বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলোর প্রতিবেদন জানাচ্ছে, শীত মৌসুমে পানি কমে যাওয়ায় পাড় থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে প্রবাহিত হচ্ছে নদীর পানি। স্থানে স্থানে জেগে উঠেছে ছোট ছোট চর। বরাট ইউনিয়নের উড়াকান্দা বাজার থেকে পূর্ব দিকে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় পাঁচটি বেড়া দেওয়া হয়েছে। একটি বেড়া নদীর দক্ষিণ পাড়ে এবং চারটি উত্তর পাড়ে। উড়াকান্দা বাজারের পূর্ব দিকে নদীতে বাঁশের বেড়া দিয়ে আড়াআড়িভাবে বাঁধ দেওয়া। এসব বেড়ায় কারেন্ট জাল পাতা হয়েছে।

নদীর স্বাভাবিক গতিপথে নদীকে চলতে দিতে হয়। অপর দিকে মাছের আকার ও সময় অনুযায়ী মাছ শিকারেও কিছু নিষেধাজ্ঞা আছে। নদীতে বেড়া দেওয়ার কারণে মাছের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হবে। এ ছাড়া নদীও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকি নদীর পাড় ভাঙনেরও আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় লোকজন জানাচ্ছেন, একেকটি বেড়া দিতে কয়েক লাখ টাকা খরচ হয়। প্রধানত ইলিশ মাছ শিকার করার জন্য এসব বেড়া দেওয়া হয়। তবে পাঙাশ থেকে শুরু করে বেলে, পাবদা, আইড়, রিঠা প্রভৃতি মাছও পাওয়া যায়। বোঝাই যাচ্ছে, প্রভাবশালীরাই এসব বেড়া নিয়ন্ত্রণ করছেন। তাঁদের দৌরাত্ম্যে সাধারণ জেলেরা নদীতে মাছ ধরতে সমস্যায় পড়েন। তবে বেড়া দেওয়ার সঙ্গে যুক্তদের বক্তব্য হচ্ছে, ‘নদীতে তেমন মাছ নেই। আগের মতো আর তেমন মাছ পড়ে না। এ কারণে বেড়া দেওয়া হয়েছে। এপার এবং ওই পারের জেলেরা মিলেমিশে বেড়া দিয়েছেন।’

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলছেন, পদ্মা নদীতে বেড়া দিয়ে মাছ শিকার করার কোনো সুযোগ নেই। কয়েক দিন ধরে সদর উপজেলায় কোনো কর্মকর্তা ছিলেন না। এসব কারণে তাঁরা পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পাননি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বেড়া উচ্ছেদে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হতে পারে। এখন তাঁরা কী ব্যবস্থা নেন, সেটিই দেখার অপেক্ষা।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন