তপাতও হয়। তবে মজার বিষয় হলো রাতে ঘুমানোর আগে নিয়মিত ঠোঁটে মধুর প্রলেপ লাগালে ঠোঁটের ওপরের শুষ্কতা দূর হয়। ফলে ঠোঁট নরম থাকে ও ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। এমনকি ঠোঁটের সৌন্দর্যও বেড়ে যায়। আবার শীতকালে কারও কারও ত্বকের উজ্জ্বলতা হারিয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে সমাধান দিতে পারে মধু। অ্যালোভেরার সঙ্গে সাফোলা পিওর হানি মিশিয়ে নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের হারিয়ে যাওয়া উজ্জ্বলতা ফিরে আসে। ঠান্ডা বাতাস থেকে ত্বককে সুরক্ষিত ও ময়েশ্চারাইজড রাখতে সাহায্য করে।

শীতের ঠান্ডায় মধু শরীরকে গরম রাখে। এক কাপ ফুটানো পানির সঙ্গে এক–দুই চা-চামচ মধু খেলে শরীর ঝরঝরে ও তাজা থাকে। সামান্য সর্দি-কাশিতে তুলসীপাতার রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। কুসুমগরম পানিতে তুলসী, আদা ও মধু মিশিয়ে খেলে গলাব্যথা, গলায় খুসখুস ও কাশির প্রকোপ কমে। মধুতে উচ্চমাত্রার জীবাণুনাশক উপাদান থাকায় সহজে সংক্রমণ রোধ করে। শরীরের কোথাও সামান্য কাটাছেঁড়া থাকলে মধুর প্রলেপ দিলে উপকার মেলে।


তবে যে জিনিস এত এত উপকারে আসে, সেটি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে হতে হবে সচেতন। কেনার আগে মধুর উৎস, প্রক্রিয়াকরণ, ফিল্টার, মান নিয়ন্ত্রণ, মেয়াদ ও প্যাকেজিং সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। আর স্বস্তির বিষয় এই যে এসব মান নিশ্চিত করে বাজারের অন্যতম সেরা মধু হিসেবে সুনাম অর্জন করেছে সাফোলা পিওর হানি। তাই শীতে বা অন্যান্য ঋতুতে স্বাদের জন্য বা সুস্থ থাকতে সব সময় নিশ্চিন্তে ব্যবহার করুন শতভাগ বিশুদ্ধ সাফোলা হানি।

বিজ্ঞাপন বার্তা

রসনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন