‘অদম্য মেধাবী’ শিক্ষাবৃত্তি সারা দেশের গরিব, কিন্তু মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য খুলে দিয়েছে সম্ভাবনার দুয়ার। অদম্য মেধাবীদের একেকটি গল্প অন্যদের জন্য হয়ে উঠেছে অনন্ত অনুপ্রেরণার উৎস। প্রথম আলো ২০০৭ সাল থেকেই এই শিক্ষাবৃত্তি দিয়ে আসছে। তবে ট্রাস্ট গঠনের পর থেকে এটি নিয়মিতকরণ করা হয়। ২০১০ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে এর পরিধি বাড়ে। শুরুর দিকে প্রথম আলোর নিজস্ব তহবিল, সামিট গ্রুপ, ট্রান্সকম গ্রুপ, আমেরিকা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সহায়তা দেয়। পরে প্রথম আলো আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০৭ সালে অদম্য মেধাবীদের শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া শুরু করে।
ওই বছর ২১ জন অদম্য মেধাবীকে দেওয়া হয়েছিল এই বৃত্তি। ২০০৯ সালে প্রথম আলো ট্রাস্ট গঠিত হলে অদম্য মেধাবীদের ঢাকায় এনে সংবর্ধনা দেওয়ার উদ্যোগ শুরু হয়। ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি ও অন্যান্য দাতাদের সহযোগিতায় ২০২৩ সাল পর্যন্ত বৃত্তিপ্রাপ্ত মোট অদম্য মেধাবীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৭০ জন । এর মধ্যে ব্র্যাক ব্যাংকের সহায়তায় মোট ১০৪০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছেন। এ ছাড়া অন্যান্য দাতা সংস্থা ও ব্যক্তির সহযোগিতায় ৩৩০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে । বর্তমানে ২৫৭ জন অদম্য মেধাবী শিক্ষার্থী বৃত্তি পাচ্ছে।
অদম্য মেধাবী নির্বাচন প্রক্রিয়া:প্রতিবছর এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পর প্রথম আলোর প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সারা দেশ থেকে সুবিধাবঞ্চিত দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সংবাদ প্রকাশ হয়। পরে প্রকাশিত সংবাদ ও প্রতিনিধিদের পাঠানো তালিকা থেকে যাচাই-বাছাই করে এইচএসসি পর্যায়ে অদম্য মেধাবী শিক্ষাবৃত্তির জন্য নির্বাচন করা হয়। এইচএসসি পর্যায়ে বৃত্তি প্রাপ্ত অদম্য মেধাবীদের যাঁরা পুনরায় জিপিএ-৫ অর্জন করেন, দাতা বা দাতাসংস্থা সম্মত থাকলে তাঁদের স্নাতক পর্যায়েও শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়।
শিক্ষাবৃত্তির জন্য বিবেচ্য বিষয়সমূহ