বিজ্ঞাপন
শরৎকে গোর্কি সাহেব বিষাদের সময় বললেও কবি আলেকজান্ডার পুশকিন একে ‘বোল্ডিনো অটাম’ বা উদ্যমী শরৎ বলেছেন। ১৮৩০ সালের ৩ সেপ্টেম্বর নিজের পরিবারের কাছে বোল্ডিনোতে ফিরে আসেন পুশকিন। মস্কোতে তখন শুরু হয়েছিল কলেরা মহামারি। ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি পরিবারের সঙ্গেই ছিলেন। এ সময় তিনি পাঁচটি কাব্যিক উপন্যাস ও ত্রিশটির মতো কবিতা লিখেছিলেন। এক চিঠিতে প্রকাশককে পুশকিন বলেছেন, ‘চারপাশ ফাঁকা, প্রতিবেশ নেই বললেই চলে, ইচ্ছেমতো ঘোড়া দৌড়ানো যায়, বাড়িতে বসে যতক্ষণ খুশি লেখা যায়। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, এ সময় আমাকে কেউ বিরক্ত করেনি।’

আবার আন্তন শেখভের গল্প নিয়ে ম্যাক্সিম গোর্কি খুবই মজা করে বলেছেন, ‘আন্তন শেখভের গল্পগুলো পড়লে মনে হবে শরৎকালের শেষের দিকে নিজেকে হুট করেই ফিরে পেয়েছি, যখন চারপাশের বাতাস খুবই স্বচ্ছ হয়, চারপাশের গাছগুলোকে নগ্ন মনে হয়, ঘরগুলোকে ছোট ছোট লাগে, মানুষেরা হয় তীক্ষ্ণ।’ সমস্যা হলো, গোর্কি ছিলেন শেখভের সবচেয়ে বড় সমালোচক এবং শরৎ ঋতু খুবই অপছন্দ করতেন তিনি। শরৎকে মনে করতেন একাকীত্ব, স্থির, আশাহীন, অদ্ভুত এক ঋতু। শরতের আকাশ তাঁর পছন্দ ছিল। তাঁর কাছে এ সময়ের আকাশকে ফ্যাকাশে মনে হতো। খুবই বিরক্তি ও অলসতার সময় বলতে শরৎকেই বুঝতেন গোর্কি।

শরৎকে গোর্কি সাহেব বিষাদের সময় বললেও কবি আলেকজান্ডার পুশকিন একে ‘বোল্ডিনো অটাম’ বা উদ্যমী শরৎ বলেছেন। ১৮৩০ সালের ৩ সেপ্টেম্বর নিজের পরিবারের কাছে বোল্ডিনোতে ফিরে আসেন পুশকিন। মস্কোতে তখন শুরু হয়েছিল কলেরা মহামারি। ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি পরিবারের সঙ্গেই ছিলেন। এ সময় তিনি পাঁচটি কাব্যিক উপন্যাস ও ত্রিশটির মতো কবিতা লিখেছিলেন। এক চিঠিতে প্রকাশককে পুশকিন বলেছেন, ‘চারপাশ ফাঁকা, প্রতিবেশ নেই বললেই চলে, ইচ্ছেমতো ঘোড়া দৌড়ানো যায়, বাড়িতে বসে যতক্ষণ খুশি লেখা যায়। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, এ সময় আমাকে কেউ বিরক্ত করেনি।’

তবে একটি কবিতায় পুশকিনও শরৎকে বলেছিলেন ‘বিষাদের ঋতু’। আর সেটি হয়তো বলেছিলেন ওই চলমান কলেরা মহামারির কারণেই।

সূত্র: রাশিয়া বিয়ন্ডের বিভিন্ন সময়ের লেখা। (আরবিটিএইচ ডট কম)

অন্য আলো ডটকমে লেখা পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

অন্য আলো থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন