বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এমনই কাণ্ড ঘটিয়েছেন রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল আহাদ। তিনি মো. রনি নামের একজন উপসহকারী প্রকৌশলীর সঙ্গে এ আচরণ করেছেন। সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়া সেই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভেসে বেড়াচ্ছে। এ বিষয়ে মো. রনি পাউবোর মহাপরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ করার পর ‘অসদাচরণ ও চাকরি শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে’ আবদুল আহাদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

ক্যামেরার ফুটেজে স্পষ্টতই দেখা গেছে, আবদুল আহাদ নিজের চেয়ার থেকে উঠে গিয়ে রনির গলা চেপে ধরেন এবং তাঁকে ধাক্কা দিয়ে মেঝেতে ফেলে দেন। এ ছাড়া তুই তোকারি সম্বোধন করে এনটি কাটার হাতে নিয়ে শাসান। পত্রিকান্তরে জানা যাচ্ছে, আবদুল আহাদ রাজবাড়ী কার্যালয় থেকে কাগজপত্র নিয়ে রনিকে ফরিদপুরে যেতে বলেছিলেন। সরকারি গাড়ি ছাড়া রনি যেতে রাজি ছিলেন না। আবদুল আহাদ তাঁকে বিকল্প কোনো যানে যাওয়ার আদেশ দিলে রনি তাঁকে মৌখিক আদেশের পরিবর্তে লিখিত আদেশ দিতে বলেন। এতেই আবদুল আহাদ চড়াও হন।

বাসে বা মোটরসাইকেলে কাগজপত্র নিয়ে যাওয়ার সময় পথে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে—এমন চিন্তা থেকে আবদুল আহাদকে লিখিত আদেশ দেওয়ার কথা বলে থাকতে পারেন মো. রনি। একে কোনো অন্যায় আবদার হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। কিন্তু এই লিখিত আদেশ চাওয়াতেই চটেছিলেন আবদুল আহাদ। আবদুল আহাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে বিশদ তদন্ত হবে। কিন্তু তিনি যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, তা ফৌজদারি আইনের লঙ্ঘন। এই দিক মাথায় রেখে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি বিধিভঙ্গের অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। পাশাপাশি তাঁর মতো ব্যক্তিকে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পদে আর ফিরিয়ে আনা ঠিক হবে কি না, তা–ও বিবেচনা করা দরকার।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন