default-image

মার্ক জাকারবার্গ

ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের বর্তমান সম্পদের পরিমাণ ৭০ বিলিয়ন ডলার! মাত্রই মধ্য ত্রিশে পা দিয়েছেন তিনি, অথচ এর মধ্যেই এত বিপুল অর্থসম্পদের মালিক বনে যাওয়ার পেছনে গোপন কোনো রহস্য আছে কি? ৩৬ বছর বয়সী জাকারবার্গ হেসে বলেন, ‘রহস্য একটা আছে অবশ্য। সেটি হচ্ছে বই পড়া। আমাকে যদি আপনারা সফল মানুষ হিসেবে বিবেচনা করেন, তবে আমি বলব, আমার এ সাফল্যের পুরো কৃতিত্ব বই পড়ার অভ্যাস। বিশ্বের এই তরুণ ধনকুবের প্রতিদিন নিয়ম করে বই পড়েন। সাধারণত প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢুঁ মারেন। তারপর বই পড়তে বসেন। তবে যা খুশি, তা–ই পড়েন না। প্রথমে নিজেকে জিজ্ঞেস করেন, তিনি কোন বিষয়ে জানতে চান। তারপর সেই আগ্রহের বিষয়ের বই সংগ্রহ করেন এবং পড়েন। একবার তাঁর খুব আগ্রহ হলো চীনা মান্দারিন ভাষা শেখার। তিনি সঙ্গে সঙ্গে মান্দারিন ভাষার বই সংগ্রহ করে পড়া শুরু করলেন।

বিজ্ঞাপন
default-image

ইলন মাস্ক

প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক বলেছেন, কীভাবে রকেট তৈরি করতে হয়, তা তিনি শিখেছিলেন বই পড়ে। যখন তিনি ছোট ছিলেন, তখন প্রতিদিন ১০ ঘণ্টা সায়েন্স ফিকশন পড়তেন। তিনি প্রায়ই গ্রন্থাগারে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বই পড়তেন। একবার একটা ছয় মাসের কোর্স মাত্র তিন দিনেই খতম করে ফেলেছিলেন তিনি। ইলন বলেন, তাঁকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছে আইজ্যাক আসিমভের ফাউন্ডেশন সিরিজ। বইপড়ুয়া মাস্ক এখনো প্রচুর পড়েন। তাঁর পড়ার কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। যখন পড়তে মন চায়, তখনই বই খুলে বসেন। তবে হ্যাঁ, এখন তিনি সেই ছোটবেলার মতো প্রতিদিন ১০ ঘণ্টা পড়তে পারেন না।

default-image

বিল গেটস

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী উইলিয়াম হেনরি গেটস, বিশ্ব যাঁকে চেনে বিল গেটস নামে। তিনি যে একজন অসম্ভব বইপোকা, তা কমবেশি সবাই জানেন। ‘গেটস নোটস’ নামে তাঁর একটি ব্লগসাইট আছে, যেখানে তিনি নিয়মিত বিভিন্ন বইয়ের আলোচনা লেখেন। বিল বলেন, বই পড়া তাঁর শখ। একমাত্র বই–ই পারে তাঁর মনের যাবতীয় কৌতূহল মেটাতে। বিলের বাবা জানান, ছোটবেলায় বিল এত বেশি পড়তেন যে তাঁর স্কুল থেকে একবার এ মর্মে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল, বিল যেন খাবার টেবিলে পড়তে না পারেন! এখনো আগের মতোই বইপোকা রয়ে গেছেন বিল গেটস। প্রতি রাতে অন্তত এক ঘণ্টা বই পড়েন। শুধু পড়ার জন্য পড়েন না, রীতিমতো দাগ দিয়ে দিয়ে পড়েন। পড়তে পড়তে প্রয়োজনীয় তথ্য নোটখাতায় টুকে রাখেন। পড়া শেষ হলে বইটি থেকে কী শিখলেন কিংবা বইটি কেন অন্যদের পড়া উচিত, তা বিস্তারিত লেখেন তাঁর ব্যক্তিগত ব্লগ গেটস নোটসে।

বিজ্ঞাপন
default-image

অপরাহ্​ উইনফ্রে

বর্তমান বিশ্বের টেলিভিশন মোগল বলা হয় অপরাহ্​ উইনফ্রেকে। এই তারকার দ্য অপরাহ্​ উইনফ্রে শো যাঁরা দেখেছেন, তাঁরা নিশ্চয় জানেন, তিনি কতটা বইপড়ুয়া। চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বেড়ে ওঠা অপরাহ্​ বলেছেন, তিনি যখন ছোট, তখন তাঁর দাদির উঠান ছাড়িয়ে বিরাট এক পৃথিবীর সন্ধান দিত বই। পৃথিবীর ব্যস্ততম এই টেলিভিশন তারকা এখনো প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে বই পড়েন। তিনি একটি বুক ক্লাবও গড়ে তুলেছেন, সেখানে প্রতি মাসে তাঁর পঠিত বই নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি মনে করেন, আলোচনার মাধ্যমে বইয়ের কথা ছড়িয়ে দিলে অন্যরাও বই পড়তে উদ্বুদ্ধ হবে।

সূত্র: টিসিকে পাবলিশিং

অন্যান্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন