বিজ্ঞাপন

সংসদীয় ভারতের ইতিহাসে নরেন্দ্র মোদি চতুর্থ প্রধানমন্ত্রী, যিনি সপ্তম বছর অতিক্রম করে অষ্টমে পা দিচ্ছেন। কিন্তু কোনো এক অজ্ঞাত কারণে ক্ষমতাভোগের ছয়-সাত বছরের মাথায় মূর্তিমান বিপদ সেজে হাজির হয় কোনো না কোনো সংকট। জওহরলাল নেহরুকে প্রথম রাজনৈতিক ঝড়ের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল কেরালার নির্বাচিত কমিউনিস্ট সরকার, ১৯৫৯ সালে। প্রধানমন্ত্রিত্বের সাত বছরের মাথায় সেই সরকারকে বরখাস্ত করেছিলেন নেহরু। তার পর থেকে সংকটের অবিরাম আনাগোনা, যার মোক্ষম ধাক্কাটি এসেছিল ১৯৬২ সালে হিমালয়ের ওপার থেকে। দুর্নীতিসহ নানা কারণে মনমোহন সিংকে বিব্রত হতে হয়েছিল ২০১১ সালে। সেটাও ছিল তাঁর ক্ষমতার সপ্তম বছর। সেই ধাক্কায় ক্রমেই ঘনিয়ে এসেছিল সরকারের অন্তিম দিন। ইন্দিরা গান্ধীর নিয়তি হামাগুড়ি দিয়ে এগিয়েছিল খানিক আগেই। ১৯৭১-এর জয় সত্ত্বেও তিন বছর পরের জরুরি অবস্থা জারি সপ্তম বছরে তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করে। কী আশ্চর্য, নরেন্দ্র মোদিকেও থমকে দিয়েছে সেই সপ্তম বছর! এটা ভারতের রাজনৈতিক নিয়তি কি না কে বলবে?

নিরুচ্চার বর্ষপূর্তি

এই প্রথম প্রায় নিঃসাড়ে ও নিরুচ্চারে কটাক্ষপূর্ণ বর্ষপূর্তি উদ্যাপন করতে চলেছে মোদি সরকার। কোভিড যদি তার বড় কারণ হয়, দ্বিতীয় কারণ দেশব্যাপী অশান্তি, অসন্তোষ ও জনবিক্ষোভ। কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পাক্ষিক মুখপত্র নিউ ইন্ডিয়া সমাচার-এ সাত বছরের সাফল্যের খতিয়ানের মূল নির্যাস ‘নতুন ভারতের উত্থান’ ও ‘নতুন ভারতের নির্মাণ’ বলে চিত্রায়িত। বিস্ময় এটাই, সাফল্যের খতিয়ানে জ্বলজ্বল করছে বিজেপির ‘কোর অ্যাজেন্ডা’। যেমন ‘৪৯২ বছরের প্রতীক্ষার’ অবসান ঘটিয়ে অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণ। ৭৩ বছর পর সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে জম্মু-কাশ্মীরকে ‘ভারতের’ সঙ্গে জোড়া। তিন তালাক নিষিদ্ধ আইন প্রণয়ন।

শিখধর্মাবলম্বীদের পাকিস্তানের নানকানা সাহেব এলাকায় যাওয়ার জন্য কারতারপুর ও হিন্দুদের জন্য কাশী বিশ্বনাথ করিডর তৈরি। নতুন সাজে কেদারনাথকে সাজিয়ে তোলা এবং অবশ্যই নাগরিকত্ব সংশোধন আইন। পরবর্তী লক্ষ্যও স্থির, যা কিনা দেশকে এক সুতোয় গাঁথবে, যাতে ‘এক দেশ, এক বিধান, এক নিশান’-এর সঙ্গে ‘এক দল, এক নেতা’ তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা পায়।

সেই ফিরিস্তিও বেশ লম্বা। যেমন ‘এক দেশ, এক বাজার’, ‘এক দেশ, এক রেশন কার্ড’, ‘এক দেশ, এক বিদ্যুৎ গ্রিড’, ‘এক দেশ, এক গ্যাস গ্রিড’, ‘এক দেশ, এক স্বাস্থ্য পরিষেবা’, ‘এক দেশ, এক পরীক্ষা ব্যবস্থা’, ‘এক দেশ, এক কর’ (ইতিমধ্যেই চালু এবং বিতর্কিত)। মোদি সরকারের কাছে এই সাতটা বছর ‘আত্মনির্ভর ভারতের আয়না’, যার অন্যতম প্রধান নমুনা নতুন সংসদ ভবনের নির্মাণ।

তবু দুশ্চিন্তায় মোদি

সাফল্যের এই সাতকাহন সত্ত্বেও সপ্তম বর্ষপূর্তির সন্ধিক্ষণে প্রধানমন্ত্রী দুশ্চিন্তায়। তার ছাপ তাঁর শরীরী ভাষায় স্পষ্ট। দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হওয়ার কারণ একাধিক। বিশ্বাসে তাঁর চিড় ধরেছে। অন্ধ আনুগত্যে বিশ্বাসীরাও প্রশ্ন তুলছেন। দ্বিতীয় কারণ, আন্তর্জাতিক বিশ্বে পদস্খলন। এত দিন যেসব দেশ ও সংবাদপত্র বৈশ্বিক নেতা হিসেবে মোদির ভাবমূর্তি তৈরিতে সহায়ক ছিল, তাদেরই সমালোচনায় আজ তিনি বিদ্ধ। যুক্তরাষ্ট্রের ডেটা ইন্টেলিজেন্স সংস্থা মর্নিং কনসাল্ট গত ২৭ এপ্রিল জানিয়েছে, এই মুহূর্তে মোদির জনপ্রিয়তা ৩৯ শতাংশ, যা ৯ মাস আগে ছিল ৪৬ শতাংশ! প্রায় একই হিসাব দেশি জনমত সমীক্ষা সংস্থা ‘সি ভোটার’-এর। ১১টি ভাষাভাষীর মানুষের অভিমত জেনে তারা বলেছে, এখন মাত্র ৪০ শতাংশ জনতা মোদির কাজে ‘খুব সন্তুষ্ট’, যা এক বছর আগে ছিল ৬৪ শতাংশ। উল্টো দিকে ‘একেবারেই সন্তুষ্ট নন’, এমন মানুষের সংখ্যা ১৫ থেকে বেড়ে হয়েছে ৩২ শতাংশ। মাঝখানের মানুষজনদের অবস্থান দ্রুত বদলাচ্ছে।

জনপ্রিয়তায় আচমকা এই ভাটার প্রধান কারণ কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে ‘ব্যর্থতা ও প্রতিশ্রুতিভঙ্গ’। সবাইকে বিনা মূল্যে টিকা দেওয়ার কথা বলে প্রধানমন্ত্রীর সরে আসা গরিবদের ক্ষুব্ধ করেছে। কৃষক ক্ষোভ প্রশমন ও মূল্যবৃদ্ধি রোধ করতে না পারার ব্যর্থতাও বড় হয়ে উঠেছে। কর্মসংস্থানের সংকোচন সৃষ্টি করেছে সার্বিক অনিশ্চয়তা। ‘সেন্ট্রাল ভিস্তার’ মতো অনাবশ্যক ক্ষেত্রে অর্থ খরচ থেকেও সরকার পিছিয়ে আসেনি। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে শুরু হয়ে যে রাস্তা ইন্ডিয়া গেট পর্যন্ত চলে গিয়েছে, তার দুধারে অবকাঠামো নির্মাণ সেন্ট্রাল ভিস্তা বলে পরিচিত। ২০ হাজার কোটি রুপির এই প্রকল্পেরই অংশ নতুন সংসদ ভবন নির্মাণ। বিরোধীদের বিন্দুমাত্র গুরুত্ব না দেওয়া, শ্রমিকদের কষ্ট লাঘবে সচেষ্ট না হওয়ার সমালোচনায় তাঁকে বিদ্ধ হতে হচ্ছে। মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ফল। ধাক্কা এতই প্রবল যে শুনতে হচ্ছে ‘সরকার যেন স্থবির ও জড়ভরতের প্রতিমূর্তি’। সাড়ে ছয় বছরের দর্প ও অহংকার নিমেষে যেন চূর্ণ হওয়ার মুখোমুখি!

অর্থনীতির অধোগমন

এই সময় আশা জাগাতে পারত অর্থনীতি। কিন্তু ২০১৬ সাল থেকে যে নিম্নগামিতার শুরু, সেই গতিমুখ প্রধানমন্ত্রী বদলাতে পারেননি।বিশ্বব্যাংকের সাবেক অর্থনীতিবিদ কৌশিক বসু পরিসংখ্যান দিয়ে দেখিয়েছেন, এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আর্থিক প্রবৃদ্ধির হারে ভারত নিচের সারিতে। প্রতি ১০ লাখের মধ্যে মৃত্যুর হারও ভারতে সবচেয়ে বেশি। আইএমএফের হিসাব দেখাচ্ছে, মাথাপিছু আয়ে ভারতের আগে বাংলাদেশ। বিশ্বে ভারতের স্থান ১৪৮তম! কোভিডের অভিঘাতে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে লাগামহীন। সামাল দেওয়ার কোনো উপায়ের খোঁজ প্রধানমন্ত্রী দিতে পারেননি। রিজার্ভ ব্যাংকের ইঙ্গিত, চলতি আর্থিক বছরেও মূল্যবৃদ্ধির হার ৫ শতাংশের নিচে নামার সম্ভাবনা ক্ষীণ। মোদির সাত বছরের শাসনকালে মূল্যবৃদ্ধির হার এবারই প্রথম ৬ শতাংশ পেরিয়েছে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে অর্থনীতির হাল ফেরাতে দরিদ্রদের হাতে টাকা দেওয়ার সুপারিশ না মেনে মোদি বাজেটে বিনিয়োগের যে সিদ্ধান্ত নিলেন, তাতে বাজারের চাহিদা যে বাড়বে না, সে কথা অর্থনীতিবিদেরা তখনই জানিয়েছিলেন। খাদ্য ও জ্বালানির দাম যত বাড়ছে, তত গভীর হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর কপালের ভাঁজ।

# সংসদীয় ভারতের ইতিহাসে নরেন্দ্র মোদি চতুর্থ প্রধানমন্ত্রী, যিনি সপ্তম বছর পার করছেন।
# ‘৪৯২ বছরের প্রতীক্ষার’ অবসান ঘটিয়ে অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণ।
# ৭৩ বছর পর সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে জম্মু-কাশ্মীরকে ‘ভারতের’ সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
# নাগরিকত্ব সংশোধন আইন।
# যুক্তরাষ্ট্রের ডেটা ইন্টেলিজেন্স সংস্থা মর্নিং কনসাল্টের তথ্য: এখন মোদির জনপ্রিয়তা ৩৯ শতাংশ, যা ৯ মাস আগে ছিল ৪৬ শতাংশ।
# ভারতীয় জনমত সমীক্ষা সংস্থা ‘সি ভোটার’ বলছে, এখন মাত্র ৪০ শতাংশ মানুষ মোদির কাজে ‘খুব সন্তুষ্ট’, যা এক বছর আগে ছিল ৬৪ শতাংশ।
# ‘একেবারেই সন্তুষ্ট নন’, এমন মানুষের সংখ্যা ১৫ থেকে বেড়ে হয়েছে ৩২ শতাংশ।

এত দিন ধরে অনুগত যারা প্রধানমন্ত্রীর হয়ে স্বর চড়িয়েছে, আচমকা তারাও স্তিমিত। বিরোধীরা যাদের ‘গোদি মিডিয়া’ বলে আখ্যায়িত করেছে, সর্বাত্মক এই অধোগমনে তারাও থমকে। যে সামাজিক মাধ্যম ছিল মোদি সরকারের হাতিয়ার, জনমত বিরুদ্ধে দেখে তারাও সচকিত। জনপ্রিয়তা কীভাবে হ্রাস পেয়েছে, তার প্রমাণ ‘মন কি বাত’সহ জাতির প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন ভাষণে অপছন্দের সংখ্যা। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে ইউটিউবে ‘মন কি বাত’ পছন্দ করেছিলেন ৭৯ হাজার জন, অপছন্দের সংখ্যা ছিল ১০ লাখ! প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে ৩৯ হাজার পছন্দের তুলনায় অপছন্দ ৮৫ হাজার। গত এপ্রিল মাসের সর্বশেষ ‘মন কি বাত’-এর শ্রোতা ছিল মাত্র ৫৫ হাজার! পছন্দ করেছেন ১ হাজার জন, অপছন্দ ৭ হাজার ২০০! এত বছর যে কথা কোনো মুখ্যমন্ত্রী বলতে সাহস করেননি, ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন ও পশ্চিমবঙ্গের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ তা প্রকাশ্যে জানাতে দ্বিধা করছেন না। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের চোখে ‘স্বৈরতন্ত্রী’! মোদির ‘বাক্রুদ্ধতা’ চিত্রিত হচ্ছে ‘কুম্ভীরাশ্রু’ বা ‘নৌটঙ্কি’ বলে। তীব্র কটাক্ষে রাহুল গান্ধী বলছেন, ‘কুমিরেরা নির্দোষ’!

বিশ্বাসে ঘাটতি, স্লোগানের রকমফের

দুর্নীতি দূর করে ‘আচ্ছে দিন’ আনার স্বপ্ন দেখিয়ে মোদি ক্ষমতায় এসেছিলেন। সাত বছর পর আজ সেই স্বপ্ন মরীচিকার মতো দূরেই সরে যায়নি, আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে হতাশারও জন্ম দিয়েছে। স্লোগান যত অধরা থেকেছে, ততই জন্ম হয়েছে নতুন নতুন স্লোগানের। ২০১৬ সালে নোট বাতিলের সময় মানুষ বিশ্বাস করেছিল, কালোটাকার উদ্ধার ধনীদের শায়েস্তা করবে। সেই বছর সারা দেশে ১০০টা স্মার্ট সিটি তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। আজও তা প্রস্তাবই রয়ে গেছে। নোট বাতিলের ধাক্কা সামলানোর আগেই চালু করে দেওয়া হয় অভিন্ন পণ্য ও পরিষেবা কর বা জিএসটি। ২০১৭ সালে আবার নতুন স্লোগান দিলেন মোদি ‘নতুন ভারত’ গড়ে কৃষকের আয় দ্বিগুণ করার। সেই কৃষককুল আজ আন্দোলনে। ২০১৯-এর ভোটের আগে ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’-এর সঙ্গে জোড়া হয় ‘সবকা বিশ্বাস’। কেননা, গোরক্ষা আন্দোলন তত দিনে মুসলমান বিরোধিতার মাত্রাছাড়া রূপ নিয়েছে। দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হয়ে আগের লক্ষ্য পূরণ না করে মোদি নতুন প্রতিশ্রুতি দিলেন। ‘আত্মনির্ভর ভারত’ ও ‘৫ ট্রিলিয়ন অর্থনীতি’র। আত্মনির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠল সাধারণের সঙ্গে সম্পর্কহীন ‘সেন্ট্রাল ভিস্তা’। করোনাকালে সাত বছর পূর্তিতে হিসাবের খাতা খুলে জনতা এখন এটাই দেখছে, বিনা মূল্যে টিকা পাওয়া তো দূরের কথা, চিকিৎসাহীনতার কথা বললেও বিজেপি রাজ্যে প্রতিবাদীকে কারাগারে নিক্ষিপ্ত হতে হচ্ছে। গত ভোটে মোদির ‘জুমলা’ বা ভাঁওতার প্রচার আজ ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। কিল খেয়ে কিল হজমে বাধ্য হচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর দোসর অমিত শাহ। সপ্তম বর্ষপূর্তিতে দুজনেই তাই মৌন।

শেষ কথা বলার সময় এখনো আসেনি

সপ্তম বর্ষপূর্তি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে নিশ্চিতই বসন্তের সমীরণ নয়। বরং চৈত্রের দারুণ দাহনবেলা। কিন্তু তাঁর শাসনের শেষ অঙ্ক যে আগতপ্রায়, নিশ্চিতভাবে সে কথা বলার সময় এখনো আসেনি। আগামী বছরের গোড়ায় উত্তর প্রদেশের ভোটের ফল তার ইঙ্গিতবাহী হতে পারে। একই সময় ভোট পাঞ্জাব, উত্তরাখন্ড, গোয়া ও মণিপুরে। বছরের শেষে ভোট গুজরাট ও হিমাচল প্রদেশে। কোভিড মোকাবিলায় সার্বিক ব্যর্থতার যে ছবি প্রতিদিন আঁকা হচ্ছে, যে অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ হচ্ছে গ্রামীণ ভারত, তা অব্যাহত থাকলে সাফাই গাওয়ার মতো কিছু পাওয়া মোদির পক্ষে কঠিন।
কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি নরেন্দ্র মোদি। লোকসভা ভোটেরও বাকি পাক্কা তিনটি বছর। তা ছাড়া বিপ্রতীপে গ্রহণযোগ্য বিরোধী মুখ এখনো অমিল। যার অভাবে পশ্চিমবঙ্গে তাঁর দল মুখ থুবড়ে পড়েছে, মুখহীনতার সেই কারণ লোকসভা ভোটে বিবেচিত হলে কে বলতে পারে জয়ের হ্যাটট্রিক করে রাষ্ট্রপতি ভবন চত্বরে নির্মিত প্রধানমন্ত্রীর নতুন নিবাসে নরেন্দ্র মোদি উঠে যাবেন না?

মতামত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন