default-image

জাতীয় রক্ষীবাহিনী সম্পর্কে কি জানেন আপনারা? কী জানেন? সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালের প্রথম দিকে মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে এ বাহিনী গঠন করেছিল সরকার। তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে তর্ক-বিতর্ক কম নেই। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার যে কাজটি ছিল তাদের, সেটি কতটুকু করেছিল তারা? ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে যে এত এত আলোচনা–সমালোচনা—এর কতটা সত্য আর কতটাই নিছক প্রচারণা? রক্ষীবাহিনী নিয়ে সব প্রশ্ন ও বিতর্ক নিয়ে আনোয়ার উল আলম লিখেছেন ‘রক্ষীবাহিনীর সত্য-মিথ্যা’।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদমর্যাদায় লেখক আনোয়ার উল আলম ছিলেন এ বাহিনীর উপপরিচালক (প্রশিক্ষণ)। গঠন-প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্তই এ বাহিনীর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন তিনি।


‘রক্ষীবাহিনীর সত্য-মিথ্যা’ বইটি প্রকাশ করেছে প্রকাশনা সংস্থা প্রথমা। সম্প্রতি বাজারে এসেছে বইটির দশম মুদ্রণ। লেখকের ভাষ্যে এ বইয়ে উন্মোচিত হয়েছে রক্ষীবাহিনী এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নানা অজানা কথা। বইটি আমাদের জাতীয় ইতিহাসের উত্থান-পতনময় কালপর্বের তাৎপর্যপূর্ণ দলিলবিশেষ।

বিজ্ঞাপন

আনোয়ার উল আলমের জন্ম ১৯৪৭ সালে, টাঙ্গাইল শহরে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে এমএ। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে টাঙ্গাইলে আঞ্চলিক মুক্তিবাহিনী সংগঠনে তাঁর ভূমিকা অনন্য। স্বাধীনতার পর সরকার জাতীয় রক্ষীবাহিনী গঠন করলে তিনি লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদমর্যাদায় বাহিনীর উপপরিচালক (প্রশিক্ষণ) হন। ১৯৭৫ সালের অক্টোবরে যখন এ বাহিনী বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে আত্তীকরণ করা হয়, আনোয়ার উল আলম তখন সেনাবাহিনীতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পুনর্নিয়োগ পান।

default-image

কয়েক বছর পর তাঁর চাকরি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। এরপর তিনি বিদেশে বাংলাদেশ মিশন ও দূতাবাসে কূটনীতিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে যুক্ত আছেন নানা সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে।
‘রক্ষীবাহিনীর সত্য-মিথ্যা’ বইয়ের প্রচ্ছদ ও অঙ্গসজ্জা করেছেন কাইয়ুম চৌধুরী। বইটির গায়ের মূল্য ৪০০ টাকা। পাওয়া যাবে কারওয়ান বাজার ও শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে প্রথমার আউটলেটে। এ ছাড়া ঘরে বসে বই পেতে চাইলে অনলাইনে অর্ডার করতে পারেন prothoma. com থেকে। সরাসরি কল করতে পারেন ০১৯৮৮৩৩৭৭৩৩ নম্বরে।

মন্তব্য করুন