অনলাইনে প্রথম আলো (prothom-alo.com) নিয়মিত পড়া হয় ২১০টি​ দেশ ও অঞ্চল থেকে। পড়ার পাশাপাশি পাঠকেরা প্রতিদিন রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, খেলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতামত দেন। গত কয়েক দিনে মতামত ও সংবাদের প্রতিক্রিয়ায় করা বাছাই কিছু মন্তব্য প্রকাশিত হলো

স্থিতিশীলতাচায়জাতিসংঘ

১৩ ফেব্রুয়ারি

মত

জাতিসংঘের উচিত খুবই দ্রুত সরকার, সরকারবিরোধী ও নিরপেক্ষ নাগরিক—এই তিনটি পক্ষ থেকে তিনটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনা করে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং সে সিদ্ধান্তকে সরকারের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

নির্বাচনপদ্ধতি নিয়ে সর্বসম্মত ফর্মুলা দরকার‍—আলোচনা মধ্যস্থতা যিনিই করুন না কেন। যেহেতু তত্ত্বাবধায়ক সরকারপদ্ধতিতে ফিরে যাওয়া সম্ভব নয়, তাই তত্ত্বাবধায়ক নির্বাচন কমিশনের কথা ভাবা যেতে পারে। এতে দুই পক্ষই উইন উইন সিচুয়েশনে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

দেশে নির্বাচনের কোনো দরকার নেই আপাতত, শুধু দরকার একজোট হয়ে বিএনপি–জামায়াতের খপ্পর থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য অভিযান চালানো। তারা ​দেশের ভালো চায় না। এভাবে কোনো দেশ চলতে পারে না ।

যুবায়ের তানিম

দ্বিমত

হয়েছেটা কী আমাদের? আমাদের নির্বাচন করার জন্য ‘তত্ত্বাবধায়ক’ প্রয়োজন, আমাদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকট সমাধান করার জন্য আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতা বা তত্ত্বাবধান প্রয়োজন। আসলে কি আমরা স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত ছিলাম?

এম জে হক

তারানকোর আগমন কিংবা আলোচনার দাবি বিএনপির মানুষ পোড়ানোর আন্দোলনকেই উৎসাহিত করবে। ৩৫ দিন দেশকে অচল করে রাখা কিংবা পঞ্চাশাধিক মানুষ পোড়ানো—এর কোনোটিই আলোচনা শুরুর গ্রাউন্ডওয়ার্ক হতে পারে না।

সোলায়মান

দুই নেত্রীর প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, তাঁরা কেউ কাউকে মানবেন না। সবচেয়ে ভালো হবে যদি জাতিসংঘের হস্তক্ষেপে (যা আমাদের জন্য লজ্জার) একাদশ নির্বাচনটা করা। তবে আওয়ামী লীগ মনে হয় এতে রাজি হবে না। 

ফাহাদ আলম

অন্যমত

মোগল আমলে আমাদের বাংলা অঞ্চলকে ‘বুলঘাখানা’ বা ‘চির অশান্তির দেশ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হতো। যুগে যুগে কালে কালে কত অসভ্য বর্বর জাতি সভ্যতা অর্জন করল, কিন্তু আমরা অতীতের সেই ঘূর্ণাবর্তেই পড়ে রইলাম। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশের দূতাবাস আমাদের দেশের রাজনৈতিক হানাহানির বিষয়ে মধ্যস্থতা করা বা মতামত প্রকাশ করার মধ্য দিয়ে সেটা আবারও প্রমাণ করে দিল। আমাদের দেশের শীর্ষ রাজনীতিবিদদের একগুঁয়েমি, অন্য রাজনীতিবিদদের মেরুদণ্ডহীনতা তথা মোসাহেবিপনা, ক্ষমতার লোভ, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করার মানসিকতা আর অদূরদর্শিতার ফলে অতীতের মতোই আমরা আন্তর্জাতিকভাবে একটা ঝগড়াটে জাতি হিসেবে নতুন করে পরিচিতি পাচ্ছি, যা দুর্ভাগ্যজনক। দেশের সুশীল সমাজ যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তাতে বিবদমান/সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমর্থন করার ও প্রয়োজনমাফিক অংশ নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। আমরা আমজনতা আশা করছি, এ উদ্যোগের মাধ্যমেই হয়তো আমরা বুলঘাখানার অপবাদ থেকে চিরদিনের জন্য মুক্তি পাব। 

মাহতাব হোসেন

অনলাইন পাঠক মন্তব্য: মত   দ্বিমত   অন্য মত: অনলাইনে প্রথম আলো (prothom-alo.com) নিয়মিত পড়া হয় ২১০টি​ দেশ ও অঞ্চল থেকে। পড়ার পাশাপাশি পাঠকেরা প্রতিদিন রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, খেলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতামত দেন। গত কয়েক দিনে মতামত ও সংবাদের প্রতিক্রিয়ায় করা বাছাই কিছু মন্তব্য প্রকাশিত হলো

টকশোতেউসকানিদাতাদেরওদেখব: প্রধানমন্ত্রী

১৩ ফেব্রুয়ারি

মত

এখন গণতন্ত্র নেই? যখন দেশে এক দিনে ৫০০ জায়গায় বোমাবাজি হয়েছিল, তখন গণতন্ত্র ছিল? যখন বোমা মেরে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীসহ তাঁর দলকে নির্মূল করতে চেয়েছিল, তখন গণতন্ত্র ছিল? ’৯৬ সালে যখন ভুয়া নির্বাচন করে গদি দখলে নিয়েছিল, তখন গণতন্ত্র ছিল? ২০০৬-এ যখন দুই বছর গদি নিয়ে টালবাহানা চলছিল, তখন গণতন্ত্র ছিল? যখন ওয়ান-ইলেভেন হয়েছিল, তখন গণতন্ত্র ছিল? যখন বাংলা ভাই ঘোড়া দাবড়িয়েছিল, তখন গণতন্ত্র ছিল? যখন জজ মিয়া নাটক চলছিল, তখন গণতন্ত্র ছিল?

মাহবুব

আপনাদের গায়ে এত ছেঁকা লাগছে কেন? উনি তো কেবল উসকানিদাতাদের বিরুদ্ধে বলেছেন, গঠনমূলক আলোচনাকারীদের উদ্দেশে কিছু বলেননি। এই উসকানিদাতাদের একটা বেমক্কা কথায় দেশে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে, যার বলি হতে পারেন আপনিও। তখন তো আপনার নিরাপত্তার দায় সরকারের ওপর চাপাবেন! তাই এসব দ্বিচারী ভূমিকা পরিত্যাগ করুন।

ইমতিয়াজ কবির

দ্বিমত

তখনো সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করেছিল এবং যারা এসব করেছিল, তাদের ত্যাগ করেছিল। তখনকার ঘটনার প্রতিবাদ করুন, কিন্তু তার মানে এটা নয় যে এখনকার সব অন্যায় মুখ বুজে মেনে নিতে হবে। দলকানা অভ্যাস ত্যাগ করে দয়া করে দেশের জন্য যেটা ভালো তার প্রশংসা করুন, আর যেটা খারাপ তার প্রতিবাদ করতে শিখুন, যদি অন্তরে একটুও দেশপ্রেম বলে কিছু থাকে।

এম ডি হাসান জামান

কী সাংঘাতিক আঘাত বাকস্বাধীনতার ওপর! নিয়ম লঙ্ঘন করলে আইন অনুযায়ী সাজা হবে। তা না করে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সমালোচককে শাসানো ও ভীতি দেখানো গণতন্ত্রের সুদূরপ্রসারী ক্ষতি করার শামিল।

রাশেদ আনাম

শামীম ওসমান সাহেব যখন সংসদে বিএনপিকে নির্মূলের অনুমতি প্রার্থনা করেন, তখন আমাদের প্রধানমন্ত্রী কিছুই বলেন না। সব বেসরকারি চ্যানেলকে সরকারি করে দিন—নিশ্চিন্তে থাকুন। 

মারুফ

অন্যমত

শুধু আওয়ামী লীগের নেতা, কর্মী, সমর্থক ছাড়া সরকারের চোখে এখন সবাই উসকানিদাতা—সবাই শত্রু। এভাবে দেশের জনসংখ্যার একটা উল্লেখযোগ্য অংশকে সরকার নিজেই শত্রুতে পরিণত করছে।

মাহফুজা বুলবুল

অনলাইন পাঠক মন্তব্য: মত   দ্বিমত   অন্য মত: অনলাইনে প্রথম আলো (prothom-alo.com) নিয়মিত পড়া হয় ২১০টি​ দেশ ও অঞ্চল থেকে। পড়ার পাশাপাশি পাঠকেরা প্রতিদিন রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, খেলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতামত দেন। গত কয়েক দিনে মতামত ও সংবাদের প্রতিক্রিয়ায় করা বাছাই কিছু মন্তব্য প্রকাশিত হলো

বাধাদিলেকালথেকেসর্বাত্মকহরতাল?

১৪ ফেব্রুয়ারি

মত

আবারও নাটক! দেড় মাস টানা অবরোধ-হরতালে মানুষ পোড়ানোর পর আরও বিকল্প! হরতালের ভয় দেখানো? আজকে যেকোনো ছুতা বের করে আবার হরতাল দেবে। পাবলিকের আইওয়াশ করার জন্য এ নাটক।

মনিরুজ্জামান

দ্বিমত

সভা-সমাবেশ করতে অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা কেন থাকবে? সর্বোচ্চ পুলি​িশ নজরদারি থাকতে পারে। গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চা করতে না দিলে আওয়ামী লীগের জন্য খারাপ পরিণতি অপেক্ষা করছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

অন্যমত

ভালো তো, ভালো না? বিএনপি ইস্যু খুঁজে পেল হরতালের। আর সরকারেরও জনপ্রিয়তা বাড়ল! আসলেই কি বাড়ছে? সরকার একবারও চিন্তা করে দেখেছে? নাকি সরকার মনে করছে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করে নিয়েছে?

মো. নুরুল আমিন

বিজ্ঞাপন
কলাম থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন