বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আমার চাদ্দিকে দরদালান কেবলই যাচ্ছে ধ্বসে,

আমার সম্মুখে

এবং পেছনে

দেয়াল পড়ছে ভেঙে একে একে, যেন

মাতাল জুয়াড়ি কেউ নিপুণ হেলায়

হাতের প্রতিটি তাস দিচ্ছে ছুড়ে। আমি

কত ধ্বংসস্তুপের ভেতর দিয়ে হাঁটি

করাল বেলায়। জনসাধারণ ছিন্ন

মালার মুক্তোর মতো বিক্ষিপ্ত চৌদিকে।

সমস্ত শহর আজ ভয়াবহ শবাগার এক। কোনোমতে

দম নিই দমবন্ধ ঘরে। জমে না কোথাও আভা,

রেস্তোরাঁ নির্জন। গ্রন্থে নেই মন, আপাতত জ্ঞানার্জন বড়

অপ্রয়োজনীয় ঠেকে। ঘর ছেড়ে পথে

পা বাড়াতে ভয় পাই। যেদিকেই যাই

ডাইনে অথবা বাঁয়ে বিষণ্ন স্বদেশে বিদেশিরা

ঘোরে রাজবেশে। রেস্তোরাঁয়, পার্কে, অলিতে–গলিতে

শহরতলিতে শুধু ভিনদেশি ভাষা যাচ্ছে শোনা।

বস্তুত বিষ্ণণ্ন এ শহরে হত্যাময় শহরে

স্বদেশির চেয়ে বিদেশির সংখ্যা বেশি। নাগরিক

অধিকারহীন পথ হাঁটি, ঘাড় নিচু, ঘাড়ে মাথা

আছে কিবা নেই বোঝা দায়! এই মাথার ওপর

আততায়ী, শাসক সবার

আছে পাকাপোক্ত অধিকার। কেবল আমারই নেই।

যদিও যাইনি পরবাসে, তবু আমি

বিষণ্ন উদ্বাস্তু একজন। ক্লান্ত মনে ধরে ঘুণ, শুধু ঘুণ

কবিতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন