সব
Meet The Expert Banner

পর্ব - ৩

পর্ব - ২

পর্ব - ১

আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন দেখার বয়স হল কৈশোর ও তারুণ্য। তারুণ্যের স্বপ্ন এগিয়ে নিতে “মিট দি এক্সপার্ট” এ প্রতিমাসে বাংলাদেশের ১০ জন তরুণ পাবে সফল ব্যাক্তিদের সাথে দেখা করার সুযোগ, তাদের সাথে সকালের নাশতার টেবিলে বসে কথা বলা, পরামর্শ নেওয়া, তাদের জীবনের সংগ্রাম ও সাফল্যের পেছনের গল্প শুনে নিজেদের জীবনকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রেরণা পাওয়ার সুযোগ।

আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন দেখার বয়স হল কৈশোর ও তারুণ্য। তারুণ্যের স্বপ্ন এগিয়ে নিতে “মিট দি এক্সপার্ট” এ প্রতিমাসে বাংলাদেশের ১০ জন তরুণ পাবে সফল ব্যাক্তিদের সাথে দেখা করার সুযোগ, তাদের সাথে সকালের নাশতার টেবিলে বসে কথা বলা, পরামর্শ নেওয়া, তাদের জীবনের সংগ্রাম ও সাফল্যের পেছনের গল্প শুনে নিজেদের জীবনকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রেরণা পাওয়ার সুযোগ।

নিয়মাবলী

  • ১। প্রতিযোগীর বয়স ১৮ - ৩৫ এর মধ্যে হতে হবে।
  • ২। প্রশ্ন ৫০ শব্দের মধ্যে হতে হবে।
  • ৩। অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে ১০ জনকে বেঁছে নিবেন আমন্ত্রিত অতিথি।
  • ৪। প্রথম আলো এবং বিএসআরএম এর কেউ প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করতে পারবেনা।
  • ৫। বাংলাদেশে বসবাসরত ব্যাক্তিরাই প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।
  • ৬। মিট দ্য এক্সপার্টের তৃতীয় পর্ব চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে। সুতরাং অংশগ্রহণকারীদের অনুষ্ঠানের দিন চট্টগ্রামে উপস্থিত থাকতে হবে।

‘সারা জীবনের কষ্টের টাকায় বানানো বাড়ি। আমার কাছে তো পদ্মা সেতুই’—বিএসআরএমের এই বিজ্ঞাপন এখন মানুষের কাছে খুব পরিচিত। বাংলাদেশের ইস্পাতশিল্পের কথা মাথায় এলেই নাম নিতে হয় বিএসআরএমের। মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গা নিয়েছে বিএসআরএম ইস্পাত। আর এই ব্র্যান্ড গড়ে ওঠার পেছনে যে মানুষটির অক্লান্ত পরিশ্রম, নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতা কাজ করেছে, তিনি তরুণ ও সফল উদ্যোক্তা বিএসআরএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আমীর আলিহোসাইন। বিএসআরএমের প্রতিষ্ঠাতা দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ শিল্পপতি জনাব আলিহোসাইন আকবর আলীর সুযোগ্য পুত্র। পৈতৃক ব্যবসাকে তিনি সাফল্যের সঙ্গে সামনে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। কীভাবে আমীর আলিহোসাইন নিজেকে সুযোগ্য প্রমাণ করে দায়িত্বের সঙ্গে পৈতৃক ব্যবসাকে একটি আস্থা ও ভরসার ব্র্যান্ড বানালেন? তাঁর জীবনী হতে পারে এখনকার তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণা।

আমীর আলিহোসাইন ১৯৯৭ সালে কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক করেছেন। ২০০০ সালে লাহোরের এলইউএমএস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে করেছেন এমবিএ। ১৮ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি ইস্পাতশিল্পের সঙ্গে জড়িত। তাঁর অসাধারণ নেতৃত্বে সাধারণ ইস্পাত ব্যবসা হয়ে উঠেছে আজকের আধুনিক ইস্পাত ব্র্যান্ড। শুধু তা–ই নয়, তাঁর প্রতিষ্ঠানের কর্মপরিবেশও অসাধারণ। তিনি তাঁর প্রতিষ্ঠানে ‘মডার্ন ম্যানেজমেন্ট কনসেপ্ট’ প্রয়োগের মাধ্যমে কর্মীদের ভেতরে সঙ্গবদ্ধ হয়ে লক্ষ্যে পৌঁছানোর স্পৃহা ও প্রেরণা জুগিয়েছেন। গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং ক্রেতাদের সর্বোচ্চ সন্তুষ্টি দেওয়াই তাঁর ব্যবসার লক্ষ্য।

ব্যবসায়িক জগতে আমীর আলিহোসাইন একজন সৎ, স্বচ্ছ ও পরিশ্রমী মানুষ হিসেবে পরিচিত। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ২০১৪-১৫ ও ২০১৫-১৬ সালে আমীর আলিহোসাইন চট্টগ্রাম বিভাগের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত করদাতা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক তিনি ভূষিত হন বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, সিআইপি (শিল্প) ও সিআইপি (রপ্তানি) হিসেবে। তাঁর দৃঢ় নেতৃত্বের ফলে বিএসআরএম ভূষিত হয়েছে রাষ্ট্রপতি পুরস্কারে (শিল্পপ্রতিষ্ঠান) এবং পুরস্কার পেয়েছে সর্বোচ্চ ট্যাক্স প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (প্রকৌশল বিভাগ) হিসেবে। এ ছাড়া পরপর সাতবার জিতে নিয়েছে দেশের সেরা স্টিল ব্র্যান্ড পুরস্কার।

আমীর আলিহোসাইন বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও জড়িত। তিনি চট্টগ্রামের নাসিরাবাদে একটি বিদ্যালয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা, যেখানে ৫০০ জনের বেশি শিশুকে বিনা মূল্যে শিক্ষাদান করা হয়। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানিক সামাজিক দায়বদ্ধতার (সিএসআর) অংশ হিসেবে তাঁর তত্ত্বাবধানে বেশ কয়েকটি প্রজেক্ট পরিচালিত হচ্ছে, যা দেশজুড়ে হাজার হাজার মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করেছে।

অংশগ্রহণকারীদের নাম

  • রাহাত উল্লাহ তৌসিফ
  • একরামুল হক
  • সাজ্জাদুর রহমান
  • রবি শংকর মজুমদার
  • নুসরাত জাহান
  • তাহরীমা ইসলাম
  • নিপা দাস
  • রিদোয়ানুল কবির ফাহিম
  • চৌধুরী রায়হান বিন মাহবুব
  • সাজেদা সামিহা
  • মোঃ ফাহিম আহমেদ
  • রিনিকা সরকার

অংশগ্রহণকারীদের নাম

  • নুসরাত জাহান
  • এরিকা আফরিন বুশরা
  • সারাহ তামান্না
  • শারমিন আক্তার
  • নীতা বর্মণ
  • ফয়সাল মেহেদী
  • মাহামুদুল হাসান আসিফ
  • মোঃ নাফিস সাদিক চৌধুরী
  • মোহাম্মদ তানসেন
  • মাসুদ রানা

অংশগ্রহণকারীদের নাম

  • মাহ্ফুজুল ইসলাম ইমন
  • কাজী ফারজানা হক
  • আরফান উল করিম
  • মোঃ তৌফিক ইসলাম
  • শাইখ তাজওয়ার আহমেদ
  • দিলরুবা আখতার রাখি
  • মুজাহিদুল ইসলাম
  • জোয়ারিয়া ইশরাত
  • সায়মা বিনতে মাহবুব
  • ইসরাফাত জাহান

‘সারা জীবনের কষ্টের টাকায় বানানো বাড়ি। আমার কাছে তো পদ্মা সেতুই’—বিএসআরএমের এই বিজ্ঞাপন এখন মানুষের কাছে খুব পরিচিত। বাংলাদেশের ইস্পাতশিল্পের কথা মাথায় এলেই নাম নিতে হয় বিএসআরএমের। মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গা নিয়েছে বিএসআরএম ইস্পাত। আর এই ব্র্যান্ড গড়ে ওঠার পেছনে যে মানুষটির অক্লান্ত পরিশ্রম, নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতা কাজ করেছে, তিনি তরুণ ও সফল উদ্যোক্তা বিএসআরএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আমীর আলিহোসাইন। বিএসআরএমের প্রতিষ্ঠাতা দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ শিল্পপতি জনাব আলিহোসাইন আকবর আলীর সুযোগ্য পুত্র। পৈতৃক ব্যবসাকে তিনি সাফল্যের সঙ্গে সামনে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। কীভাবে আমীর আলিহোসাইন নিজেকে সুযোগ্য প্রমাণ করে দায়িত্বের সঙ্গে পৈতৃক ব্যবসাকে একটি আস্থা ও ভরসার ব্র্যান্ড বানালেন? তাঁর জীবনী হতে পারে এখনকার তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণা।

আমীর আলিহোসাইন ১৯৯৭ সালে কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক করেছেন। ২০০০ সালে লাহোরের এলইউএমএস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে করেছেন এমবিএ। ১৮ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি ইস্পাতশিল্পের সঙ্গে জড়িত। তাঁর অসাধারণ নেতৃত্বে সাধারণ ইস্পাত ব্যবসা হয়ে উঠেছে আজকের আধুনিক ইস্পাত ব্র্যান্ড। শুধু তা–ই নয়, তাঁর প্রতিষ্ঠানের কর্মপরিবেশও অসাধারণ। তিনি তাঁর প্রতিষ্ঠানে ‘মডার্ন ম্যানেজমেন্ট কনসেপ্ট’ প্রয়োগের মাধ্যমে কর্মীদের ভেতরে সঙ্গবদ্ধ হয়ে লক্ষ্যে পৌঁছানোর স্পৃহা ও প্রেরণা জুগিয়েছেন। গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং ক্রেতাদের সর্বোচ্চ সন্তুষ্টি দেওয়াই তাঁর ব্যবসার লক্ষ্য।

ব্যবসায়িক জগতে আমীর আলিহোসাইন একজন সৎ, স্বচ্ছ ও পরিশ্রমী মানুষ হিসেবে পরিচিত। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ২০১৪-১৫ ও ২০১৫-১৬ সালে আমীর আলিহোসাইন চট্টগ্রাম বিভাগের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত করদাতা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক তিনি ভূষিত হন বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, সিআইপি (শিল্প) ও সিআইপি (রপ্তানি) হিসেবে। তাঁর দৃঢ় নেতৃত্বের ফলে বিএসআরএম ভূষিত হয়েছে রাষ্ট্রপতি পুরস্কারে (শিল্পপ্রতিষ্ঠান) এবং পুরস্কার পেয়েছে সর্বোচ্চ ট্যাক্স প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (প্রকৌশল বিভাগ) হিসেবে। এ ছাড়া পরপর সাতবার জিতে নিয়েছে দেশের সেরা স্টিল ব্র্যান্ড পুরস্কার।

আমীর আলিহোসাইন বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও জড়িত। তিনি চট্টগ্রামের নাসিরাবাদে একটি বিদ্যালয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা, যেখানে ৫০০ জনের বেশি শিশুকে বিনা মূল্যে শিক্ষাদান করা হয়। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানিক সামাজিক দায়বদ্ধতার (সিএসআর) অংশ হিসেবে তাঁর তত্ত্বাবধানে বেশ কয়েকটি প্রজেক্ট পরিচালিত হচ্ছে, যা দেশজুড়ে হাজার হাজার মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করেছে।

সোনিয়া বশির কবীর বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, লাওস এবং মিয়ানমারের মাইক্রোসফটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি ইউনাইটেড নেশন টেক ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান, ‘বাংলাদেশ উইমেন ইন টেকনোলজির সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট, সহ-প্রতিষ্ঠাতা সিনটেক বাংলাদেশের। তিনি ‘ডি মানি বাংলাদেশ’ এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। ২০০৭ সালের শেষ দিকে প্রধান অপারেটিং অফিসার হিসেবে যোগ দেন ঢাকা কেন্দ্রিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘আমরা টেকনোলজিস লিমিটিড’ এ। ২০১১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত প্রায় ৩ বছর কাজ করেছেন ডেল কম্পিউটার্স বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে।

সোনিয়া বশিরের জন্ম রাজধানী ঢাকায়। বাবা এম আর বশির চাকরি করতেন আইসিডিডিআরবিতে, মা রেহানা বশির ছিলেন ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের শিক্ষক। সোনিয়ার পড়াশোনার শুরু সানবিমস স্কুলে। এরপর গ্রিন হেরাল্ড হয়ে ভিকারুননিসা কলেজে উচ্চমাধ্যমিক। শৈশব থেকেই সোনিয়া ছিলেন পড়ালেখা, খেলাধুলা সবক্ষেত্রেই দুরন্ত। সোনিয়া ক্রিকেট, ভলিভল, ফুটবল খেলেছেন। দেশের প্রথম নারী জাতীয় ক্রিকেট দলে সুযোগ পান। তিনি জাতীয় নারী ভলিভল দলেও জায়গা করে নেন।

১৯৮৩ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় সোনিয়া মানবিক বিভাগে ঢাকা বোর্ডে ষষ্ঠ হন। এইচএসসির পর পড়তে যান যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড কলেজ পার্কে। ১৯৮৬ সালে দেশে আসেন। স্বামী এহতেশাম কবির সফটওয়্যার প্রকৌশলী। ১৯৮৯ সালে সান্তা ক্লারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন সোনিয়া। ১৯৯০ থেকে ২০০৫—যুক্তরাষ্ট্রে দেড় দশকের পেশাজীবন পার করে সোনিয়া বশির কবীর চলে আসেন বাংলাদেশে। ১৫ বছরের কর্মজীবন কেটেছে সান মাইক্রোসিস্টেম, ওরাকলের মতো প্রতিষ্ঠানে।

সোনিয়া তার সাফল্যমণ্ডিত কর্মজীবনে অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা জিতেছেন। তার সাফল্যের মুকুটে সবচেয়ে সম্মানজনক পালকটি আসে ২০১৬ সালে। সে বছর মাইক্রোসফটের ‘ফাউন্ডার্স অ্যাওয়ার্ড’ জেতেন সোনিয়া। তাছাড়া, জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে অবদান রাখার জন্য ‘এসডিজি ২০১৭ পায়োনিয়ার্স’ পুরস্কার জেতেন তিনি। সর্বশেষ ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে জাতিসংঘের ‘মহাত্মা গান্ধী ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন ফর পিস অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি’ বা এমজিআইইপির গভার্নিং কাউন্সিলর হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন।

তরুণদের জন্য সোনিয়া বশির কবীরের ৫ পরামর্শ

সোনিয়া বশির কবীর বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, লাওস ও মিয়ানমারের মাইক্রোসফটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি ইউনাইটেড নেশন টেক ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান, ‘বাংলাদেশ উইমেন ইন টেকনোলজির সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট, সহপ্রতিষ্ঠাতা সিনটেক বাংলাদেশের। তিনি ‘ডি মানি বাংলাদেশ’–এর সহপ্রতিষ্ঠাতা। তরুণদের জন্য সোনিয়া বশির কবীর বিভিন্নভাবে কাজ করছেন। প্রথম আলোর সঙ্গে ‘মিট দ্য এক্সপার্ট’ কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। এর আওতায় ১০ জন তরুণের সঙ্গে সকালের নাশতা ও বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলবেন তিনি। সম্প্রতি এ নিয়ে কথা হয় তাঁর সঙ্গে।

Posted by Prothom Alo on Thursday, 14 March 2019

ইয়াসির আজমান গ্রামীণফোনের ডেপুটি সিইও এবং সিএমও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আজমান একজন অভিজ্ঞ এবং দক্ষ প্রফেশনাল, যিনি দেশ ও দেশের বাইরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন।

গ্রামীণফোনের সিএমও হিসেবে ২০১৫ সালের ১৫ জুনে দায়িত্ব নেওয়ার আগে টেলিনর গ্রুপের বিপণন ও ই-বিজনসের প্রধান হিসেবে নরওয়েতে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি টেলিনর ইন্ডিয়াতে ইভিপি এবং সার্কেল প্রধান হিসেবে ওডিশা ও কর্ণাটকে ২০১০ - ২০১২ পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। বিজনেসে উদ্ভাবনী মানসিকতার জন্য সুপরিচিত আজমান এর আগে গ্রামীণফোনের বিক্রয় ও বিপণন বিভাগকে আধুনিকায়নে নেতৃত্ব দেন। তিনি বিভিন্ন লিডারশিপ দায়িত্ব পালনকালে সময়োপযোগী ট্রান্সফরমেশন ও বিজনেস ডেভেলপমেন্টে বিশেষ অবদান রাখেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ ছাড়াও লন্ডন বিজনেস স্কুল, আইএনএসইএডি ফ্রান্স সহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ এক্সসিকিউটিভ প্রোগ্রামে অংশ নেন।

বর্তমানে গ্রামীণফোনের ডেপুটি সিইও এবং সিএমও হিসেবে তিনি গ্রামীণফোনকে আরও বেশি ডিজিটাল এবং গ্রাহকবান্ধব করতে নিরলস কাজ করে চলেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, ডিজিটাল ও গ্রাহকবান্ধব গ্রামীণফোনই হবে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণের বড় অংশীদার।

পেশাগত পরিচয়ের বাইরে আজমান নিজেকে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করেন।

মিট দ্য এক্সপার্টে সাফল্যের পথ জানলেন ১২ তরুণ

বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় তরুণদের জন্য প্রথম আলো ও বিএসআরএমের...
১৬ জুন ২০১৯

বিএসআরএম-প্রথম আলো ‘মিট দ্য এক্সপার্ট’ সফল পেশাজীবীর মুখোমুখি তরুণেরা

বিএসআরএম-প্রথম আলো ‘মিট দ্য এক্সপার্ট’-এর দ্বিতীয় পর্বে...
১২ মে ২০১৯

উদ্ভাবন ও তরুণেরা বদলে দেবে দেশের চেহারা: ইয়াসির আজমান

প্রথম আলো ও বিএসআরএমের বিশেষ আয়োজন ‘মিট দ্য...
২৭ এপ্রিল ২০১৯

মিট দ্য এক্সপার্টের দ্বিতীয় পর্বে ইয়াসির আজমান

বাংলাদেশের তরুণদের স্বপ্নগুলোকে সত্যি করার লক্ষ্যে এগিয়ে...
০৭ এপ্রিল ২০১৯
prothom Alo
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
© স্বত্ব প্রথম আলো ১৯৯৮ - ২০১৯
সম্পাদক ও প্রকাশক: মতিউর রহমান
প্রগতি ইনস্যুরেন্স ভবন, ২০-২১ কারওয়ান বাজার , ঢাকা ১২১৫

ফোন: ৮১৮০০৭৮-৮১, ফ্যাক্স: ৫৫০১২২০০, ৫৫০১২২১১ ইমেইল: info@prothomalo.com