বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

খালের বিভিন্ন স্থানে কাদা আর ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। সেই সঙ্গে ঝোপজঙ্গলে ভরে গেছে দুই পাড়। কোনো পানিপ্রবাহ নেই। ময়লা পানিতে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। ময়লার ভাগাড় হয়ে উঠেছে যেন। কোনো জায়গায় সংস্কার হলেও ভেঙে গেছে পাড়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এ খাল নিয়ে এত এত পরিকল্পনা হয় কিন্তু তা কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এটি এখন দুর্ভোগের খাল হয়ে উঠেছে। রংপুরের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ইতিমধ্যে খালের ১৭০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। বর্তমানে খাল সংস্কারের জন্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পাউবোর আঞ্চলিক কার্যালয় জানাচ্ছে, খাল পুনঃখনন করে দুই পাড়ে সীমানাদেয়ালের জন্য ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

নাগরিক সেবা নিয়ে রংপুরের বাসিন্দাদের অভিযোগের শেষ নেই। বলতে গেলে এখনো নামে মাত্র সিটি করপোরেশন। অথচ করও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানে এত টাকা খরচ করেও শ্যামাসুন্দরী খালের কোনো উন্নতি ঘটেনি। এখন আবারও প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা বলা হচ্ছে। তাতেও কি সুফল মিলবে? খাল সংরক্ষণের পর সেটির রক্ষণাবেক্ষণের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষার জন্য গণসচেতনতাও তৈরি করতে হবে সিটি করপোরেশনকে।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন