বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ অবস্থায় সরকার ও জনগণের করণীয় ঠিক করা জরুরি। করোনা সংক্রমণ রোধে এখনো রক্ষাকবচ হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, যতটা সম্ভব জনসমাগম ও ভিড় এড়িয়ে চলা। দৈনন্দিন কাজে যেসব স্থানে মানুষকে যেতেই হয়, সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মানতে সবাইকে বাধ্য করা। এ ক্ষেত্রে সরকারের দায়িত্ব আছে। কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে এটি সম্ভব নয়। এ জন্য জনগণকে সম্পৃক্ত করতে হবে; বিশেষ করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, নাগরিক সমাজ ও তরুণদের। অতীতেও দেখা গেছে, যেসব কর্মসূচিতে জনগণকে সম্পৃক্ত করা যায়, সেখানে বেশি সাফল্য আসে।

সরকার টিকা কর্মসূচি জোরদার করেছে, এটি ভালো সংবাদ। নিয়মিত টিকা কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বিত টিকা কর্মসূচিও শুরু হয়েছে; এতে কম সময়ে অনেক বেশি মানুষ টিকা পাবেন। সেই সঙ্গে বুস্টার ডোজ দেওয়াও অব্যাহত আছে। প্রথম আলোর খবর থেকে জানা যায়, দেশের মোট জনসংখ্যার ৪৩ শতাংশ করোনা টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছে। কিন্তু সব এলাকায় সমানভাবে টিকা পাননি। ১৬টি জেলা পিছিয়ে আছে।

এ অবস্থায় সরকারের প্রথম কর্তব্য হবে পিছিয়ে পড়া জেলাগুলোতে টিকা কর্মসূচি জোরদার করা। সরকারের দাবি, যথেষ্টসংখ্যক টিকা তাদের হাতে মজুত আছে। সে ক্ষেত্রে টিকাদানে সমতা আনা বা দেশের অধিকাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনা কঠিন নয়। একই সঙ্গে নতুন ধরন যাতে দেশের ভেতরে না ঢুকতে পারে, সে জন্য স্থল, বিমান ও বন্দরগুলোতে নজরদারি বাড়াতে হবে। যাঁরাই বাইরে থেকে আসবেন, বাধ্যতামূলকভাবে তাঁদের করোনা পরীক্ষা ও কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে। ডেলটা ধরন প্রবেশের সময় নজরদারি ও পরীক্ষায় যে শিথিলতা ছিল, তার পুনরাবৃত্তি কাম্য হতে পারে না। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদেরও বুঝতে হবে কারও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা যেমন অন্যদের করোনার সংক্রমণ থেকে রক্ষা করবে, আবার কেউ এ বিধি লঙ্ঘন করলে সমূহ সর্বনাশ হতে পারে।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন