বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলোর প্রতিবেদন জানাচ্ছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন ২০১৮-১৯ অর্থবছরে স্কুল ভবনসহ ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়। আটটি কক্ষ ও দুটি চিলেকোঠাবিশিষ্ট দ্বিতল ভবনটি নির্মাণে বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ১৮ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। এটি বাস্তবায়ন করে বরগুনার মেসার্স খান এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। গত ২৩ মে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভবনটি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু উদ্বোধনের কিছুদিন পর ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দেয়। অভিযোগ পেয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ের উদ্যোগে ভবনটি যেনতেনভাবে মেরামত করা হয়। কিন্তু আবার ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে ভবনটি।

২০১৯ সালে ভবনের কাজ শুরু হয়, শেষ হয় চলতি বছরের জানুয়ারিতে। আনুষ্ঠানিকভাবে গত ২৩ মে ভবনটি স্কুল কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। ১২ সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় ভবনটি। নতুন ভবন পেয়ে শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থীসহ সবার মধ্যেই আনন্দ বিরাজ করছিল। কিন্তু পরে ভবনের জরাজীর্ণ অবস্থা তৈরি হলে সবার মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বৃষ্টির সময় ছাদ দিয়ে শ্রেণিকক্ষের ভেতরে পানি পড়ে শিক্ষার্থীদের বই-খাতা পর্যন্ত ভিজে যায়।

মির্জাগঞ্জের পিআইও রফিকুল ইসলাম বললেন, ভয়ের কিছু নেই। কারণ, পিলার ও বিমে ফাটল নেই। যা আছে, তা গাঁথুনি ও পলেস্তারায়। নির্মাণের সময় ভালো কিউরিং না হওয়ায় এ ধরনের ফাটল দেখা দিতে পারে। শিগগির সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে দিয়ে ভবন মেরামতের ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু আগেরবার মেরামত করার পরও কেন সেটি ঠিক হলো না? ভবন নির্মাণে অনিয়ম হয়েছে, সেটিই কি স্পষ্ট হয় না? কেন ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না? স্কুল ভবনটি দ্রুত মেরামত করে শিক্ষার্থীদের আতঙ্ক দূর করুন।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন