বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি, প্রার্থীদের আচরণবিধি মেনে চলা এবং নাগরিকদের ভোটাধিকার প্রয়োগের নিরাপত্তাই যদি নির্বাচন কমিশন না দিতে পারে, তাহলে সেই প্রতিষ্ঠানের থাকার প্রয়োজন কী? এবারের ইউপি নির্বাচন প্রতিযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হয়নি। হয়েছে জবরদস্তিমূলক। যিনি যত ক্ষমতাবান, তিনিই তত ক্ষমতা প্রয়োগ করেছেন এবং নিজের পক্ষে ফল নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। আবার কেউ কেউ ফল নিজের পক্ষে নিতে ব্যর্থ হয়ে প্রতিপক্ষের ওপর সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। তাই এ নির্বাচনে আর যা-ই হোক, জনগণের রায়ের প্রতিফলন হয়েছে, এমনটি বলা যাবে না।

পাঁচ দফা নির্বাচনে প্রার্থীসহ যে শতাধিক মানুষ মারা গেলেন, এর দায় কোনোভাবে নির্বাচন কমিশন এড়াতে পারে না। নৈতিক দায় এড়াতে পারেন না ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরাও। আওয়ামী লীগ নিজেকে সুশৃঙ্খল ও সুসংগঠিত দল বলে দাবি করে, এ নির্বাচনে প্রমাণিত হলো দলের মধ্যে বিন্দুমাত্র শৃঙ্খলা নেই। সাংসদ, উপজেলা চেয়ারম্যান, দলের স্থানীয় নেতারা নিজেদের ক্ষমতাবলয় বাড়াতে যতটা উদ্‌গ্রীব, দলের নীতি-আদর্শ ও ন্যূনতম গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় ততটাই উদাসীন।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন