বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেলা শহর থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন এসব ইউনিয়ন ও গ্রামের মানুষের অভিযোগ, তাঁদের দেখার কেউ নেই। প্রথম আলোর প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, করোনা মহামারির কারণে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এলাকায় আসেন না। এর মধ্যে কিছু এলাকায় কখনো তাঁদের পা-ই পড়েনি। বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ না থাকায় দুর্গতির শেষ নেই স্থানীয় বাসিন্দাদের। ঘূর্ণিঝড়ের আগে–পরে জনপ্রতিনিধিদের কাছে পান না তাঁরা। বিষয়টি খুবই হতাশাজনক।

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ, সড়ক ও সেতুর এ চিত্র আসলে গোটা বাংলাদেশেরই। ঘূর্ণিঝড়ের আগে–পরে এ নিয়ে বিস্তর আলোচনা হলেও এখন স্তিমিত হয়ে পড়েছে। নগরকেন্দ্রিক উন্নয়ন ভাবনায় প্রান্তিক মানুষের সমস্যাও প্রান্তিক হয়ে পড়ে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ভোলা কার্যালয়ের হিসাবে এই জেলায় প্রায় ৬৩৫ কিলোমিটার সড়ক ও ৩১টি সেতু-কালভার্টের ক্ষতি হয়েছে। এতে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৭৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। ভোলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘গত বছর আম্পানের পরও অধিদপ্তরে ক্ষতির তালিকা পাঠানো হয়েছিল। ইয়াসের প্রভাবে ক্ষতির তালিকাও পাঠিয়েছি। এবার ক্ষতি বেশি হয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্পে বরাদ্দ এলে সংস্কার করি। আলাদা করে কোনো বরাদ্দ আসেনি।’

বড় বড় নানা উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দের তুলনায় ঘূর্ণিঝড়ে ইয়াসে ভোলা জেলার ক্ষয়ক্ষতি টাকার হিসাবে বলতে গেলে অল্পই। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা একটু উদ্যমী হলেই গোটা জেলার ক্ষয়ক্ষতি নিরসন করা সম্ভব। আরেকটি ঘূর্ণিঝড় আসার অপেক্ষায় থাকবেন না তাঁরা, এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন