কিন্তু মাতিলদে অন্য একজনকে ভালোবাসতেন। তাই বিয়েতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করলেন। এতে নিৎশে খুবই দুঃখ পান। যার জের হিসেবে পরবর্তী পাঁচ বছর সমাজ থেকে দূরে থাকেন তিনি।

এরপর ১৮৮২ সালে নিৎশের সঙ্গে দেখা হয় ২১ বছর বয়সী রাশিয়ান নারী ল্যু সালোমের। ল্যুকে নিয়ে নিৎশে লেখেন, সে খুবই সরল। কিন্তু অন্য নারীদের মতো নয়। কিছুদিন পরই ল্যুকে বিয়ের প্রস্তাব পাঠান তিনি। তবে নিৎশের বোন এলিজাবেথ ল্যু সালোমেকে কড়া করে চিঠি লিখে তাঁর ভাই থেকে দূরে থাকতে বলেন। ল্যুও কম যান না। তিনিও তাঁকে চিঠিতে স্পষ্ট করে বলে দেন, তাঁর ভাইকে বিয়ের কোনো আগ্রহই তাঁর নেই। এরপরও নিৎশে তাঁকে আরও কয়েকবার বিয়ের প্রস্তাব দেন, কিন্তু প্রতিবারই তাঁকে ফিরিয়ে দিয়েছেন ল্যু সালোমে।

নিৎশের বয়ানে পাওয়া যায়, তিনি কখনো স্বেচ্ছায় নারীদের দ্বারস্থ হননি। দু-তিনবার যা নারীদের সঙ্গে মিলিত হয়েছেন, তা-ও চিকিৎসকের পরামর্শে।

তো, প্রেমে কেন ব্যর্থ হয়েছিলেন নিৎশে? এর উত্তরে অনেকে এমন বলেন, তাঁকে যেমন বুঝতে পারেনি নারীরা, তেমনি অনেক ক্ষেত্রে তিনিও নারীর মন বুঝতে ছিলেন অপারগ।

সূত্র: অ্যান্ড্রু শাফারের লেখা ‘গ্রেট ফিলোসফারস হু ফেইলড অ্যাট লাভ’


গ্রন্থনা: হুমায়ূন শফিক

অন্য আলো থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন