বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আতিক এখনো কথা বলে ধীরে ধীরে। তবে যখনকার কথা বলছি, তখন তার কথায় রসিকতা থাকত। আর কথাটা বলা শেষে সে চোখ দিয়ে হাসত।
একদিন আতিক বলেছিল, প্রত্যেক মানুষের মধ্যে একটা জন্তুভাব বিরাজ করে। কেউ শিয়ালের মতো, কেউ বিড়ালের মতো, কেউ গরুর মতো, কেউ হরিণের মতো।
আমাকে কোন প্রাণীর মতো লাগে ওর কাছে, আমি সাহস করে জিজ্ঞেস করিনি।
আতিক বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের লাইব্রেরিতে যায় বই আনতে। আমি বললাম, ‘আমিও যাব।’

আতিক আমাকে সঙ্গে করে নিয়ে গেল বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে।
এই পৃথিবীতে একটা স্থান ছিল সবচেয়ে করুণ সুন্দর, তা হলো, বাংলামোটরের বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের আগের ভবনটি। গাছগাছালিতে ঢাকা। ছায়াময়। মায়াময়। গাছের তলা দিয়ে ইটবিছানো বাঁকা পথ বেয়ে এগোলে লাল ইটের একটা দোতলা ভবন। তার আঙিনায় কত পুষ্পবিহঙ্গবৃক্ষ পুরাণ রচিত হয়েছে। দোতলায় লাইব্রেরি। নিচতলায় হলঘর। ডান দিকে ভিডিও লাইব্রেরি ইত্যাদি।

রংপুর থেকে আসা আমি হাঁ হয়ে গেলাম বিশ্বসাহিত্যের ছায়ায় মায়ায় বইয়ের তাকের বৈভবে।

এরপর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে গিয়েছি মোজাম্মেল বাবু ভাইয়ের গাড়িতে চড়ে। সঙ্গে ছিল কবি তারিক সুজাত। আমরা লাল ভবনটার দিকে ঝরা পাতা মোড়ানো পথ বেয়ে হেঁটে চলেছি, তখন দেখি ভবন থেকে বেরিয়ে আসছেন লুৎফর রহমান রিটন। আমি নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছি না। এই সেই বিখ্যাত ছড়াকার লুৎফর রহমান রিটন! তাঁর ছড়া ‘আনন্দবিচিত্রা’য় ছাপা হয়। তারকাদের ভবিষ্যৎ চেহারা কেমন হবে, তাই হলো ছড়ার বিষয়। সঙ্গে থাকে তারকার শিল্পীকল্পিত বৃদ্ধ বয়সের ছবি। মনে হয় ছবিটা আঁকতেন মাসুক হেলাল।

তারিক সুজাত ও মোজাম্মেল বাবু ভাই রিটন ভাইকে চেনেন। তাঁর সঙ্গে হেসে হেসে কুশল বিনিময় করলেন।

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদকে তখনো চোখে দেখিনি। কেবল তাঁর কথা শুনেছি টেলিভিশনে। চেহারাও দেখেছি, টেলিভিশনে। তিনি ঈদের আনন্দমেলায় হাজির হলেন। রিকশায় নারী–পুরুষ একসঙ্গে চড়েছেন, এদের মধ্যকার সম্পর্ক কীভাবে বুঝবেন‍! সেই সব কথা শুনে বাংলাদেশ হেসে ওঠে, আবার মজাও পায়।

দিন যায়। আমি তত দিনে ‘ভোরের কাগজ’–এ যোগ দিয়েছি। আমার কলাম ‘গদ্যকার্টুন’ ওই পত্রিকায় নিয়মিত বের হয়। আমাদের অফিসও চলে এসেছে বাংলামোটরে।
একদিন শুনি, আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার আমাকে দেখতে চান।

আরেক দিন দেখি, আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার ‘ভোরের কাগজ’–এ চলে এসেছেন। বললেন, ‘আনিসুল হক কে? ওকে ডাকো।’

default-image

আমি মীন রাশির জাতক, মিন মিন করতে করতে স্যারের সামনে গিয়ে হাজির হলাম।
স্যার বললেন, ‘আমি তোমার লেখা পড়ি। তুমি তো খুব ভালো লেখো। আমার তো মাঝেমধ্যে মনে হয়, তুমি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ রম্যরচনার লেখক।’

প্রিয় পাঠক, আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের এই কথায় কিছু মনে করবেন না। স্যার এ রকমই। তরুণদের উৎসাহিত করতে ভালোবাসেন। উৎসাহিত করতে হলে ‘তবে–কিন্তু’—এসব দিয়ে কথা বলতে হয় না। একটা তরুণের মধ্যে যদি আপনি সম্ভাবনা দেখেন, তাহলে মুক্তকণ্ঠে তাঁর সেই সম্ভাবনার প্রশংসা করতে পারলেই কেবল সে উৎসাহিত হবে।

আমি মনে করি, স্যার বোঝাতে চাননি যে আমি একজন শ্রেষ্ঠ রম্যলেখক। স্যার আসলে বলতে চেয়েছিলেন, ‘তুমি লেখো। লেখা থামিও না।’
আমি মনে করি, স্যার আমার গাড়ির চাবিটাতে সেই যে দম দিয়ে দিলেন, অমনি গাড়িটা চলতে শুরু করল। আজও যে আমি চলি, তার কারণ ১৯৯১ সালের দিকে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের এই একটা কথা।

স্যার আমাকে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে দাওয়াত দিলেন। ভাত খাওয়ার দাওয়াত। সেখানে আসাদুজ্জামান নূর উপস্থিত ছিলেন। মতিউর রহমানসহ আরও দু–তিনজন ছিলেন।
আমি তখন রম্যলেখক হতে চাই না। আমি হতে চাই কবি। আমার কবিতার বই বেরিয়েছে ‘খোলা চিঠি সুন্দরের কাছে’। কাজেই আমি স্যারের হাতে আমার কবিতার বই তুলে দিলাম।

এরপর আমার বই বেরোল ‘ফাঁদ’। বইটা আমি আবদুল্লাহ আবু সায়ীদকে উৎসর্গ করলাম। উৎসর্গপত্রে লেখা থাকল, অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, একটা সামান্য বই, একজন অসামান্য মানুষকে।

স্যার আমার কবিতার প্রশংসা করলেন। আমি বললাম, ‘স্যার, একটা আলোচনা লিখে দেন।’ তিনি আমাকে নিয়ে একটা প্রবন্ধ লিখলেন। নাম—আনিসুল হকের কবিতা। তাতে তিনি বলেছিলেন, আনিসুল হকের স্বাভাবিক প্রবণতা ও প্রতিভা রম্যরচনায়। ‘ফাঁদ’ও চমৎকার উপন্যাস। কিন্তু তার ভালোবাসার জিনিস হলো কবিতা। স্যারের লেখা বইয়ে এই প্রবন্ধটা স্থান পেয়েছে।

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের প্রকৃত মূল্যায়ন আমাদের দেশে হয়নি। কারণ, স্যার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন। ‘কণ্ঠস্বর’ পত্রিকার মধ্য দিয়ে তিনি বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত ষাটের দশকের কণ্ঠস্বর ধারণ করেছেন। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে তিনি প্রতিবছর প্রায় ৩০ লাখ কিশোর–তরুণের কাছে বাছাই করা বই পৌঁছে দিচ্ছেন। আবার তিনি একজন একনিষ্ঠ সাহিত্যিক। গল্প, কবিতা, নাটক, স্মৃতিকথা, প্রবন্ধ—সব মিলিয়ে তাঁর বইয়ের সংখ্যা সুপ্রচুর।

আমার সঙ্গে স্যারের খাতির হয়ে গেল।
স্যার তখন একটা স্টেশন ওয়াগন গাড়ি চালাতেন। আমি আর সাজ্জাদ শরিফ ভাই একদিন স্যারের গাড়িতে উঠেছি। স্যার আমাদের পান্থপথের লা বামবা কাবাবে নিয়ে গেলেন। কাবাব খাওয়ালেন।

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ আমার লেখার প্রশংসা করেন মানে এই নয় যে তিনি সমালোচনা করেন না। পথ দেখিয়ে দেন না। ‘ফাঁদ’ পড়ে তিনি বলেছিলেন, ‘আনিস, তোমার বইটা ভালো, কিন্তু তুমি লিখেছ বইয়ে পড়া অভিজ্ঞতা। উপন্যাসে তোমাকে লিখতে হবে জীবনের অভিজ্ঞতা।’

আমি মনে করি, স্যারের এই উপদেশ একেবারেই যথার্থ। উপন্যাসে আসলে জীবনের অভিজ্ঞতাই লিখতে হয়। আমাদের মধ্যে কেউ কেউ এখন দেশি–বিদেশি বই পড়ে অর্জিত জ্ঞানের ভান্ডার উপন্যাসে ঠেসে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। কথায় কথায় বিখ্যাত উপন্যাসের চরিত্রের রেফারেন্স দিচ্ছেন তাঁর উপন্যাসে। এর দরকার নেই।

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’য় শশী ডাক্তার একজন আউটসাইডার। আলবেয়ার কামুর ‘আউটসাউডার’–এর মতো। কিন্তু মানিক এটা লিখেছেন আলবেয়ার কামুর অন্তত এক যুগ আগে।

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ সম্পর্কে আমি একটা লেখা লিখেছিলাম। ‘এক লক্ষ আলো হাতে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ’। তিনি হলেন সেই পুরোনো দিনের বাতিওয়ালা, যিনি আলোকস্তম্ভের কাছে গিয়ে আলো জ্বালান রোজ সন্ধ্যায়।

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের প্রকৃত মূল্যায়ন আমাদের দেশে হয়নি। কারণ, স্যার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন। ‘কণ্ঠস্বর’ পত্রিকার মধ্য দিয়ে তিনি বাংলাসাহিত্যের বিখ্যাত ষাটের দশকের কণ্ঠস্বর ধারণ করেছেন। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে তিনি প্রতিবছর প্রায় ৩০ লাখ কিশোর–তরুণের কাছে বাছাই করা বই পৌঁছে দিচ্ছেন। আবার তিনি একজন একনিষ্ঠ সাহিত্যিক। গল্প, কবিতা, নাটক, স্মৃতিকথা, প্রবন্ধ—সব মিলিয়ে তাঁর বইয়ের সংখ্যা সুপ্রচুর। তিনি যদি শুধু কবিতা লিখতেন, আমরা বলতাম, তিনি কবি। শুধু গল্প লিখলে হতেন গল্পকার। শুধু সাহিত্য করলে হতেন সাহিত্যিক। শুধু উপস্থাপনা করলে হতেন উপস্থাপক। শুধু বক্তৃতা করলে হতেন বক্তা। শুধু ‘কণ্ঠস্বর’ করলে হতেন সম্পাদক। শুধু সংগঠন করলে হতেন সংগঠক। শুধু পরিবেশ আন্দোলন করলে হতেন পরিবেশ আন্দোলনের নেতা। কিন্তু তিনি বহু কিছু করলেন। সব কটিতেই তাঁর সাফল্য চূড়া ছুঁল। দেশের মানুষ তাঁর পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তিতে ভোগে। ফলে তাঁকে মূল্যায়ন করে উঠতে পারে না। এত খ্যাতি, এত ভালোবাসা, এত সাফল্য নিয়ে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ একা।

default-image

বছর তিনেক আগে এক ঈদের দিনে স্যার আমাকে ফোন করলেন, ‘আনিস, কী করো?’
কিছু না স্যার। বাসায় বসে আছি।

স্যার বললেন, ‘একা একা বাসায় বসে আছি। কোথাও যাওয়ার জায়গা নাই।’
আমি বললাম, ‘আপনি থাকেন। আমি আপনাকে আমার বাসায় নিয়ে আসি।’
স্যারকে বাসায় আনলাম। আর কেউ না। আমি, স্যার আর মেরিনা। আমরা অনেক গল্প করলাম। স্যার বললেন, ‘বুঝলে, আমার যাওয়ার কোনো জায়গা নাই। তোমার বাসায় এসে ভালো লাগল।’

‘আমারও যাওয়ার কোনো জায়গা নাই। আমরা এই দুনিয়ায় মিসফিট। খাপ খাওয়াতে পারি না।’ আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারকে নিয়ে এই কথা যদি আমি বলি, সবাই প্রতিবাদ করবেন। আমাকে নিয়ে বললেও হয়তো করবেন।

কিন্তু ভেতরে ভেতরে এটাই সত্য। ‘কারুবাসনা’ উপন্যাসে জীবনানন্দ দাশ বলেছিলেন, ‘কারুবাসনা আমাকে নষ্ট করে দিয়েছে। সব সময়ই শিল্প সৃষ্টি করবার আগ্রহ, তৃষ্ণা, পৃথিবীর সমস্ত সুখ দুঃখ, লালসা, কলরব, আড়ম্বরের ভেতর কল্পনা ও স্বপ্নচিন্তার দুশ্ছেদ্য অঙ্কুরের বোঝা বুকে বহন করে বেড়াবার জন্মগত পাপ। কারুকর্মীর এই জন্মগত অভিশাপ আমার সামাজিক সফলতা নষ্ট করে দিয়েছে। আমার সংসারকে ভরে দিয়েছে ছাই-কালি-ধূলির শূন্যতায়। যে উদ্যম ও আকাঙ্ক্ষার নিঃসংকোচ সাংসারিকতা ও স্বাভাবিকতা স্বরাজ পার্টি গঠন করতে পারত, কিংবা কংগ্রেস, অথবা একটা মোটর কার, কিংবা একটা নামজাদা বই বা চায়ের দোকান অথবা একজন অক্লান্ত কর্মী চেয়ারম্যানকে তৈরি করতে পারে, অসীম অধ্যবসায়ী উকিলকে কিংবা সচ্চরিত্র হেডমাস্টারকে, মুচিকে, মিস্ত্রিকে—সেই আকাঙ্ক্ষা–উদ্যম নেই আমার।’
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের ভেতরের কারুবাসনা আমি বোধ হয় খানিকটা উপলব্ধি করতে পারি এবং এ বিষয়ে যে ব্যর্থতাবোধ শিল্পীমাত্রেরই ভেতর কাজ করে, সেটাও স্যারের মধ্যে কাজ করে। মিরোস্লাব হোলুবের কবিতায় আছে—শিল্পী হওয়া মানেই ব্যর্থ হওয়া এবং শিল্পমাত্রই ব্যর্থতার বশংবদ। যেমনটা বলেছেন স্যামুয়েল বেকেটও—কবিতা তবু মানুষের শেষ কাজগুলোর নয়, প্রথম কাজগুলোর একটা।
আপনি যদি শিল্পী হন, আপনি ব্যর্থ হবেন। আপনি যদি ব্যর্থ হন, আপনার দ্বারা শিল্প হবে।

default-image

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের একটা কথা আমার ভীষণ মনে ধরেছে। শাহরিয়ার নাজিম জয়ের ইউটিউব ভিডিওতে স্যার বলেছেন, পুরুষের চোখে থাকে রূপতৃষ্ণা।

আমি ভেবে দেখলাম, কতটা কত সত্য! রূপ দেখলে পুরুষ চন্দ্রগ্রস্ত হয়ে যায়। কবি আল মাহমুদের ‘কবিতাসমগ্র’–এর প্রথম সংস্করণের ভূমিকায় আল মাহমুদ লিখেছিলেন, একজন পুরুষ কবির চোখে নারীর চেয়ে সুন্দর আর কিছু হতে পারে না। কবি সারাটা জীবন সেই সৌন্দর্য ধারণ করবার উপযোগী উপমা খুঁজে ফেরেন।

এই যে কথাগুলো বলছি, এগুলো বিশ শতকের ষাট দশকে আধুনিক কথা বলে বিবেচিত হতে পারত। তবে একুশ শতকের বাইশ সালে এসে এসব কথা ‘পলিটিক্যালি ইনকারেক্ট’ বলে বিবেচিত হয়। ফলে এ ধরনের কথা বলা বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার উনিশ শ আশির দশকে টেলিভিশনে বলেছিলেন, পরের জন্মে তিনি সুন্দর নারী হয়ে জন্মাতে চান। একজন সুন্দর নারী তার ছোট্ট সুন্দর পা দুটো ফেলে কত পুরুষের বুকের ওপর দিয়ে গটগট করে হেঁটে যায়!

এ কথা বললে এখন তির থেকে মাথা বাঁচাতে হেলমেটও যথেষ্ট বলে বিবেচিত হবে না।
তবে স্যারের এই গল্পটা কিন্তু সব সময়ই কৌতুক হিসেবে বলা যায়। এক সুন্দরী মেয়ের প্রেমে এক যুবক কাতর। মেয়েটার বিয়ে হয়ে গেল অন্য আরেকজনের সঙ্গে। তখন বিরহকাতর যুবককে সান্ত্বনা দিয়ে একজন বলল, ‘তুমি দুঃখ কোরো না ভাই, তু্মি ওই মেয়েকে পাওনি, তাতে কী। তোমার কোনো পুরুষ ভাই তো পেয়েছে!’

মেরিল–প্রথম আলোর অনুষ্ঠানে পুরস্কার পাওয়া না পাওয়া নিয়ে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার এই গল্প করেছিলেন। এই গল্প যতবার আমি মনে করি, ততবার হেসে উঠি। কত বড় সান্ত্বনার কথা, আমি পাইনি আমার কাম্য নারীকে, আমারই কোনো এক পুরুষ ভাই তো পেয়েছে!
(চলবে)

মুক্ত গদ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন