বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হ্যারি স্টোন বলেছেন, মর্গের প্রতি ডিকেন্সের আকর্ষণটা আদতে উদ্দেশ্যমূলক কিছু ছিল না। এটা ছিল নিছক শখ। তিনি বলেন, ডিকেন্স তাঁর এই শখকে বলেছিলেন ‘বিকর্ষণের আকর্ষণ’। এ বিষয় নিয়ে তিনি ব্যাপকভাবে লিখেছিলেনও। ডিকেন্স মৃতদেহগুলোর দিকে তাকিয়ে এতটা সময় ব্যয় করতেন যে মৃতদের সম্পর্কে দুঃস্বপ্ন ও হ্যালুসিনেশন দেখতে শুরু করেছিলেন।

অবশ্য ডিকেন্সের কাছে সেগুলো খুব বেশি ভীতিকর ছিল না, সেগুলো নিয়েই তিনি আচ্ছন্ন ছিলেন। স্টোন ডিকেন্সের লেখায় তিন শতাধিক সূত্র পেয়েছেন, যেখানে নরমাংসবাদ নিয়ে কাজ করেছেন চার্লস ডিকেন্স।

ঘটনা এখানেই শেষ নয়, মর্গ সংস্কৃতির ওপর ডিকেন্সের বড় ধরনের প্রভাবও ছিল। ১৮৫৬ সালে চারপাশে একটি খবর ছড়িয়ে গেল যে মর্গে যেসব লাশ সমাহিত করার জন্য জড়ো করা হয়, সেগুলোকে দেখে লাশগুলোর প্রিয়জনদের খুব খারাপ লাগত। কারণ, লাশগুলোর ওপর তেমন দয়ামায়া করা হতো না। তখন চার্লস ডিকেন্স সবাইকে উৎসাহ দেন লাশের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য। মৃত ব্যক্তিদের প্রিয়জনেরা এতে খুশি হন। আর মৃত মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর এই ব্যবস্থায় সবাইকে উৎসাহিত করার কারণে ডিকেন্সের প্রতিও মৃত ব্যক্তিদের স্বজনদের শ্রদ্ধা বেড়ে যায়।

সূত্র: গ্রুঞ্জ ডটকম।

গ্রন্থনা: হুমায়ূন শফিক

অন্যান্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন