default-image

গেলবারের কালের পুরাণে ‘ভুল পথে বিএনপি!’ লেখার পর বহু পাঠকই টেলিফোন ও ই-মেইলে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ কেউ লেখককে আওয়ামী লীগের দালাল বানানোরও চেষ্টা করেছেন। আমাদের দেশে রাজনৈতিক বিশ্লেষণের সমস্যা হলো কারও পক্ষে না গেলেই তিনি তেড়ে আসেন। আর পক্ষে গেলে জয়ধ্বনি দেন। অনেকেই সাদাকে সাদা ও কালোকে কালো বলার চেয়ে জোর করে সাদাকে কালো এবং কালোকে সাদা বলাতে চান। সমাজে যুক্তির ভাষায় কথা বলার ও শোনার মানুষ কমে যাচ্ছে। আর রাজনীতিকদের মধ্যে অসহিষ্ণুতার মাত্রা এতটাই প্রকট যে পান থেকে চুন খসলেই আপনাকে বিদেশি চর কিংবা মৌলবাদীদের দোসর বানিয়ে ছাড়বেন।
অনেকেই বলেছেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি ভুল করলে বড়জোর সেই দলের নেতা-কর্মী–সমর্থক ও অনুসারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হন। বিএনপির ওপর ভরসা রেখে যাঁরা নির্বাচনী বৈতরণি কিংবা আন্দোলনের খেয়া পার হতে চেয়েছিলেন, তাঁরাও বিপদে পড়তে পারেন। কিন্তু সরকার যদি ভুল করে, তার প্রায়শ্চিত্ত করতে হয় দেশের সব মানুষকে। কথাটি অসত্য নয়। জামায়াতের হাত ধরে বিএনপি পেট্রলবোমার রাজনীতি করায় মানুষ তাদের ওপর ক্ষুব্ধ ও বিরক্ত। সে ক্ষেত্রে বিএনপির রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা বাড়ার কথা। কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতারা কি একবার পরখ করে দেখেছেন, তাঁদের জনপ্রিয়তা বেড়েছে না কমেছে। ইদানীং নেতাদের বেলাগাম বক্তৃতা, বিবৃতি ও অসহিষ্ণু আচরণ দেখে মনে হয়, তাঁরা জনসমর্থনের ধারই ধারেন না। তাঁরা বুঝতে পারছেন না যে একটি পেট্রলবোমা যদি বিএনপির জনপ্রিয়তা ১ শতাংশ কমায়, আওয়ামী লীগের নেতাদের বেলাগাম বক্তৃতা ও হুমকি-ধমকিও তাঁদের জন্যও একই পরিণতি ডেকে আনছে।
এ কথা ঠিক যে গেল বছর ৫ জানুয়ারির চেয়ে এবারের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত মানুষ মোটামুটি স্বস্তিতে ছিল। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্পকারখানা, শিক্ষাঙ্গন মোটামুটি স্বাভাবিক ছিল। বিদ্যুৎ সমস্যাও সহনীয় পর্যায়ে চলে এসেছিল। কিন্তু ৫ জানুয়ারির পরে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসী ঘটনায় ওই জোটের নেতা-কর্মীদের যেমন দায় আছে, তেমনি দায় এড়াতে পারেন না ক্ষমতাসীনেরাও। আওয়ামী লীগের নেতারা নিয়ত যে বিএনপিকে উদ্দেশ করে আন্দোলনের মুরোদ নেই বলে উপহাস করে আসছিলেন, সেই উপহাসটি এখন তাঁদের কাছেই ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিএনপি নেতারাও বলতে পারেন, দেশ ঠিক রাখার মুরোদ আওয়ামী লীগের নেই। বিএনপির কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর আওয়ামী লীগ নেতারা, মন্ত্রীরা জোরগলায় বলে আসছেন, এক সপ্তাহের মধ্যে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। সাত সপ্তাহ পরও পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল ও অনিশ্চিত।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্তাব্যক্তিরা মুখে বিএনপি-জামায়াতকে নির্মূল করার ফাঁকা আওয়াজ দিলেও কোনো এক অজ্ঞাত আস্তানা থেকে বিএনপির একজন যুগ্ম মহাসচিবের আন্দোলনের এলান পাঠানো অব্যাহত আছে। তাহলে দেশের উদ্বিগ্ন ও উৎকণ্ঠিত মানুষ আশ্বস্ত হবে কীভাবে? বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে পুলিশের পাহারায় মন্ত্রীরা গরম বক্তৃতা দিলেই মানুষকে আশ্বস্ত করা যায় না। সরকারি দলের নেতাদের রণহুংকারের মধ্যেই মৌলবাদী জঙ্গিবাদীদের হাতে খুন হলেন লেখক-ব্লগার অভিজিৎ রায়। হুমায়ুন আজাদের ওপর হামলাকারীরা নিজেদের নাম প্রকাশ্যে বলতে সাহস পায়নি। অভিজিতের হত্যাকারীরা বলেছে।
এই যে বিএনপি-জামায়াত জোট লাগাতার অবরোধ-হরতালের নামে পেট্রলবোমা মেরে জনজীবনে আতঙ্ক তৈরি করছে, তাতে মানুষ তাদের ওপর ভীষণ বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ। কিন্তু এই ক্ষোভের সুযোগটা আধা পয়সা পরিমাণও সরকার বা সরকারি দল নিতে পারেনি।
পত্রিকায় দেখলাম, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে ভয় পায় না। ২০১৯ সালে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে তিনি বিএনপির নেত্রীকে অংশ নেওয়ারও আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘খালেদা জিয়া মনে রাখবেন, নির্বাচনে আমরা ভয় পাই না। নির্বাচন আমরা করেছি। বারবার নির্বাচন করেছি। আপনি নির্বাচনে এলেন না কেন?’
আমরা যতটা জানি, খালেদা জিয়া একটি নির্বাচনের দাবিতেই আন্দোলন করছেন। তাহলে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে ভয় পায় কি পায় না, এই প্রশ্ন কেন এল। এটি ‘ঠাকুর ঘরে কে রে, আমি কলা খাই না’ প্রবাদটির কথাই মনে করিয়ে দেয়। সম্ভবত আওয়ামী লীগের নেতারা ধরেই নিয়েছেন, নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য আর ভোটের প্রয়োজন হবে না। আগামী নির্বাচনও বিএনপিসহ অধিকাংশ বিরোধী দল বর্জন করবে এবং আওয়ামী লীগ ৫ জানুয়ারির মতো বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে যাবে।

২.
বাংলাদেশে এক অদ্ভুত অবস্থা চলছে। গণতন্ত্র আছে কিন্তু সংসদের ভেতরে-বাইরে কার্যত বিরোধী দল নেই। সংসদে যে বিরোধী দল আছে, সেটি আবার সরকারেরও অংশ। অর্থাৎ মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত মেনে চলতে তারা বাধ্য। আর সংসদের বাইরের বিরোধী দলটি এখন পেট্রলবোমার দলে পরিণত হয়েছে। মানুষকে ভয় পাইয়ে দেওয়া ছাড়া তাদের কোনো কাজ নেই। এ অবস্থায় গণমাধ্যমই জনগণের একমাত্র ভরসা। কূটনীতিক-কলাম লেখক মহিউদ্দিন আহমদ একটি কথা প্রায়ই বলেন, গত দুই দশকে বিরোধী দল যেখানে সংসদ বর্জন করে আসছে, সেখানে সংবাদপত্র ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোই বিকল্প বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে আসছে। কিন্তু এই বিকল্প বিরোধী দল বা গণমাধ্যমের প্রতি সরকারে দৃষ্টিভঙ্গিটা কখনোই অনুকূল ছিল না, এখনো নেই। শেখ হাসিনার প্রথম সরকারের আমলে সাংবাদিক টিপু সুলতানকে সরকারদলীয় সাংসদ জয়নাল হাজারীর বাহিনী নির্যাতন করলে প্রথম আলো তাঁর পাশে দাঁড়ায়। তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওই সাংসদ প্রথম আলো সম্পাদকের বিরুদ্ধে জাতীয় সংসদে ব্যক্তিগত কুৎসা রটান। যদিও পরবর্তীকালে স্পিকার তাঁর সেই বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করে দিয়েছিলেন। সেই সাংসদ এখন আওয়ামী লীগ থেকে পরিত্যক্ত।
নবম সংসদেও একাধিক মন্ত্রী ও সাংসদ প্রথম আলো ও এর সম্পাদকের বিরুদ্ধে ক্রমাগত বিষোদ্গার করেছেন। একটি অধিবেশনে আড়াই ঘণ্টা প্রথম আলোর বিরুদ্ধে তাঁরা কথা বলেছেন। সেই ধারা বিরোধী দলবিহীন সংসদেও চলছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে হিযবুত তাহ্রীরের একটি পোস্টারের ছবিসহ খবর ছাপার জন্য ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার–এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন। যদিও পোস্টারটির শিরোনাম ছিল জঙ্গিবাদী গোষ্ঠী ফের তাদের কুৎসিত মাথা তুলেছে। পত্রিকাটির সম্পাদক নিজেও কলাম লিখে জানিয়েছেন, জঙ্গিগোষ্ঠীকে মদদ দেওয়া নয়, বরং তাদের অপতৎপরতা সম্পর্কে সরকারকে সতর্ক করার জন্যই খবরটি ছাপানো হয়েছে। দুর্ভাগ্য, তাঁর এই ব্যাখ্যায় সরকারের নীতিনির্ধারকেরা সন্তুষ্ট হননি।
গত বৃহস্পতিবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ডেইলি স্টার পত্রিকার সম্পাদক মাহ্ফুজ আনামের গ্রেপ্তার দাবি করে লিখেছেন, ‘ডেইলি স্টার পত্রিকা নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহ্রীরের একটি পোস্টার আধা পৃষ্ঠাজুড়ে ছাপিয়েছে, যেখানে সরকার উৎখাত করতে সেনাবাহিনীর সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। এসবই হচ্ছে আমাদের তথাকথিত সুশীল সমাজের ক্ষমতা দখলের আরেকটি ষড়যন্ত্র। ছাত্রলীগ সদস্যদের ভুয়া বোমা হামলাকারী বানিয়ে ডেইলি স্টার একের পর এক গল্প ছাপিয়ে যাচ্ছে, যেগুলো মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু তাঁদের কেউই বিএনপি-জামায়াতের সহিংসতা বন্ধের দাবি জানাচ্ছেন না।’ এর আগে তিনি দেশের সর্বাধিক প্রচারিত বাংলা দৈনিক প্রথম আলো না পড়ার জন্য নসিহত করেছিলেন।
সজীব ওয়াজেদ জয় যে সত্য বলেননি, তার প্রমাণ ডেইলি স্টার-এর সাম্প্রতিক সংখ্যায় সম্পাদকের নামে একাধিক লেখা, পত্রিকার সম্পাদকীয় ও নিবন্ধ। ৮ ফেব্রুয়ারির সম্পাদকীয়তে বলা হয়: ‘বিএনপি যে ৭২ ঘণ্টার হরতাল ডেকেছে, আমরা কঠোর ভাষায় এর নিন্দা করি। আমরা আরও কঠোরভাবে এর নিন্দা করি এ কারণে যে, এই হরতালের মাধ্যমে ১৫ লাখ শিক্ষার্থীর সঙ্গে তামাশা করা হয়েছে। যে রাজনৈতিক দলটি জনগণের অধিকারের পক্ষে লড়াই করে বলে দাবি করে, সেই দলটি শিক্ষার্থীদের দুর্দশা সম্পর্কে কীভাবে নির্বিকার থাকে?
প্রথম আলোও সরকারি মহলের নানা অপপ্রচার ও তৎপরতা থেকে মুক্ত নয়। ২০০৭ সালের খবর নিয়ে ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সম্পাদকের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলার বাদীরা কোনো না কোনোভাবে সরকারি দল বা বিশেষ সংস্থার সঙ্গে যুক্ত। এসব মামলার কোনো ভিত্তি নেই। সম্পাদককে হয়রানির উদ্দেশ্যেই করা হয়েছে। প্রথম আলোয় খবর নিয়ে দায়ের করা ১৮টি মামলায় উচ্চ আদালত প্রথম আলোর খবরকে সঠিক বলে রায় দিয়েছেন।
প্রথম আলো বরাবরই সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতাকে সমুন্নত রেখে আসছে। প্রথম আলো যেমন সরকারের ভুলত্রুটির সমালোচনা করে, তেমনি বিরোধী দলের সন্ত্রাস ও সহিংসতারও নিন্দা করে। গত দেড় মাসে প্রথম আলো অন্তত ১৫টি সম্পাদকীয়, কয়েক ডজন উপসম্পাদকীয় লিখে বিরোধী দলের জবরদস্তি হরতাল-অবরোধের বিরোধিতা করেছে। ২৭ ফেব্রুয়ারি ‘অচল হরতাল-অবরোধ’ শিরোনামে লেখা সম্পাদকীয়তে বলা হয়: ‘৫১ দিনের অবরোধ-হরতালে শতাধিক মানুষের মৃত্যু মানুষকে বিচলিত না করে পারে না। এ কারণে হরতালে জনজীবন কিছুটা হলেও ব্যাহত হচ্ছে। কিন্তু একে মানুষের সমর্থনপুষ্ট কোনো আন্দোলন বলে দাবি করা যাবে না। এমনকি বিশিষ্ট রাজনীতি বিজ্ঞানীরাও বলেন, বর্তমানে যা চলছে, সেটা আন্দোলন নয়, সহিংস সন্ত্রাস। আন্দোলনের এ নৃশংস পদ্ধতি সব সময় মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে। তাই এ অভিশপ্ত পথ থেকে সরে আসাই হবে রাজনৈতিক দূরদর্শিতার পরিচয়।’
সম্প্রতি সম্পাদক পরিষদের একটি বিবৃতি নিয়েও মহলবিশেষ বিতর্ক তোলার চেষ্টা করছে। সম্পাদক পরিষদ তার বিবৃতিতে বলেছিল, সাম্প্রতিক সময়ে সংবাদপত্র ও জাতীয় প্রচারমাধ্যমের পক্ষে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। একদিকে রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে দায়িত্বরত সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও সহিংসতার ঘটনা ঘটছে, অন্যদিকে সংবাদপত্র প্রচারমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করার চেষ্টা চলছে। এই বিবৃতিতে সম্পাদক ও প্রকাশকদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য এবং মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে বলে যে মন্তব্য করা হয়েছে, সেটি মোটেই অসত্য নয়।
এই বিবৃতির জবাবে তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার তথা তথ্য মন্ত্রণালয় গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। বর্তমানে সরকার বিশ্বাস করে, গণতন্ত্র ও গণমাধ্যম পরস্পরের পরিপূরক। তাই সরকার গণমাধ্যমকে সক্রিয় উন্মুক্ত ও গতিশীল রাখতে সদা সচেষ্ট। সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা, ভিন্নমত, সরকারি কাজে ত্রুটি-বিচ্যুতি বা কর্মকর্তাদের আইনবহির্ভূত কাজ বা দুর্নীতির বিষয়ে রিপোর্টিংয়ে কোনো বাধা নেই।...বাংলাদেশের গণমাধ্যম স্মরণকালের মধ্যে সবচেয়ে স্বাধীনতা ভোগ করছে।
সরকার যদি গণমাধ্যমের ওপর হস্তক্ষেপ না করেই থাকে এবং তারা স্মরণকালের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা ভোগ করে থাকে, তাহলে সংসদে কেন সম্পাদকদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার হবে, কেন হয়রানিমূলক মামলা হবে? কেনই বা পত্রিকা অফিসে পুলিশ ঢুকে তল্লাশি চালাবে?
তাহলে কি আমরা ধরে নেব সরকারের ভেতরেও আরেকটি সরকার আছে। তাহলে কি গণমাধ্যমের ওপর এসব খবরদারি ও মাতব্বরির ঘটনা তথ্য মন্ত্রণালয়ের অজ্ঞাতেই ঘটছে? কারা ঘটাচ্ছেন?
সোহরাব হাসান: কবি, সাংবাদিক।
sohrab০[email protected]

বিজ্ঞাপন
কলাম থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন