default-image

জন্মেছিলেন ১৯৩৬ সালে। ১৯৪৭–এ দেশভাগ হয়ে পাকিস্তানের জন্মের তিনি যেমন প্রত্যক্ষদর্শী, তেমনি দেখেছেন ১৯৭১–এর মুক্তিযুদ্ধ। স্বাধীন বাংলাদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক উত্থান–পতনের সাক্ষীও তিনি। সেসব কিছু এবার আত্মজীবনীতে লিখে রাখবেন বলে জানালেন। হ্যাঁ, আত্মজীবনী লেখার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী।

নিজের জীবনের ঘটনাবলিকে অবশ্য আত্মজীবনীর চেয়ে ‘আত্মস্মৃতি’ বলতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। অন্য আলোকে তিনি বলেন, ‘এই বইয়ে আমার জীবন ধারাবাহিকভাবে থাকবে না, আসবে জীবনের নানা ঘটনাপ্রবাহ। বিশেষত, আমার সময়ে দেখা সমাজের বিশেষ বিশেষ ঘটনাবলিকে আমি কীভাবে অবলোকন করেছি এবং সে সম্পর্কে আমার ব্যখ্যা কী—এখানে আসবে সেসবও। তাই আত্মজীবনী বললে একে ঠিক বলা হবে না।’

বিজ্ঞাপন

কবে লেখা শুরু করবেন, এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আত্মস্মৃতিমূলক কয়েকটি বই আমি আগে লিখেছি। সেখান থেকে প্রাসঙ্গিক অংশগুলো এখানে থাকবে। আবার নতুন করেও লিখব। সব মিলিয়ে বইটি নতুন বই–ই হবে। এটি লেখার প্রস্তুতিই এখন নিচ্ছি, দ্রুতই লিখতে শুরু করব।’ বইটি লিখতে এক বছর সময় লাগবে জানিয়ে দেশের বর্ষীয়ান এই লেখক বলেন, ‘প্রথমা প্রকাশন আমার আত্মস্মৃতির বইটি প্রকাশ করবে বলে কথা হয়েছে।’

এবার বইমেলায় সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর দুটি বই প্রকাশিত হয়েছে। এগুলো হলো—বিদ্যাসাগর ও কতিপয় প্রসঙ্গ (সংহতি) ও বর্তমানে দাঁড়িয়ে ভবিষ্যতের মুখোমুখি (কথাপ্রকাশ)।

অন্যান্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন