হয়রানি করলে সরকারকে চরম খেসারত দিতে হবে

ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের চেয়ারম্যান মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, ‘জঙ্গি সম্পৃক্ততার মিথ্যা অভিযোগে হয়রানি অব্যাহত থাকলে সরকারকে চরম খেসারত দিতে হবে। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে বিশেষ মহল অপতত্পরতায় জড়িত থাকতে পারে।’ আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর লালখান বাজারের জামায়াতুল ইলুম মাদ্রাসায় এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। মুফতি ইজহারের ছেলে মুফতি হারুন ইজহার ও দুই বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।মুফতি ইজহার আরও বলেন, জঙ্গিবাদের কথা বলে সরকার কওমি মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের পেছনে লেগেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সরকারের বর্ণনাতীত ক্ষতি হবে। অথচ কোনো রকম তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই মুফতি হারুন ও আমার মাদ্রাসার সাবেক দুই ছাত্র সাইফুল আল আমিন ও শহিদুল ওরফে সুজনকে আটক করা হয়।মুফতি ইজহারের দাবি, ‘গ্রেপ্তার হওয়া সাইফুলের বাড়ি ভোলায় এবং শহিদের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়। তাঁরা দুজনই লালখান বাজারে ভোটার তালিকা তৈরির কাজে জড়িত ছিলেন। তাঁদের এখন পাকিস্তান ও ভারতের নাগরিক বানানো হচ্ছে। এ ধরনের অপপ্রচার ও হয়রানিতে শুধু আমিই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি না, সরকারও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’অন্য এক প্রশ্নের জবাবে মুফতি ইজহার বলেন, ‘আমার সংগঠন নেজামে ইসলাম পার্টি কিংবা আমি নিজে বা আমার ছেলেদের সঙ্গে জঙ্গিবাদের কোনো সম্পর্ক আগেও ছিল না, এখনো নেই। সরকার হয়রানি করতে আমার ছেলে ও মাদ্রাসার সাবেক দুই ছাত্রকে আটক করে।’উল্লেখ্য, পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তাইয়েবার সম্পৃক্ততার অভিযোগে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল গত বুধবার চট্টগ্রাম থেকে মুফতি হারুন ও দুই বিদেশিকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার করে।