বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে ভোক্তার কাছে নিরাপদ খাদ্য হিসেবে ফ্রোজেন চিকেন একটি আস্থার জায়গা। আমাদের দেশের মানুষের কাছেও নিরাপদ ফ্রোজেন চিকেন পৌঁছে দিতে চায় কান্ট্রি ন্যাচারাল। এ জন্য উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা হচ্ছে উন্নত প্রযুক্তি। ফলে ভোক্তা পাচ্ছেন সম্পূর্ণ অ্যান্টিবায়োটিক রেসিডিউমুক্ত ব্লাস্ট ফ্রোজেন ড্রেসড চিকেন; ফলে নিশ্চিত হচ্ছে পরিবারের খাদ্যনিরাপত্তা।

এই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ভোক্তারা জানতে পেরেছেন, মুরগি পালনে কখনো কখনো অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার প্রয়োজন হয়। কিন্তু অনেক সময় অ্যান্টিবায়োটিকমুক্ত হওয়ার আগেই সেই মুরগি বাজারে চলে আসে এবং ক্রেতা-বিক্রেতা নিজেরাও এ ব্যাপারে না জেনেই অ্যান্টিবায়োটিকযুক্ত মুরগি প্রতিনিয়ত ক্রয়-বিক্রয় করে থাকেন। এর ফলে পরবর্তী সময়ে মুরগিতে থাকা অ্যান্টিবায়োটিক ভোক্তার শরীরে গিয়ে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

কান্ট্রি ন্যাচারাল তাই ভোক্তার পরিবারের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অ্যান্টিবায়োটিক ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ামুক্ত ব্লাস্ট ফ্রোজেন ড্রেসড চিকেন পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর। তা ছাড়া এই মুরগি শতভাগ হালাল উপায়ে জবাই করা এবং তা ইসলামিক ফাউন্ডেশন স্বীকৃত। এমনকি জবাইয়ের পরে মুরগিগুলো অত্যাধুনিক টেকনোলজিসমৃদ্ধ সরঞ্জামের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ড্রেসিং করে স্ক্রু চিলারের মাধ্যমে চিলিং করা হয়ে থাকে। ফলে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে না। ফলে কান্ট্রি ন্যাচারাল ভোক্তাদের জন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ামুক্ত চিকেনপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সক্ষম হচ্ছে।

এই প্রচারণার মাধ্যমে ভোক্তাদের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে নতুন একটি টার্ম ‘ব্লাস্ট ফ্রোজেন ড্রেসড চিকেন’। সাধারণত ভোক্তাদের মধ্যে যে ধারণা কাজ করে, তাহলো ‘টাটকা কিনে টাটকা খাওয়া’। কিন্তু প্রায় সব বাসাবাড়িতেই বাজার থেকে অনেকগুলো মুরগি একসঙ্গে কিনে ফ্রিজে রেখে ফ্রোজেন করেই খাওয়া হয়। এতে করে মুরগির মাংসের কোষে পানি গিয়ে পানসে হয়ে যায় এবং টাটকা মাংসের স্বাদ আর পাওয়া যায় না। কিন্তু কান্ট্রি ন্যাচারাল বিজ্ঞাপনে তাদের উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অত্যাধুনিক ব্লাস্ট ফ্রিজিং টেকনোলজিতে মাইনাস ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় দ্রুত ফ্রোজেন করে বলে মাংসের কোষে পানি ঢোকার আগেই সেটাকে বরফে পরিণত করে; ফলে পানসে ভাব তৈরি হতে পারে না। এ জন্য টাটকা মাংসের স্বাদ পাওয়া যায় সব সময়।
এ ছাড়া ভোক্তাদের কাছে যে বিষয় গুরুত্ব পায়, সেটি হচ্ছে পণ্যের দাম।

এই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে কান্ট্রি ন্যাচারাল বোঝাতে চেয়েছে, কান্ট্রি ন্যাচারালের চিকেন ১ কেজি মানে ১ কেজিই। ভোক্তারা সাধারণত বাজার থেকে কেজি দরে দামাদামি করে মুরগি কিনে থাকেন। কিন্তু কেনা শেষে ড্রেসিংয়ের পর উচ্ছিষ্ট অংশ (পা, নাড়িভুঁড়ি, পালক ও অন্যান্য অংশ) বাদ দিয়ে ১ কেজি মুরগি হয়ে যায় প্রায় ৬৫০ গ্রাম। সুতরাং ক্রেতারা ১ কেজি কিনলেও প্রকৃতপক্ষে ১ কেজি পান না। কিন্তু কান্ট্রি ন্যাচারালের ব্লাস্ট ফ্রোজেন ড্রেসড চিকেন ১ কেজি মানে ১ কেজিই (পা, নাড়িভুঁড়ি, পালক ও অন্যান্য অংশ ছাড়া)।

এই ছিল ‘মুরগি কিনে মুরগি হওয়ার দিন শেষ’ বিজ্ঞাপনটির পেছনের গল্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অন্যান্য মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে বেশ সমাদৃত হয়েছে এই বিজ্ঞাপন। তবে কেউ কেউ আবার ফ্রোজেন চিকেনের জবাইয়ের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কিন্তু ব্র্যান্ডটি উৎসাহী ভোক্তাদের সব প্রশ্নের সদুত্তর দিয়ে তাঁদের সংশয় দূর করেছে। কান্ট্রি ন্যাচারাল ব্র্যান্ডটির ফ্রোজেন চিকেন ISO, HACCP এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের HALAL কর্তৃক স্বীকৃত, যা সম্পূর্ণ হালাল উপায়ে জবাই করে মুরগি ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেয়। তাই ভোক্তাদের কাছেও আস্থার জায়গা তৈরি করতে পেরেছে কান্ট্রি ন্যাচারাল ব্র্যান্ডটির ব্লাস্ট ফ্রোজেন ড্রেসড চিকেন।

সুস্থভাবে বাঁচতে ও স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে আমাদের সবারই উচিত খাদ্য গ্রহণের ব্যাপারে সচেতন থাকা এবং খাদ্যপণ্য আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ কি না, তা যাচাই করে নেওয়া। নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ ও সচেতনতা সৃষ্টির জন্য এ ধরনের বিজ্ঞাপন সত্যিই প্রশংসনীয়।

কেনাকাটা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন