default-image

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে গত রোববার ধর্ষণের একটি ঘটনা ঘটে, যেখানে স্কুলপড়ুয়া নবম শ্রেণির ৪ জন ছাত্রী বেড়াতে গিয়ে ৩ জনই ধর্ষণ এবং অপরজন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ঘটনাটি বর্তমানে ‘টক অব দ্য টাউন’ হিসেবে বিবেচিত। শুধু টাঙ্গাইল নয়, বাস্তবে সারা দেশেই শিশু থেকে শুরু করে কিশোরী, ছাত্রী, গৃহিণী এবং অশীতিপর বৃদ্ধা পর্যন্ত এ ঘটনার শিকার হয়েছেন এবং হচ্ছেন। এর আগেও সারা দেশে বিভিন্ন সময়ে প্রতিবাদ জানিয়ে সাধারণ মানুষ, মানবাধিকার সংগঠন, এনজিও এবং পত্রিকা ধর্ষকদের বিচার দাবি করছে। কিন্তু বাংলাদেশে ধর্ষণের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। আমি সমাজবিজ্ঞানীর দৃষ্টিকোণ থেকে ধর্ষণের সংস্কৃতি, কার্যকারণ এবং করণীয় সম্পর্কে আলোকপাত করার চেষ্টা করেছি।

স্মরণকালের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি
বাংলাদেশে ধর্ষণের ঘটনার সংখ্যা, তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এখানে দেশে বর্তমানে ‘ধর্ষণের সংস্কৃতি’ বিরাজ করছে। ‘ধর্ষণের সংস্কৃতি’ বলতে এমন এক সংস্কৃতিকে বোঝানো হয়, যেখানে সমাজের প্রত্যেক নারী, শিশু কিংবা কিশোরী বালিকা ধর্ষণের মতো পরিস্থিতির শিকার হতে পারে। শুধু পুলিশ পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে ২০১৯ সালে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৫৪০০টি। এ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে ধর্ষণের হার ৩.৮০ অর্থাৎ প্রতি ১ লাখ নারী-নারীর মধ্যে প্রায় ৪ জন নারী-শিশুকেই ধর্ষণের শিকার হতে হয়েছে, যা স্মরণকালের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি। আমরা দেখতে পাই ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০১৮ সালে প্রতি লাখে ধর্ষণের হার যথাক্রমে ০.৩৯ জন, ২.৩৭ জন, ২.৩৮ জন ও ২.৪৫ জন। শুধু পরিসংখ্যান বিবেচনায় ২০১৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালে ধর্ষণের এ হার বাড়ার পরিমাণ প্রায় প্রতি লাখে ১.৩৫ জন বা এক-তৃতীয়াংশ (বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ওয়েবসাইট, ২০১৯)।

যদিও নারী ও শিশুর প্রতি সার্বিক সহিংসতা বা নির্যাতনের প্রকাশিত ঘটনার মাত্রা আরও অনেক বেশি। ২০১৭ ও ২০১৮ সালে যথাক্রমে প্রতি লাখে এ হার ৮.১৮ জন ও ৭.২১ জন। আর ২০১৯ সালের প্রথম ৬ মাসে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ১০ হাজার ১৫৯টি এবং হার বৃদ্ধির কথা বিবেচনা করলে প্রায় এটা আগের প্রায় দ্বিগুণ। অন্যদিকে, আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বলছে, ২০১৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালে ধর্ষণের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। ২০১৮ সালে যেখানে মোট নারী ও শিশু ধর্ষণের সংখ্যা ছিল ৭৩২টি, সেখানে ২০১৯ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪১৩টি (আসক, ২০২০)। প্রকৃত ঘটনা এর চেয়েও আরও অনেক বেশি। পরিসংখ্যান বিবেচনায় বাংলাদেশে যে ধর্ষণের সংস্কৃতি বিরাজমান, তা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ এসব পরিসংখ্যান দেয় না।

ডয়েচে ভেলের তথ্যানুযায়ী, বিদেশি সমীক্ষা মোতাবেক বাংলাদেশে ধর্ষণের হার প্রতি লাখে ১০ জন এবং সমগ্র বিশ্বে আমাদের অবস্থান ৪০তম। ধর্ষণের বেলায় আমাদের থেকে অধঃপতিত দেশগুলোর মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা, লেসোথো, বোতসোয়ানা, সোয়াজিল্যান্ড ও সুইডেনে ধর্ষণের হার যথাক্রমে প্রতি লাখে ১৩২ জন, ৯৩ জন, ৮৩ জন, ৭৮ জন ও ৬৩ জন (ডয়েচে ভেলে, ৬ অক্টোবর ২০১৯)। কিন্তু আমার মতে, এসব দেশের মধ্যে বেশির ভাগ আফ্রিকার দারিদ্র্য ও গৃহযুদ্ধপীড়িত দেশ। যদিও পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভারতে প্রতি লাখে ৮ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়, যা বাংলাদেশের তুলনায় কম। পাশ্চাত্যের উন্নত দেশগুলোতে যেখানে বাংলাদেশের তুলনায় ধর্ষণের হার বেশি, সেখানে ব্যাপক জৈবিক, সাংস্কৃতিক, শ্রেণিগত ও নগরকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য বিরাজমান। উল্লিখিত প্রতিটি রাষ্ট্রই বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যগত উপাদানে ‘অসমজাতীয়’।

জৈবিক নয়, সামাজিক
ধর্ষণকে সাধারণত পুরুষের জৈবিক তাড়না হিসেবে দেখা হয়। এর অর্থ হলো ধর্ষণ জৈবিক কাজ হলেও তা সামাজিক কারণে সংঘটিত হয়। সে কারণে এর জৈবিক নয়, সামাজিক প্রতিকারের প্রয়োজন। সামগ্রিক অপরাধের বিচারে ধর্ষণ গুরুতর সহিংস অপরাধ। বাংলাদেশে প্রতিদিন গড়ে ৪টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ পায় না বা প্রকৃতপক্ষে প্রকাশ করা হয় না এবং তার কারণও সামাজিক। ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ পেলে পুরুষের যতটা মর্যাদাহানি হয়, তার চেয়ে ঢের বেশি মর্যাদাহানি হয় ক্ষতিগ্রস্ত নারীর।

ধর্ষিত নারী ও শিশুর অধিকাংশেরই অবস্থান সামাজিকভাবে প্রান্তিক। মূলত ধর্ষণের প্রান্তিক পর্যায়ের খেটে খাওয়া পোশাককর্মী, নিম্ন আয়ের পেশাজীবী নারী, দরিদ্র স্বল্পশিক্ষিত ছাত্রী, গৃহবধূ এবং আদিবাসী নারী। পুলিশ স্টাফ কলেজের (২০১৮) গবেষণা অনুযায়ী, ধর্ষিত নারী ও শিশুদের ৭০.৯ শতাংশের মাসিক কোনো আয় নেই এবং ১৯.৪ শতাংশ নারী ও শিশুর মাসিক আয় ১০ হাজার টাকারও নিচে। এদের গড় মাসিক আয় মাত্র ২ হাজার ৮৪১ টাকা। যার কারণে এসব নারী ও শিশুর মামলা, বিচারিক প্রক্রিয়ায় সমান অংশগ্রহণের সুযোগ থাকে না, ন্যায়বিচারও তাঁরা পান না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নারী ও শিশুদের বিপরীতে ধর্ষকদের অর্থনৈতিক, সামাজিক অবস্থান ও মর্যাদা ভালো। একই গবেষণার তথ্যানুযায়ী, ধর্ষকদের সামাজিক অবস্থানের মধ্যে ১৪.৯ শতাংশ ধনিক শ্রেণির সন্তান, ৯.১ শতাংশ রাজনীতিবিদের সন্তান/আত্মীয় এবং ৪.৬ শতাংশ রাজনৈতিক নেতা-কর্মী। এখানে প্রান্তিক ধর্ষিত নারী ও শিশুর সামাজিক অবস্থানের সঙ্গে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী ও সামাজিকভাবে ক্ষমতাবান ধর্ষকদের সামাজিক বৈষম্যই ধর্ষণের পেছনে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে।

বিচারহীনতার সংস্কৃতি
বাংলাদেশে ধর্ষণের হার বাড়ার অন্যতম আরেকটি কারণ হলো বিচারহীনতার সংস্কৃতি। বাংলাদেশে প্রতিবছর যে পরিমাণ ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটে, সে তুলনায় বিচারের হার অত্যন্ত কম। বাংলাদেশে মেট্রোপলিটন এলাকায় নারী ও শিশু ধর্ষণের ট্রাইব্যুনালে যে বিচারগুলো হয় সেখানে মাত্র ২.৬ শতাংশ মামলায় চূড়ান্ত বিচারের রায় হয়। অথচ যুক্তরাষ্ট্রে ২০১৮ সালে পুলিশের কাছে নথিবদ্ধ অপরাধীর মধ্যে ৩৩.৪ শতাংশ অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রায়ানের তথ্য মোতাবেক, প্রতি হাজার ধর্ষণের মধ্যে ৩৮৪টি পুলিশের কাছে নথিবদ্ধ হয়, ৫৭টিতে গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে, ১১টি বিচারিক প্রক্রিয়ায় যায়, ৭টি তে ১ বছরের বেশি শাস্তি দেওয়া হয় এবং ৬টিতে কারাগারে পাঠানো হয়। বাংলাদেশে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মামলা প্রক্রিয়ায় তদন্ত, ধর্ষণের মেডিকেল রিপোর্ট ও আইনজীবীর অনাগ্রহ বা পক্ষপাতদুষ্টতার কারণে চূড়ান্ত রায়ে মামলা ডিসমিস হয়ে যায়। আইনগতভাবে তদন্ত কর্মকর্তাদের ৯০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষে চূড়ান্ত চার্জ দেওয়ার কথা থাকলেও পুলিশের কর্মভার ও পক্ষপাতদুষ্টতার কারণে অথবা প্রভাবশালী মহলের চাপ থাকায় মামলার চার্জশিট সঠিক সময়ে দেওয়া হয় না। আবার মামলার চার্জশিটের ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত দুর্বলতার কারণেও ভুক্তভোগী নারী ও শিশু ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকেন।

শুধু ধর্ষণসহ যেকোনো অপরাধের বিচার ও শাস্তিদানের প্রক্রিয়ার সঙ্গে রাজনৈতিক অর্থনীতির সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ। বাস্তবে অপরাধ ও শাস্তির সঙ্গে অপরাধী ও ভিকটিমের বর্ণ, সংস্কৃতি, শ্রেণি, লিঙ্গ, ধর্ম ও রাজনৈতিক অবস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে। ধর্ষণের বিচার নয় কেবল, বাংলাদেশে যেকোনো অপরাধের মধ্যে কোনটিকে অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হবে, কাকে বিচারপ্রক্রিয়ায় আনা হবে, কাকে বাদ দেওয়া হবে বা কাকে ফাঁসি দেওয়া হবে; তার সঙ্গে রাজনৈতিক অর্থনীতির সম্পর্কটি ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। উদাহরণস্বরূপ, সাগর-রুনি হত্যার বিচার কেন হয় না বা বিশ্বজিতের খুনিরা কেন মুক্তি পেয়ে যান অথবা ধর্ষণ-পরবর্তী হত্যাকাণ্ডের শিকার তনুর পরিবার কেন বিচার পায় না বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ধর্ষণের মামলায় কথিত আসামি মজনু কেন ধরা পড়ে—এসবের সঙ্গে রাজনৈতিক অর্থনীতিকে না মেলাতে পারলে অভ্যন্তরগত জটিল বিষয়গুলো উপলব্ধি করা যাবে না।

ধর্ষকের পৃষ্ঠপোষণ
সরকারগুলো এখানে ধর্ষণের সংস্কৃতিকে পৃষ্ঠপোষকতা করে বিভিন্নভাবে। ১. দলীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কর্মী বা দলের পৃষ্ঠপোষকতায় এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। টাঙ্গাইলে গণধর্ষণের সঙ্গে যুক্ত বলে যে ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে, তিনি যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এর আগে গত বছর সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগের নেতার কাছে সংস্কৃতিকর্মী ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। এর আগে জাবি, শাবির ঘটনা তো সবার জানা। ২. পুলিশ-বিডিআর-সেনাবাহিনীতে কর্মরত এমনকি স্থানীয় প্রশাসনে থাকা জনপ্রতিনিধিরা ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত হলেও যথাযথ বিচার হচ্ছে না। ৩. ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও মিডিয়ার বাইরে হলগুলোতে নাটক-সিনেমা-যাত্রার বিভিন্ন প্রদর্শনীতে কুরুচিপূর্ণ স্থূল পর্নো ভিডিও অবাধে নির্মিত ও প্রদর্শিত এমনকি বাজারজাত হচ্ছে। তার একটি প্রদর্শনীগত ফলাফল (demonstration effect) রয়েছে ।

ধর্ষণের ক্ষেত্রে সামাজিকীকরণেরও ভূমিকা আছে। জন্মের পর থেকেই পরিবার, স্কুল কিংবা বৃহৎ সামাজিক কাঠামোতে নারীর এবং পুরুষের আলাদা সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়া জড়িত। সামাজিকীকরণের ভিন্নতার কারণে নারী ও পুরুষের মর্যাদা বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গিও ভিন্নভাবে গড়ে ওঠে। নারীকে যেখানে অক্রিয় (Passive) করে গড়ে তোলার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা থাকে, সেখানে পুরুষকে গড়ে তোলা হয় বীরপুরুষ রূপে। ফলে পিতৃতান্ত্রিক এই সমাজব্যবস্থায় পুরুষেরা বড় হয়ে ক্ষমতা কাঠামোর কেন্দ্র হয়ে ওঠেন। আর এই আধিপত্যবাদী মানসিকতার কারণে লিঙ্গই প্রধান হয়ে ওঠে।

আরেকটি বিষয় ধর্ষণের পেছনের কারণ হিসেবে ভূমিকা পালন করে বলে রক্ষণশীল ধর্মীয় নেতারা সামনে নিয়ে আসেন। ভারতে বিজেপি নেতারা স্কুলে স্কার্ট নিষিদ্ধের কথা বলেছেন। ইতালিতে স্কুল পর্যায়ে আগেই আন্ডারওয়্যার দেখা যায় এমন স্কার্টকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশের ইসলামি ও ধর্মীয় সংগঠনগুলো নারীদের পর্দার কথা বলে নারীর ক্ষমতায়ন বা চলাচলকে রোধ করতে চায়। তারা ধর্ষণের ক্ষেত্রে নারীর ভূমিকাকে জড়িয়ে আলোচনা করে। অথচ ধর্ষণের শিকার হয় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শিশুরাই (৫৫%)। আবার নারীদের ক্ষেত্রে যাঁরা ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন, তাঁদের অনেকেই ধর্ষকের অপরিচিত। তাই ধর্ষণ প্রতিরোধে নারীর চলাচলের স্বাধীনতা খর্ব করলে কোনো সমাধান হবে না বরং তাতে নারীর ক্ষমতায়ন ও বিকাশের পথ রুদ্ধ হবে।

উল্লিখিত কারণগুলো বিবেচনা নিয়ে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। নারীর অধস্তনতামূলক মর্যাদার প্রথা ভেঙে সমমর্যাদার ও সমতাভিত্তিক সমাজ নির্মাণ করতে হবে। পৃষ্ঠপোষকতার বাইরে রাজনৈতিকভাবে পরিচিত সন্ত্রাসী ও প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। নারী-পুরুষের জন্য স্বাভাবিক মুক্ত সমাজ নির্মাণ করতে সরকারি-বেসরকারিভাবে রাজনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। ধর্ষণসহ সব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে জনগণের সামাজিক অঙ্গীকার ও অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম: সহযোগী অধ্যাপক ও সাবেক চেয়ারম্যান, ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগ, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সন্তোষ, টাঙ্গাইল।

বিজ্ঞাপন
কলাম থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন